
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবানন, সিরিয়া ও গাজা উপত্যকায় গড়ে তোলা তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আইডিএফ ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ এসব অঞ্চলে অবস্থান করবে।
সোমবার (১৫ জুন) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হ্যারেৎজে’র-এর বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, সীমান্ত এলাকা এবং ইসরায়েলি জনবসতিগুলোকে ‘জিহাদি উপাদান’ থেকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল কাৎজ এই অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, দখল করা এসব এলাকা থেকে অদূর ভবিষ্যতে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ এমন সময় এই ঘোষণা দিলেন, ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রথম এ তথ্য প্রকাশের পর ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তিটি এখন সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমি হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’
এদিকে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করলেও সাম্প্রতিক শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় কার্যত প্রান্তিক অবস্থানে চলে গেছে ইসরায়েল। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা উদ্যোগেও তেল আবিবের প্রত্যাশিত ভূমিকা ছিল না।
তবে ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমতের একটি অংশ মনে করে, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত।
লেবাননে নিহত প্রায় ৪ হাজার
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৭১১ জন নিহত হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। পরে ২ মার্চ থেকে লেবাননের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা এই অভিযানে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ জনপদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বহু বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে মানবিক সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এ ছাড়া বারবার উচ্ছেদ নির্দেশ এবং চলমান হামলার কারণে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে কিংবা খুব স্বল্প নোটিশে এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবানন, সিরিয়া ও গাজা উপত্যকায় গড়ে তোলা তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আইডিএফ ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ এসব অঞ্চলে অবস্থান করবে।
সোমবার (১৫ জুন) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হ্যারেৎজে’র-এর বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, সীমান্ত এলাকা এবং ইসরায়েলি জনবসতিগুলোকে ‘জিহাদি উপাদান’ থেকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল কাৎজ এই অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ স্পষ্ট জানিয়েছেন, দখল করা এসব এলাকা থেকে অদূর ভবিষ্যতে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ এমন সময় এই ঘোষণা দিলেন, ইরান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রথম এ তথ্য প্রকাশের পর ট্রাম্প নিজেও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প লেখেন, ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তিটি এখন সম্পন্ন হয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘আমি হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’
এদিকে গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করলেও সাম্প্রতিক শান্তি আলোচনা ও যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় কার্যত প্রান্তিক অবস্থানে চলে গেছে ইসরায়েল। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা উদ্যোগেও তেল আবিবের প্রত্যাশিত ভূমিকা ছিল না।
তবে ইসরায়েলের রাজনৈতিক অঙ্গন ও জনমতের একটি অংশ মনে করে, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত।
লেবাননে নিহত প্রায় ৪ হাজার
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ান জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ হাজার ৭১১ জন নিহত হয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। পরে ২ মার্চ থেকে লেবাননের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা এই অভিযানে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ জনপদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বহু বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে মানবিক সংকটও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এ ছাড়া বারবার উচ্ছেদ নির্দেশ এবং চলমান হামলার কারণে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে কিংবা খুব স্বল্প নোটিশে এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন।

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের হামলার জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের দিকে এগিয়ে যায় খামেনির মরদেহবাহী ট্রাক। রাস্তার দুই পাশে কালো পোশাক পরা লাখো শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা শবযাত্রার সময় পুরো শহরে শোক, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতিশোধের আহ্বানের মিশ্র পরিবেশ
১৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, বিগ টিকেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজয়ী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আতিক হাসানের টিকিট নম্বর ছিল ৩৫৯৬৮৫। তবে তিনি কত দিন ধরে এই ড্রতে অংশ নিচ্ছিলেন বা পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সারচার্জ বা প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য হবে, যা সেবাগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। প্রযোজ্য সারচার্জের হার ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে