
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা। জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়করা এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানালেও এর স্থায়ীত্ব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো ১০ এপ্রিলের আসন্ন শান্তি আলোচনার দিকে তাকিয়ে থাকলেও, যুদ্ধবিরতির শর্ত এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে নেতাদের প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই যুদ্ধবিরতিকে একটি ‘দূরদর্শী পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে উভয় দেশের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মিশর এই সিদ্ধান্তকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। দেশটি বলছে, এটি শান্তি প্রতিষ্ঠা, উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং নৌপথে অবাধ চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে কায়রো।
অস্ট্রেলিয়া এই যুদ্ধবিরতিকে সংঘাত সমাধানের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার বলেন, এটি উৎসাহজনক হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প “অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছেন”।
ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করলেও কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে এবং তার দেশ, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলতে হবে, যাতে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী ও সমন্বিত শান্তির পথ তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা। জাতিসংঘসহ বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়করা এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানালেও এর স্থায়ীত্ব ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো ১০ এপ্রিলের আসন্ন শান্তি আলোচনার দিকে তাকিয়ে থাকলেও, যুদ্ধবিরতির শর্ত এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে নেতাদের প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই যুদ্ধবিরতিকে একটি ‘দূরদর্শী পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে উভয় দেশের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মিশর এই সিদ্ধান্তকে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। দেশটি বলছে, এটি শান্তি প্রতিষ্ঠা, উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা এবং নৌপথে অবাধ চলাচলের ওপর জোর দিয়েছে কায়রো।
অস্ট্রেলিয়া এই যুদ্ধবিরতিকে সংঘাত সমাধানের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার বলেন, এটি উৎসাহজনক হলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য এখনও অনেক কাজ বাকি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প “অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছেন”।
ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করলেও কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হবে এবং তার দেশ, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সব পক্ষকে যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলতে হবে, যাতে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে একটি স্থায়ী ও সমন্বিত শান্তির পথ তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে