
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বন্দর অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন।
এক সংবাদ সম্মেলনে গুয়ো জিয়াকুন আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি সতর্ক করেন, এই পদক্ষেপ এরই মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে দুর্বল করে দেবে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে।
চীনা মুখপাত্র বলেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচলের নিরাপত্তাও এই পদক্ষেপের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পুরোপুরি ইরানের ওপরই রয়েছে। বল এখন ইরানের কোর্টে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় তাদের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্ট করেছে এবং একটি প্রস্তাবও দিয়েছে। এখন তেহরান সেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, সেটিই মূল বিষয়।
ভ্যান্স জানান, দুটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ছাড় দেবে না—ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ঠেকাতে কার্যকর যাচাই ব্যবস্থা।
তিনি আরও বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাভাবিক দেশের মতো আচরণ করতে প্রস্তুত।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের বন্দর অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন।
এক সংবাদ সম্মেলনে গুয়ো জিয়াকুন আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি সতর্ক করেন, এই পদক্ষেপ এরই মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে দুর্বল করে দেবে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে।
চীনা মুখপাত্র বলেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচলের নিরাপত্তাও এই পদক্ষেপের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব পুরোপুরি ইরানের ওপরই রয়েছে। বল এখন ইরানের কোর্টে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় তাদের অবস্থান ও শর্ত স্পষ্ট করেছে এবং একটি প্রস্তাবও দিয়েছে। এখন তেহরান সেই প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, সেটিই মূল বিষয়।
ভ্যান্স জানান, দুটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ছাড় দেবে না—ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ঠেকাতে কার্যকর যাচাই ব্যবস্থা।
তিনি আরও বলেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগ করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাভাবিক দেশের মতো আচরণ করতে প্রস্তুত।
সূত্র: আল-জাজিরা

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একই ধরনের প্রস্তাব অল্প ব্যবধানে পাস হয়েছিল। ফলে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের উভয় কক্ষই একজন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব অনুমোদন করল।
৯ ঘণ্টা আগে
কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরালিধর এক বিবৃতিতে বলেন, তদন্তে পাওয়া প্রমাণ স্পষ্টভাবে দেখায়, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং তাদের হত্যা করেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মঙ্গলবার বলেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির কোনো বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি জাতিসংঘের এই পারমাণবিক তদারকি সংস্থাকে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
২১ ঘণ্টা আগে