
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার এখন শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মাঝেও এক ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। এটি এক ‘নীরব ঘাতক’, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন উপসর্গ না থাকলেও এটি ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি বিকল হওয়া কিংবা চোখের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। অনেকেই মনে করেন উচ্চ রক্তচাপ মানেই ওষুধ, অথচ জীবনযাপন একটু বদলালেই অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধ ছাড়াই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই লেখায় আলোচনা করা হবে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া কিছু উপায় নিয়ে, যেগুলো বিজ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণাসমর্থিত।
সবার আগে যেটি মাথায় রাখা দরকার, তা হলো খাবারের পরিবর্তন। লবণ বা সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন বেশি লবণ গ্রহণ করলে রক্তনালির চাপ বাড়ে এবং হৃদপিণ্ডকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ‘American Heart Association’-এর সিনিয়র নিউট্রিশনিস্ট লিসা মসকোনি বলেন, “যদি কেউ প্রতিদিনের লবণ গ্রহণ ৩-৪ গ্রাম পর্যন্ত সীমিত করতে পারেন, তাহলে তার রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।” মসকোনির মতে, রন্ধনপ্রণালীতে স্বাদের জন্য লবণের বদলে লেবুর রস, আদা, রসুন বা ধনে পাতা ব্যবহার করাই ভালো।
দ্বিতীয়ত, নিয়মিত ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা হালকা জগিং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যুক্তরাজ্যের ‘National Health Service (NHS)’ বলছে, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ব্যায়াম করলে রক্তচাপ ৫-৮ mm Hg পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এই ব্যায়াম হৃদযন্ত্রকে আরও কর্মক্ষম করে তোলে এবং রক্তনালিকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে।
তৃতীয়ত, ওজন কমানো। স্থূলতা উচ্চ রক্তচাপের একটি বড় কারণ। শরীরে যত অতিরিক্ত মেদ জমবে, হৃদযন্ত্রকে তত বেশি চাপ সহ্য করতে হবে। ‘Harvard Medical School’-এর অধ্যাপক ডা. জন ল্যাপুক বলেন, “শরীরের ওজন যদি ৫ কেজিও কমানো যায়, তাহলেও সিস্টোলিক প্রেসার ৪ থেকে ৮ mm Hg পর্যন্ত কমতে পারে।” তাই প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানসিক চাপ। আধুনিক জীবনের দৌড়ঝাঁপে মানসিক চাপ আমাদের প্রতিনিয়ত গ্রাস করে চলেছে। তবে নিয়মিত মেডিটেশন, প্রার্থনা, গভীর শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন কিংবা সকালে প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় কাটানো মনকে শান্ত করে এবং কর্টিসল হরমোন কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘Mayo Clinic’-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এলেন স্টার্লিং বলেন, “মনের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ।”
খাবারের দিক থেকেও কিছু বিশেষ খাবার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যেমন, কলা একটি দারুণ প্রাকৃতিক সোর্স পটাসিয়ামের, যা শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব হ্রাস করে। ‘National Institute of Health’-এর পুষ্টিবিদ ড. কারেন হেন্ডারসন জানান, “প্রতিদিন ২টি কলা খেলে রক্তচাপ কিছুটা হলেও নিচে নামতে পারে, বিশেষত যাদের পটাসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে।”
এছাড়া রসুনকে ‘প্রাকৃতিক ওষুধ’ বলা হয়। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বলা হয়, রসুনের অ্যালিসিন নামক উপাদান রক্তনালিকে প্রসারিত করে, যার ফলে রক্তচাপ হ্রাস পায়। তাদের এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ৬০০-১২০০ মিলিগ্রাম রসুনের নির্যাস গ্রহণ করলে সিস্টোলিক প্রেসার ৭-৮ mm Hg পর্যন্ত কমে যেতে পারে। তাই সকালে খালি পেটে একটি কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস অনেকেই অনুসরণ করে থাকেন।
আরও একটি প্রাকৃতিক খাবার হলো বিটরুট। বিটের মধ্যে থাকা নাইট্রেট রক্তনালিকে প্রসারিত করে এবং রক্তচাপ কমায়। যুক্তরাজ্যের ‘Queen Mary University of London’-এর একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, প্রতিদিন এক গ্লাস বিটরুটের রস পান করলে মাত্র ৪ সপ্তাহেই রক্তচাপে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা যায়।
চা-প্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, গ্রিন টি বা সবুজ চা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। চীনের ‘Guangzhou Medical University’-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন ৩ কাপ গ্রিন টি পান করলে সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক দুই ধরনের রক্তচাপেই ২-৩ mm Hg পর্যন্ত হ্রাস দেখা যেতে পারে।
এছাড়া ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণও উচ্চ রক্তচাপ বাড়ায়। যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের অবশ্যই ধূমপান পরিহার করা উচিত এবং অ্যালকোহল গ্রহণ সীমিত করা উচিত। ‘American College of Cardiology’-এর সদস্য ডা. রবার্ট স্টেইন বলেন, “তামাকের নিকোটিন কয়েক মিনিটের মধ্যেই রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনকি ধূমপানের ঘণ্টাখানেক পরও তার প্রভাব শরীরে থাকে।”
পরিশেষে, যথেষ্ট ঘুম। দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গাঢ়, শান্ত ঘুম না হলে কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মতো হরমোন বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তাই ঘুমের অভ্যাস ভালো রাখা, শোয়ার আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া স্বাস্থ্যকর।
সব মিলিয়ে দেখা যায়, উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন বহু ঘরোয়া উপায় আছে যা ওষুধের চেয়ে অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেক বেশি টেকসই। তবে এসব পদ্ধতির ফলাফল পেতে সময় লাগে, ধৈর্য এবং নিয়মিততা আবশ্যক। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে চলা জরুরি, কিন্তু ঘরোয়া উপায়গুলোকে যদি জীবনের অংশ করে তোলা যায়, তাহলে ওষুধের ওপর নির্ভরতা অনেকাংশেই কমে আসবে। কারণ প্রকৃত সুস্থতা শুধু শরীরের নয়, মনের ও অভ্যাসের মধ্যেও নিহিত থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার এখন শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মাঝেও এক ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন। এটি এক ‘নীরব ঘাতক’, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন উপসর্গ না থাকলেও এটি ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি বিকল হওয়া কিংবা চোখের সমস্যা ডেকে আনতে পারে। অনেকেই মনে করেন উচ্চ রক্তচাপ মানেই ওষুধ, অথচ জীবনযাপন একটু বদলালেই অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধ ছাড়াই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এই লেখায় আলোচনা করা হবে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া কিছু উপায় নিয়ে, যেগুলো বিজ্ঞানভিত্তিক ও গবেষণাসমর্থিত।
সবার আগে যেটি মাথায় রাখা দরকার, তা হলো খাবারের পরিবর্তন। লবণ বা সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন বেশি লবণ গ্রহণ করলে রক্তনালির চাপ বাড়ে এবং হৃদপিণ্ডকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ‘American Heart Association’-এর সিনিয়র নিউট্রিশনিস্ট লিসা মসকোনি বলেন, “যদি কেউ প্রতিদিনের লবণ গ্রহণ ৩-৪ গ্রাম পর্যন্ত সীমিত করতে পারেন, তাহলে তার রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।” মসকোনির মতে, রন্ধনপ্রণালীতে স্বাদের জন্য লবণের বদলে লেবুর রস, আদা, রসুন বা ধনে পাতা ব্যবহার করাই ভালো।
দ্বিতীয়ত, নিয়মিত ব্যায়াম। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা হালকা জগিং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যুক্তরাজ্যের ‘National Health Service (NHS)’ বলছে, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ব্যায়াম করলে রক্তচাপ ৫-৮ mm Hg পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এই ব্যায়াম হৃদযন্ত্রকে আরও কর্মক্ষম করে তোলে এবং রক্তনালিকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে।
