
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর নেতা নাঈম কাশেম বলেছেন, “লেবাননের দখল করে রাখা অঞ্চলগুলো থেকে ইসরায়েলকে সরে যেতেই হবে। তাদের হাতে আর ‘কোনো বিকল্প নেই’।” মুসলিমদের পবিত্র দিন আশুরা উপলক্ষ্যে দেওয়া বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি দেন হিজবুল্লাহ প্রধান।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, শিয়া মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটিতে লাখো মানুষ বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের পতাকা উড়িয়ে আশুরা উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।
অনুষ্ঠানে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম বলেন, ‘লেবাননের প্রতিটি ইঞ্চি থেকে ইসরায়েলকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। তাদের হাতে অন্য কোনো বিকল্প নেই। ইসরায়েলকে বিনা শর্তে (লেবানন থেকে) চলে যেতে হবে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র। হামলার শুরুতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এরপর ২ মার্চ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালিয়ে ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয় হিজবুল্লাহ।
পালটা জবাবে লেবাননে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এসব হামলায় এ পর্যন্ত চার হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে লেবাননের কর্মকর্তারা এপ্রিলে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু করে। ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেও হামলা বন্ধ হয়নি।
ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে চলতি মাসে নতুন করে লেবাননে যুদ্ধবিরতি চালুর ঘোষণা এসেছে। ওই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল, লেবাননেও যুদ্ধের অবসান হতে হবে। সে শর্ত মেনেই উভয় দেশ চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে।
তা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের ছয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে পঞ্চম দফা আলোচনা চলছে।
এ পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম বলেন, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, তাদের অপরাধ ভুলে যাওয়া বা ইসরায়েলের জন্য ইতিবাচক কোনো অর্জনকে মেনে নেবেন না।
বক্তব্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইরানকে ধন্যবাদ জানান নাঈম। তিনি মত দেন, ওই চুক্তি ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরাজয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’।
যুদ্ধের শুরু থেকেই লেবানন কর্তৃপক্ষ ইরান যুদ্ধের আলোচনা থেকে তাদের নিজেদের দরকষাকষিকে আলাদা রাখার চেষ্টা করেছেন।

লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর নেতা নাঈম কাশেম বলেছেন, “লেবাননের দখল করে রাখা অঞ্চলগুলো থেকে ইসরায়েলকে সরে যেতেই হবে। তাদের হাতে আর ‘কোনো বিকল্প নেই’।” মুসলিমদের পবিত্র দিন আশুরা উপলক্ষ্যে দেওয়া বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি দেন হিজবুল্লাহ প্রধান।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, শিয়া মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটিতে লাখো মানুষ বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলীতে হিজবুল্লাহ ও ইরানের পতাকা উড়িয়ে আশুরা উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।
অনুষ্ঠানে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম বলেন, ‘লেবাননের প্রতিটি ইঞ্চি থেকে ইসরায়েলকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। তাদের হাতে অন্য কোনো বিকল্প নেই। ইসরায়েলকে বিনা শর্তে (লেবানন থেকে) চলে যেতে হবে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র। হামলার শুরুতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এরপর ২ মার্চ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালিয়ে ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দেয় হিজবুল্লাহ।
পালটা জবাবে লেবাননে বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এসব হামলায় এ পর্যন্ত চার হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপে লেবাননের কর্মকর্তারা এপ্রিলে ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু করে। ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেও হামলা বন্ধ হয়নি।
ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে চলতি মাসে নতুন করে লেবাননে যুদ্ধবিরতি চালুর ঘোষণা এসেছে। ওই চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল, লেবাননেও যুদ্ধের অবসান হতে হবে। সে শর্ত মেনেই উভয় দেশ চুক্তিতে সম্মতি দিয়েছে।
তা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের ছয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। ওয়াশিংটনে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে পঞ্চম দফা আলোচনা চলছে।
এ পরিস্থিতিতে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম বলেন, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা, তাদের অপরাধ ভুলে যাওয়া বা ইসরায়েলের জন্য ইতিবাচক কোনো অর্জনকে মেনে নেবেন না।
বক্তব্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ইরানকে ধন্যবাদ জানান নাঈম। তিনি মত দেন, ওই চুক্তি ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরাজয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা’।
যুদ্ধের শুরু থেকেই লেবানন কর্তৃপক্ষ ইরান যুদ্ধের আলোচনা থেকে তাদের নিজেদের দরকষাকষিকে আলাদা রাখার চেষ্টা করেছেন।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে