
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিটজ দক্ষিণ চীন সাগর থেকে পশ্চিমে রওনা হয়েছে এবং মেরিন ট্রাফিকের তথ্য বলছে, এটি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ভিয়েতনামে নির্ধারিত বন্দর সফর বাতিল করেছে জাহাজটি।
সোমবার (১৬ জুন) সকালে যুদ্ধ জাহাজটিকে নতুন গন্তব্য অভিমুখে দেখা গেছে বলে জানায় জাহাজের গতিপথে নজর রাখা ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিক।
মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তাদের নিয়মিত তৎপরতার অংশ হলেও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভিয়েতনামের দানাং বন্দরে আগামী শুক্রবার (২০ জুন) জাহাজটিকে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়ার সময়সূচি ছিল।
হ্যানয়ের মার্কিন দূতাবাস বলেছে, ‘হঠাৎ উদ্ভূত এক জরুরি অপারেশনাল প্রয়োজনে’ রণতরীটির দানাং যাত্রা বাতিল হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছ থেকে সাড়া পায়নি।
ইউএসএস নিমিটজ এর নেতৃত্বাধীন যুদ্ধজাহাজের বহর কয়েকদিন আগেও দক্ষিণ চীন সাগরে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, যাকে ‘ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়মিত উপস্থিতির অংশ’ বলছে মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় বহরের কমান্ডারের ওয়েবসাইট।
উল্লেখ্য, ইউএসএস নিমিটজ একটি পরমাণুশক্তি চালিত বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ যেটি কোনো ধরনের জ্বালানি গ্রহণ ছাড়াই দীর্ঘদিন সমুদ্রে অপারেশন পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি মূলত একটি ভাসমান বিমানঘাঁটি যা ৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ইলেকট্র্রনিক ওয়ারফেয়ার বিমান বহন করতে পারে এবং এতে প্রায় ৫ হাজার ক্রু থাকে জাহাজটিকে পরিচালনা করার জন্য। শত্রুর হুমকি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এতে থাকে বিভিন্ন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে এই জাহাজটির সাপোর্টিং ভেসেল হিসেবে থাকে সাবমেরিন, ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ ও ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ। আকাশ, পানি ও পানির নিচের সকল ধরনের হুমকি মোকাবেলায় পারদর্শি জাহাজটি। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে মোট ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে এবং এর মধ্যে ইউএসএস নিমিটজ দ্বিতীয় শক্তিশালী জাহাজ। সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস নিমিটজ দক্ষিণ চীন সাগর থেকে পশ্চিমে রওনা হয়েছে এবং মেরিন ট্রাফিকের তথ্য বলছে, এটি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ভিয়েতনামে নির্ধারিত বন্দর সফর বাতিল করেছে জাহাজটি।
সোমবার (১৬ জুন) সকালে যুদ্ধ জাহাজটিকে নতুন গন্তব্য অভিমুখে দেখা গেছে বলে জানায় জাহাজের গতিপথে নজর রাখা ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিক।
মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে তাদের নিয়মিত তৎপরতার অংশ হলেও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভিয়েতনামের দানাং বন্দরে আগামী শুক্রবার (২০ জুন) জাহাজটিকে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়ার সময়সূচি ছিল।
হ্যানয়ের মার্কিন দূতাবাস বলেছে, ‘হঠাৎ উদ্ভূত এক জরুরি অপারেশনাল প্রয়োজনে’ রণতরীটির দানাং যাত্রা বাতিল হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছ থেকে সাড়া পায়নি।
ইউএসএস নিমিটজ এর নেতৃত্বাধীন যুদ্ধজাহাজের বহর কয়েকদিন আগেও দক্ষিণ চীন সাগরে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, যাকে ‘ইন্দো-প্যাসিফিকে মার্কিন নৌবাহিনীর নিয়মিত উপস্থিতির অংশ’ বলছে মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় বহরের কমান্ডারের ওয়েবসাইট।
উল্লেখ্য, ইউএসএস নিমিটজ একটি পরমাণুশক্তি চালিত বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ যেটি কোনো ধরনের জ্বালানি গ্রহণ ছাড়াই দীর্ঘদিন সমুদ্রে অপারেশন পরিচালনা করতে সক্ষম। এটি মূলত একটি ভাসমান বিমানঘাঁটি যা ৬০টির বেশি যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ইলেকট্র্রনিক ওয়ারফেয়ার বিমান বহন করতে পারে এবং এতে প্রায় ৫ হাজার ক্রু থাকে জাহাজটিকে পরিচালনা করার জন্য। শত্রুর হুমকি থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য এতে থাকে বিভিন্ন স্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে এই জাহাজটির সাপোর্টিং ভেসেল হিসেবে থাকে সাবমেরিন, ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ ও ফ্রিগেট যুদ্ধজাহাজ। আকাশ, পানি ও পানির নিচের সকল ধরনের হুমকি মোকাবেলায় পারদর্শি জাহাজটি। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে মোট ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে এবং এর মধ্যে ইউএসএস নিমিটজ দ্বিতীয় শক্তিশালী জাহাজ। সূত্র: রয়টার্স

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১২ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৩ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১৬ ঘণ্টা আগে