তৃতীয়ত, ওজন কমানো। স্থূলতা উচ্চ রক্তচাপের একটি বড় কারণ। শরীরে যত অতিরিক্ত মেদ জমবে, হৃদযন্ত্রকে তত বেশি চাপ সহ্য করতে হবে। ‘Harvard Medical School’-এর অধ্যাপক ডা. জন ল্যাপুক বলেন, “শরীরের ওজন যদি ৫ কেজিও কমানো যায়, তাহলেও সিস্টোলিক প্রেসার ৪ থেকে ৮ mm Hg পর্যন্ত কমতে পারে।” তাই প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা অত্যন্ত জরুরি।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানসিক চাপ। আধুনিক জীবনের দৌড়ঝাঁপে মানসিক চাপ আমাদের প্রতিনিয়ত গ্রাস করে চলেছে। তবে নিয়মিত মেডিটেশন, প্রার্থনা, গভীর শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন কিংবা সকালে প্রকৃতির মাঝে কিছু সময় কাটানো মনকে শান্ত করে এবং কর্টিসল হরমোন কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘Mayo Clinic’-এর মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এলেন স্টার্লিং বলেন, “মনের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ।”
খাবারের দিক থেকেও কিছু বিশেষ খাবার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যেমন, কলা একটি দারুণ প্রাকৃতিক সোর্স পটাসিয়ামের, যা শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব হ্রাস করে। ‘National Institute of Health’-এর পুষ্টিবিদ ড. কারেন হেন্ডারসন জানান, “প্রতিদিন ২টি কলা খেলে রক্তচাপ কিছুটা হলেও নিচে নামতে পারে, বিশেষত যাদের পটাসিয়ামের ঘাটতি রয়েছে।”
এছাড়া রসুনকে ‘প্রাকৃতিক ওষুধ’ বলা হয়। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বলা হয়, রসুনের অ্যালিসিন নামক উপাদান রক্তনালিকে প্রসারিত করে, যার ফলে রক্তচাপ হ্রাস পায়। তাদের এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ৬০০-১২০০ মিলিগ্রাম রসুনের নির্যাস গ্রহণ করলে সিস্টোলিক প্রেসার ৭-৮ mm Hg পর্যন্ত কমে যেতে পারে। তাই সকালে খালি পেটে একটি কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস অনেকেই অনুসরণ করে থাকেন।
আরও একটি প্রাকৃতিক খাবার হলো বিটরুট। বিটের মধ্যে থাকা নাইট্রেট রক্তনালিকে প্রসারিত করে এবং রক্তচাপ কমায়। যুক্তরাজ্যের ‘Queen Mary University of London’-এর একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, প্রতিদিন এক গ্লাস বিটরুটের রস পান করলে মাত্র ৪ সপ্তাহেই রক্তচাপে উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা যায়।
চা-প্রেমীদের জন্য সুখবর হলো, গ্রিন টি বা সবুজ চা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। চীনের ‘Guangzhou Medical University’-এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন ৩ কাপ গ্রিন টি পান করলে সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক দুই ধরনের রক্তচাপেই ২-৩ mm Hg পর্যন্ত হ্রাস দেখা যেতে পারে।
এছাড়া ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণও উচ্চ রক্তচাপ বাড়ায়। যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের অবশ্যই ধূমপান পরিহার করা উচিত এবং অ্যালকোহল গ্রহণ সীমিত করা উচিত। ‘American College of Cardiology’-এর সদস্য ডা. রবার্ট স্টেইন বলেন, “তামাকের নিকোটিন কয়েক মিনিটের মধ্যেই রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনকি ধূমপানের ঘণ্টাখানেক পরও তার প্রভাব শরীরে থাকে।”
পরিশেষে, যথেষ্ট ঘুম। দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গাঢ়, শান্ত ঘুম না হলে কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মতো হরমোন বেড়ে যায়, যা রক্তচাপ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। তাই ঘুমের অভ্যাস ভালো রাখা, শোয়ার আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া স্বাস্থ্যকর।
সব মিলিয়ে দেখা যায়, উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন বহু ঘরোয়া উপায় আছে যা ওষুধের চেয়ে অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং অনেক বেশি টেকসই। তবে এসব পদ্ধতির ফলাফল পেতে সময় লাগে, ধৈর্য এবং নিয়মিততা আবশ্যক। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে চলা জরুরি, কিন্তু ঘরোয়া উপায়গুলোকে যদি জীবনের অংশ করে তোলা যায়, তাহলে ওষুধের ওপর নির্ভরতা অনেকাংশেই কমে আসবে। কারণ প্রকৃত সুস্থতা শুধু শরীরের নয়, মনের ও অভ্যাসের মধ্যেও নিহিত থাকে।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে