
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাজ্যের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে জয়ী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লড়াইয়ের প্রথম ধাপ পূরণ করলেন লেবার পার্টির এই নেতা।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম সোমবার (২২ জুন) হাউজ অব কমন্সে শপথ নেন। হাউজ অব কমন্সে তার শপথ গ্রহণ ঘিরে লেবার পার্টির এমপিদের উচ্ছ্বাস ও দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রকাশ্য সমর্থন নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, শপথের সময় লেবার বেঞ্চ থেকে জোরালো করতালি ও উল্লাসধ্বনিতে স্বাগত জানানো হয় বার্নহ্যামকে। শপথ শেষে তিনি সহকর্মী এমপিদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবার এমপিদের এই উষ্ণ অভ্যর্থনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, দলটির নেতৃত্বের লড়াই কার্যত শুরু হওয়ার আগেই বার্নহ্যামের পক্ষেই ঝুঁকে পড়েছে।
তবে বিরোধী দলের এমপিরা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বার্নহ্যামকে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, বার্নহ্যাম নিশ্চয় ‘ত্রাণকর্তা নন’; বিদ্রূপ করে কেউ কেউ বলেন, তিনি ‘পানি থেকে মদ বানিয়ে ফেলবেন’! বার্নহ্যামও রসিকতার সুরে জবাব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে স্পিকার স্যার লিন্ডসে হয়েলের সঙ্গে করমর্দন করে আনুষ্ঠানিকভাবে মেকারফিল্ডের এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বার্নহ্যাম নিশ্চিত করেন যে তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বার্নহ্যাম লিখেছেন, ‘কিয়ের আমাদের দেশের জন্য বিশাল অবদান রেখেছেন। এমন একটি কঠিন সময়ে তার নেতৃত্ব ও নিষ্ঠার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তার সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং এটি সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীলভাবে সম্পন্ন হওয়া জরুরি। আমি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করব।’
বার্নহ্যাম বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা হলো স্থিতিশীল সরকার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়, জনসেবা, আবাসন ও আগামী প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি। রাজনৈতিক পরিবর্তন যেন মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে না নেয়, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তার ভাষায়, লেবার পার্টি আত্মবিশ্বাস ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোলে এই পরিবর্তন দল ও দেশের জন্য ইতিবাচক নবায়নের সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।
স্টারমারের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে এর আগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় এসেছে ভবিষ্যৎ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তবে বার্নহ্যামের এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্ট্রিটিং ঘোষণা দেন, তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে বার্নহ্যামকে সমর্থন করবেন। এ সমর্থন বার্নহ্যামের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
তবে লেবারের এই নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সবাই যে সন্তুষ্ট তা নয়। কয়েকজন তরুণ ভোটার ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বার্নহ্যামের নেতৃত্ব ও মানুষের মনোযোগ আকর্ষণের সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, তিনি কেবল একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে সরকার পরিচালনার জন্য তার নতুন ম্যান্ডেট প্রয়োজন।
কয়েকজনের মতে, স্টারমারের পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার আগে একটি সাধারণ নির্বাচনই হওয়া উচিত। কারণ যে লেবার পার্টি ক্ষমতায় রয়েছে, বার্নহ্যাম এলেও সেই একই দল ক্ষমতায় থাকবে। যারা দলের মধ্যেই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারছে না, তারা জাতীয় পর্যায়ের সংকট কীভাবে সামাল দেবে— এমন প্রশ্ন অনেকের।

যুক্তরাজ্যের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে জয়ী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লড়াইয়ের প্রথম ধাপ পূরণ করলেন লেবার পার্টির এই নেতা।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম সোমবার (২২ জুন) হাউজ অব কমন্সে শপথ নেন। হাউজ অব কমন্সে তার শপথ গ্রহণ ঘিরে লেবার পার্টির এমপিদের উচ্ছ্বাস ও দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রকাশ্য সমর্থন নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, শপথের সময় লেবার বেঞ্চ থেকে জোরালো করতালি ও উল্লাসধ্বনিতে স্বাগত জানানো হয় বার্নহ্যামকে। শপথ শেষে তিনি সহকর্মী এমপিদের সঙ্গে সেলফিও তোলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবার এমপিদের এই উষ্ণ অভ্যর্থনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, দলটির নেতৃত্বের লড়াই কার্যত শুরু হওয়ার আগেই বার্নহ্যামের পক্ষেই ঝুঁকে পড়েছে।
তবে বিরোধী দলের এমপিরা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বার্নহ্যামকে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, বার্নহ্যাম নিশ্চয় ‘ত্রাণকর্তা নন’; বিদ্রূপ করে কেউ কেউ বলেন, তিনি ‘পানি থেকে মদ বানিয়ে ফেলবেন’! বার্নহ্যামও রসিকতার সুরে জবাব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। পরে স্পিকার স্যার লিন্ডসে হয়েলের সঙ্গে করমর্দন করে আনুষ্ঠানিকভাবে মেকারফিল্ডের এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বার্নহ্যাম নিশ্চিত করেন যে তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বার্নহ্যাম লিখেছেন, ‘কিয়ের আমাদের দেশের জন্য বিশাল অবদান রেখেছেন। এমন একটি কঠিন সময়ে তার নেতৃত্ব ও নিষ্ঠার জন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তার সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্বর্তীকালীন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং এটি সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীলভাবে সম্পন্ন হওয়া জরুরি। আমি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করব।’
বার্নহ্যাম বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা হলো স্থিতিশীল সরকার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয়, জনসেবা, আবাসন ও আগামী প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি। রাজনৈতিক পরিবর্তন যেন মানুষের জীবনমান উন্নয়নের কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে না নেয়, সে বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তার ভাষায়, লেবার পার্টি আত্মবিশ্বাস ও সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোলে এই পরিবর্তন দল ও দেশের জন্য ইতিবাচক নবায়নের সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।
স্টারমারের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে এর আগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় এসেছে ভবিষ্যৎ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তবে বার্নহ্যামের এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্ট্রিটিং ঘোষণা দেন, তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে বার্নহ্যামকে সমর্থন করবেন। এ সমর্থন বার্নহ্যামের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
তবে লেবারের এই নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে সবাই যে সন্তুষ্ট তা নয়। কয়েকজন তরুণ ভোটার ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বার্নহ্যামের নেতৃত্ব ও মানুষের মনোযোগ আকর্ষণের সক্ষমতার প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ কেউ বলেছেন, তিনি কেবল একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন এবং জাতীয় পর্যায়ে সরকার পরিচালনার জন্য তার নতুন ম্যান্ডেট প্রয়োজন।
কয়েকজনের মতে, স্টারমারের পদত্যাগের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার আগে একটি সাধারণ নির্বাচনই হওয়া উচিত। কারণ যে লেবার পার্টি ক্ষমতায় রয়েছে, বার্নহ্যাম এলেও সেই একই দল ক্ষমতায় থাকবে। যারা দলের মধ্যেই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারছে না, তারা জাতীয় পর্যায়ের সংকট কীভাবে সামাল দেবে— এমন প্রশ্ন অনেকের।

মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তানের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপে (কর্মপরিকল্পনা) সম্মত হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে কাতারের
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে মহাদেশটিতে তাপপ্রবাহজনিত কারণে দুই লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, স্টারমার সোমবার (২২ জুন) ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এর মধ্য দিয়ে এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
১১ ঘণ্টা আগে
সমর্থকদের মতে, এই বিজয় অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, নিরাপত্তা সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও গভীর হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে