
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো ‘সম্ভাবনা নেই’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা এমন কিছু দাবি করছে যা আমি মেনে নিতে পারি না।’
শনিবার (২ মে) আল জাজিরা এবং সিএনএন এসব তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ করা হলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের সংকট সৃষ্টি হতে পারে। ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ‘আরও ভালো’ হতে পারে।
মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সামরিক শক্তি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপকারী ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ আইনকে ‘সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। এ ছাড়া কংগ্রেসকে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতামূলক কার্যক্রম’ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানকে কর বা ফি পরিশোধ করে বাণিজ্য করলে সংশ্লিষ্টদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, আগামী মাসে ট্রাম্পের চীন সফরের সময় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হবে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা করার পর এ সিদ্ধান্ত আসে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
এদিকে লেবাননের সংসদের স্পিকার নবীহ বেরি অভিযোগ করেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা ইসরায়েলকে ‘হামলা বাড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে’। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন, এর আগের দিন আরও ৩০ জনের বেশি প্রাণ হারান।
সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
রাজনীতি/আইআর

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো ‘সম্ভাবনা নেই’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা এমন কিছু দাবি করছে যা আমি মেনে নিতে পারি না।’
শনিবার (২ মে) আল জাজিরা এবং সিএনএন এসব তথ্য জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ করা হলে ভবিষ্যতে আবারও একই ধরনের সংকট সৃষ্টি হতে পারে। ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ‘আরও ভালো’ হতে পারে।
মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সামরিক শক্তি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপকারী ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলেশন’ আইনকে ‘সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়েছেন ট্রাম্প। এ ছাড়া কংগ্রেসকে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শত্রুতামূলক কার্যক্রম’ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানকে কর বা ফি পরিশোধ করে বাণিজ্য করলে সংশ্লিষ্টদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ফু কং বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও জানান, আগামী মাসে ট্রাম্পের চীন সফরের সময় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হবে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ইরান যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা করার পর এ সিদ্ধান্ত আসে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।
এদিকে লেবাননের সংসদের স্পিকার নবীহ বেরি অভিযোগ করেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা ইসরায়েলকে ‘হামলা বাড়াতে উৎসাহ দিচ্ছে’। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন, এর আগের দিন আরও ৩০ জনের বেশি প্রাণ হারান।
সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
রাজনীতি/আইআর

পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
১১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে অবস্থিত শিখা ইন নামের ওই হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আগুন পাশের আরও কয়েকটি হোটেলেও ছড়িয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে
নিহত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডে তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) মারা গেছেন।
১ দিন আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে