
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গাভির। ওই চুক্তিতে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের শর্ত থাকলেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি এই নেতা হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া পর্যন্ত আরও তীব্র হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, বেন গাভিরই প্রথম ইসরায়েলি কোনো নেতা, যিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি নিয়ে মুখ খুলেছেন। এই চুক্তির বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবেই কথা বলেছেন তিনি।
সোমবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বেন গাভির বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চুক্তি আমাদের ওপর বাধ্যতামূলক নয়। আমরা এই চুক্তির কোনো পক্ষ নই। এটি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।’
লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা প্রসঙ্গে ইসরায়েলি এই মন্ত্রী বলেন, কেবল যুদ্ধবিরতি ভেঙে দেওয়া নয়, ইসরায়েলের লক্ষ্য হওয়া উচিত হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া। হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার কম কোনো কিছুতেই আমাদের সন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়।
বেন গাভির আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনারা যেসব এলাকা দখল করেছে এবং যেগুলোকে তিনি ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামোমুক্ত’ বলে দাবি করেছেন, সেসব এলাকার ‘এক ইঞ্চি ভূখণ্ড’ থেকেও সেনাদের সরিয়ে নেওয়া উচিত হবে না।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানসহ নানা পক্ষের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তিচুক্তিতে উপনীত হতে সম্মত হয়েছে। এ সমঝোতার ফলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে বেন গাভিরের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি অংশ এই উদ্যোগকে সমর্থন করছে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলি এই মন্ত্রীর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া না কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটা— ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এ প্রশ্নে মতপার্থক্য এখনো রয়েই গেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গাভির। ওই চুক্তিতে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের শর্ত থাকলেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি এই নেতা হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া পর্যন্ত আরও তীব্র হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, বেন গাভিরই প্রথম ইসরায়েলি কোনো নেতা, যিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি নিয়ে মুখ খুলেছেন। এই চুক্তির বিরুদ্ধে স্পষ্টভাবেই কথা বলেছেন তিনি।
সোমবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বেন গাভির বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই চুক্তি আমাদের ওপর বাধ্যতামূলক নয়। আমরা এই চুক্তির কোনো পক্ষ নই। এটি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।’
লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা প্রসঙ্গে ইসরায়েলি এই মন্ত্রী বলেন, কেবল যুদ্ধবিরতি ভেঙে দেওয়া নয়, ইসরায়েলের লক্ষ্য হওয়া উচিত হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া। হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করার কম কোনো কিছুতেই আমাদের সন্তুষ্ট হওয়া উচিত নয়।
বেন গাভির আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনারা যেসব এলাকা দখল করেছে এবং যেগুলোকে তিনি ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামোমুক্ত’ বলে দাবি করেছেন, সেসব এলাকার ‘এক ইঞ্চি ভূখণ্ড’ থেকেও সেনাদের সরিয়ে নেওয়া উচিত হবে না।
দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানসহ নানা পক্ষের প্রচেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তিচুক্তিতে উপনীত হতে সম্মত হয়েছে। এ সমঝোতার ফলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে বেন গাভিরের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি অংশ এই উদ্যোগকে সমর্থন করছে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলি এই মন্ত্রীর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া না কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটা— ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এ প্রশ্নে মতপার্থক্য এখনো রয়েই গেছে।

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দিনের হামলার জবাব হিসেবে বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করা হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের দিকে এগিয়ে যায় খামেনির মরদেহবাহী ট্রাক। রাস্তার দুই পাশে কালো পোশাক পরা লাখো শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা শবযাত্রার সময় পুরো শহরে শোক, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতিশোধের আহ্বানের মিশ্র পরিবেশ
১৬ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, বিগ টিকেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজয়ী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আতিক হাসানের টিকিট নম্বর ছিল ৩৫৯৬৮৫। তবে তিনি কত দিন ধরে এই ড্রতে অংশ নিচ্ছিলেন বা পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সারচার্জ বা প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য হবে, যা সেবাগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। প্রযোজ্য সারচার্জের হার ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে