
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের নতুন সামরিক প্রধান মোহাম্মদ ওদেহকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার উদ্ধার সংস্থার তথ্য বলছে, হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মাত্র ১১ দিন আগেই ওদেহর পূর্বসূরিকে হত্যা করা হয়।
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায় এ হামলা চালায় ইসরায়েল। হামাস প্রশাসনের অধীনে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাকারী গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানায়, হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
পরদিন বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আনুষ্ঠানিকভাবে মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাৎজ বলেন, ‘গাজায় হামাসের সামরিক শাখার চতুর্থ কমান্ডারকে গতকাল নির্মূল করা হয়েছে এবং তাকে তার সঙ্গীদের কাছে নরকের গভীরে পাঠানো হয়েছে।’
এ সময় তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এবং গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের ‘দুর্দান্ত অভিযানে’র প্রশংসা করেন।
কাৎজ বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের নেতৃত্ব দেওয়া প্রত্যেককে নির্মূল করা হবে এবং সেটাই আমরা করব। তারা সবাই মৃত্যুর জন্য চিহ্নিত, যেখানেই থাকুক না কেন।’
তিনি আরও বলেন, গাজা থেকে হামাসকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং উপত্যকা থেকে ‘স্বেচ্ছামূলক অভিবাসন’ এগিয়ে নেওয়াই ইসরায়েলের লক্ষ্য।
তাৎক্ষণিকভাবে হামাসের পক্ষ থেকে এ ফহটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে হামাসঘনিষ্ঠ গাজাভিত্তিক কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় মোহাম্মদ ওদেহর স্ত্রী ও ছেলেরাও নিহত হয়েছেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সময় ওদেহ হামাসের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
গত সপ্তাহে তাকে গাজার হামাস সামরিক শাখার প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১১ দিন আগে ইজ আদ-দিন আল-হাদ্দাদ ইসরায়েলি অভিযানে নিহত হলে তিনি এ দায়িত্ব নেন। আল-হাদ্দাদ ১৫ মে গাজা সিটিতে একই ধরনের এক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।
নেতানিয়াহু ও কাৎজের ভাষ্য, ওদেহ অনেক ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্যকে হত্যা, অপহরণ ও আহত করার জন্য দায়ী ছিলেন।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আশরাক আল-আসওয়াতের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোহাম্মদ ওদেহ তার পূর্বসূরি আল-হাদ্দাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং যুদ্ধের সময় হামাসের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ দেইফ ও মোহাম্মদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির কাঠামো পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর ওদেহকে ইজ্জ আদ-দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডসের নেতৃত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তখন তা প্রত্যাখ্যান করেন বলে একটি সূত্র দাবি করেছে, যদিও অন্য দুটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।
নিহত মুহাম্মদ সিনওয়ার ছিলেন সাবেক হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ভাই। ইয়াহিয়া সিনওয়ার ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত হন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৭ অক্টোবর হামলার আগে গাজা সীমান্তসংলগ্ন ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও গাজা ডিভিশনের দুর্বল দিকগুলো সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন ওদেহ।
ধারণা করা হয়, তার বয়স ছিল চল্লিশের শেষ ভাগ থেকে পঞ্চাশের শুরুর দিকে। গাজায় বেড়ে ওঠা ওদেহ সারা জীবন হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। অতীতে তিনি হামাসের নিরাপত্তা ইউনিটেও কাজ করেছেন, যারা ইসরায়েলি গুপ্তচর শনাক্ত করার দায়িত্বে ছিল।
ইসরায়েল এর আগেও কয়েকবার তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ২০২৫ সালে গাজায় তার বাবার বাড়িতে চালানো এক হামলায় তার বড় ছেলে আমর নিহত হন।
নেতানিয়াহু ও কাৎজ বলেছেন, ‘৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে আমরা খুঁজে বের করব। আজ হোক বা কাল, ইসরায়েল তাদের সবার কাছেই পৌঁছাবে।’
গত অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েল ৭ অক্টোবর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ অক্টোবর হামলায় অংশ নেওয়া সব ফিলিস্তিনির একটি তালিকা তৈরি করেছে ইসরায়েল। তাদের প্রত্যেককে হত্যা বা গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে দেশটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকায় সেসব গাজাবাসীর নাম রয়েছে যারা ৭ অক্টোবর সীমান্ত অতিক্রম করেছিল, পাশাপাশি হামলার পরিকল্পনায় জড়িত হামাস নেতারাও রয়েছেন। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। ইসরায়েলের ভাষায়, এটি ছিল হলোকাস্টের পর ইহুদিদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হওয়ার ঘটনায় স্পষ্ট হচ্ছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি থাকলেও হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে সংঘাতের রাজনৈতিক ও সামরিক মাত্রা আরও জটিল হয়ে উঠছে।

গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের নতুন সামরিক প্রধান মোহাম্মদ ওদেহকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার উদ্ধার সংস্থার তথ্য বলছে, হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মাত্র ১১ দিন আগেই ওদেহর পূর্বসূরিকে হত্যা করা হয়।
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায় এ হামলা চালায় ইসরায়েল। হামাস প্রশাসনের অধীনে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাকারী গাজার সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানায়, হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
পরদিন বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ আনুষ্ঠানিকভাবে মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কাৎজ বলেন, ‘গাজায় হামাসের সামরিক শাখার চতুর্থ কমান্ডারকে গতকাল নির্মূল করা হয়েছে এবং তাকে তার সঙ্গীদের কাছে নরকের গভীরে পাঠানো হয়েছে।’
এ সময় তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এবং গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের ‘দুর্দান্ত অভিযানে’র প্রশংসা করেন।
কাৎজ বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের নেতৃত্ব দেওয়া প্রত্যেককে নির্মূল করা হবে এবং সেটাই আমরা করব। তারা সবাই মৃত্যুর জন্য চিহ্নিত, যেখানেই থাকুক না কেন।’
তিনি আরও বলেন, গাজা থেকে হামাসকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং উপত্যকা থেকে ‘স্বেচ্ছামূলক অভিবাসন’ এগিয়ে নেওয়াই ইসরায়েলের লক্ষ্য।
তাৎক্ষণিকভাবে হামাসের পক্ষ থেকে এ ফহটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে হামাসঘনিষ্ঠ গাজাভিত্তিক কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় মোহাম্মদ ওদেহর স্ত্রী ও ছেলেরাও নিহত হয়েছেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সময় ওদেহ হামাসের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন।
গত সপ্তাহে তাকে গাজার হামাস সামরিক শাখার প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১১ দিন আগে ইজ আদ-দিন আল-হাদ্দাদ ইসরায়েলি অভিযানে নিহত হলে তিনি এ দায়িত্ব নেন। আল-হাদ্দাদ ১৫ মে গাজা সিটিতে একই ধরনের এক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন।
নেতানিয়াহু ও কাৎজের ভাষ্য, ওদেহ অনেক ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্যকে হত্যা, অপহরণ ও আহত করার জন্য দায়ী ছিলেন।
সৌদি সংবাদমাধ্যম আশরাক আল-আসওয়াতের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোহাম্মদ ওদেহ তার পূর্বসূরি আল-হাদ্দাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং যুদ্ধের সময় হামাসের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ দেইফ ও মোহাম্মদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর সংগঠনটির কাঠামো পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর ওদেহকে ইজ্জ আদ-দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডসের নেতৃত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি তখন তা প্রত্যাখ্যান করেন বলে একটি সূত্র দাবি করেছে, যদিও অন্য দুটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।
নিহত মুহাম্মদ সিনওয়ার ছিলেন সাবেক হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ভাই। ইয়াহিয়া সিনওয়ার ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত হন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৭ অক্টোবর হামলার আগে গাজা সীমান্তসংলগ্ন ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও গাজা ডিভিশনের দুর্বল দিকগুলো সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন ওদেহ।
ধারণা করা হয়, তার বয়স ছিল চল্লিশের শেষ ভাগ থেকে পঞ্চাশের শুরুর দিকে। গাজায় বেড়ে ওঠা ওদেহ সারা জীবন হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। অতীতে তিনি হামাসের নিরাপত্তা ইউনিটেও কাজ করেছেন, যারা ইসরায়েলি গুপ্তচর শনাক্ত করার দায়িত্বে ছিল।
ইসরায়েল এর আগেও কয়েকবার তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ২০২৫ সালে গাজায় তার বাবার বাড়িতে চালানো এক হামলায় তার বড় ছেলে আমর নিহত হন।
নেতানিয়াহু ও কাৎজ বলেছেন, ‘৭ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে আমরা খুঁজে বের করব। আজ হোক বা কাল, ইসরায়েল তাদের সবার কাছেই পৌঁছাবে।’
গত অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েল ৭ অক্টোবর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ অক্টোবর হামলায় অংশ নেওয়া সব ফিলিস্তিনির একটি তালিকা তৈরি করেছে ইসরায়েল। তাদের প্রত্যেককে হত্যা বা গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে দেশটি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকায় সেসব গাজাবাসীর নাম রয়েছে যারা ৭ অক্টোবর সীমান্ত অতিক্রম করেছিল, পাশাপাশি হামলার পরিকল্পনায় জড়িত হামাস নেতারাও রয়েছেন। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক। ইসরায়েলের ভাষায়, এটি ছিল হলোকাস্টের পর ইহুদিদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হওয়ার ঘটনায় স্পষ্ট হচ্ছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি থাকলেও হামাসের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে সংঘাতের রাজনৈতিক ও সামরিক মাত্রা আরও জটিল হয়ে উঠছে।

পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, সামরিক ও বাণিজ্যিক—উভয় ধরনের ভারতীয় উড়োজাহাজই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। পাশাপাশি ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলোর ইজারা নেওয়া উড়োজাহাজগুলোকেও পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না।
৯ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে সই করেন। উভয় পক্ষ জানায়, চুক্তিটি এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র
৯ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলন শেষে বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান আলোচনা অবশ্যই এমন একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে, যেন তেহরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি সমঝোতা স্মারক। যদি এটি আমার পছন্দ না হয়, তাহলে আমরা আবারও গুলি চালাব, তাদের ওপর বোমা ফেলব।’
২১ ঘণ্টা আগে