
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ন্যাটো ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একেক সময় বলা একেক ধরনের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের বার্তা জোটের ভিত্তি দুর্বল করে দিতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়া সফররত ম্যাখোঁ বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি সত্যিই সিরিয়াস হতে চান, তাহলে একেক দিন একেক ধরনের কথা বলা ঠিক নয়। অতিরিক্ত কথা বলা হচ্ছে। সবকিছুই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দরকার স্থিতিশীলতা, শান্ত পরিবেশ— এটা কোনো প্রদর্শনী নয়!’
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যের মধ্যেই ম্যাখোঁ এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে ইউরোপীয় নেতাদের যুদ্ধ সমর্থন না দেওয়ায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যেতে পারে বলেও নতুন করে হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্প কখনো বলেছেন, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় জিতেই গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সহায়তা প্রয়োজন নেই; আবার কখনো বলেছেন, মিত্রদের এ সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়া উচিত। ট্রাম্প এমন কথাও বলেছেন, ইউরোপের দেশগুলো যেনে তেলের জন্য নিজেদের রাস্তা নিজেরাই দেখে নেয়। তারা নিজেরাই যেন সাহস সঞ্চয় করে হরমুজ প্রণালিতে গিয়ে নিজেদের তেল নিশ্চিত করে।
এত ধরনের বক্তব্য নিয়ে ম্যাখোঁ স্পষ্টতই বিরক্তি লুকিয়ে রাখতে কোনো রাখঢাক করেননি। তিনি বলেন, যদি সিরিয়াস হতে চান, তাহলে আগের দিনের কথার ঠিক উলটো কথা পরের দিন বলা উচিত নয়। আর প্রতিদিন কথা বলারও দরকার নেই!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদ থেকেই ইউরোপীয় দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গিয়ে গঠিত সামরিক জোট ন্যাটো নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে আসছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্পের ন্যাটোবিরোধী অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। একাধিকবার তিনি ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।
এ সপ্তাহেই হোয়াইট হাউজে এক ব্যক্তিগত মধ্যাহ্নভোজে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো আমাদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও আমাদের প্রয়োজন হলে তারা একই আচরণ করবে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
ডেইলি টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবার বলেন বিপরীত কথা— যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনায় নেই! তবে একই সঙ্গে ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে অভিহিত করেন ট্রাম্প। চলমান যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় এ জোটের সদস্যদের ‘ভীরু’ বলেও সমালোচনা করেন তিনি।
ন্যাটোকে ঘিরে ট্রাম্পের এমন নানামুখী বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ম্যাখোঁ বলেন, ‘ন্যাটোর মতো জোট আসলে নির্ভর করে অঘোষিত আস্থার ওপর। আপনি যদি প্রতিদিন নিজের অঙ্গীকার নিয়েই সন্দেহ তৈরি করেন, তাহলে সেই আস্থার ভিত্তি নষ্ট হয়ে যায়।’
ন্যাটো নিয়ে অবশ্য ওয়াশিংটনের ভেতরেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যে। তারাও ন্যাটোর পক্ষে খুব জোরালো কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ন্যাটো এখনো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করছে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও ন্যাটো মিত্রদের নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।

ন্যাটো ও ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একেক সময় বলা একেক ধরনের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এ ধরনের বার্তা জোটের ভিত্তি দুর্বল করে দিতে পারে।
দক্ষিণ কোরিয়া সফররত ম্যাখোঁ বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যদি সত্যিই সিরিয়াস হতে চান, তাহলে একেক দিন একেক ধরনের কথা বলা ঠিক নয়। অতিরিক্ত কথা বলা হচ্ছে। সবকিছুই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দরকার স্থিতিশীলতা, শান্ত পরিবেশ— এটা কোনো প্রদর্শনী নয়!’
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের যুদ্ধের অগ্রগতি নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্যের মধ্যেই ম্যাখোঁ এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে ইউরোপীয় নেতাদের যুদ্ধ সমর্থন না দেওয়ায় তীব্র সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যেতে পারে বলেও নতুন করে হুমকি দিয়েছেন।
ট্রাম্প কখনো বলেছেন, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় জিতেই গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সহায়তা প্রয়োজন নেই; আবার কখনো বলেছেন, মিত্রদের এ সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়া উচিত। ট্রাম্প এমন কথাও বলেছেন, ইউরোপের দেশগুলো যেনে তেলের জন্য নিজেদের রাস্তা নিজেরাই দেখে নেয়। তারা নিজেরাই যেন সাহস সঞ্চয় করে হরমুজ প্রণালিতে গিয়ে নিজেদের তেল নিশ্চিত করে।
এত ধরনের বক্তব্য নিয়ে ম্যাখোঁ স্পষ্টতই বিরক্তি লুকিয়ে রাখতে কোনো রাখঢাক করেননি। তিনি বলেন, যদি সিরিয়াস হতে চান, তাহলে আগের দিনের কথার ঠিক উলটো কথা পরের দিন বলা উচিত নয়। আর প্রতিদিন কথা বলারও দরকার নেই!
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদ থেকেই ইউরোপীয় দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গিয়ে গঠিত সামরিক জোট ন্যাটো নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করে আসছেন। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্পের ন্যাটোবিরোধী অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। একাধিকবার তিনি ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।
এ সপ্তাহেই হোয়াইট হাউজে এক ব্যক্তিগত মধ্যাহ্নভোজে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো আমাদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও আমাদের প্রয়োজন হলে তারা একই আচরণ করবে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
ডেইলি টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবার বলেন বিপরীত কথা— যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো ত্যাগের বিষয়টি বিবেচনায় নেই! তবে একই সঙ্গে ন্যাটোকে ‘কাগুজে বাঘ’ বলে অভিহিত করেন ট্রাম্প। চলমান যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় এ জোটের সদস্যদের ‘ভীরু’ বলেও সমালোচনা করেন তিনি।
ন্যাটোকে ঘিরে ট্রাম্পের এমন নানামুখী বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ম্যাখোঁ বলেন, ‘ন্যাটোর মতো জোট আসলে নির্ভর করে অঘোষিত আস্থার ওপর। আপনি যদি প্রতিদিন নিজের অঙ্গীকার নিয়েই সন্দেহ তৈরি করেন, তাহলে সেই আস্থার ভিত্তি নষ্ট হয়ে যায়।’
ন্যাটো নিয়ে অবশ্য ওয়াশিংটনের ভেতরেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বক্তব্যে। তারাও ন্যাটোর পক্ষে খুব জোরালো কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ন্যাটো এখনো যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করছে কি না, তা পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও ন্যাটো মিত্রদের নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন।

মার্কিন কংগ্রেসের অধীন সংস্থা 'কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস' (সিআরএস)-এর সাম্প্রতিক এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পেন্টাগন ক্ষয়ক্ষতির হিসাব গোপন রাখতে চাইলেও সিআরএস-এর এই প্রতিবেদন মার্কিন প্রশাসনের ভেতরের বড় বিপর্যয়কে প্রকাশ্যে এনেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলবানেজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ ছিল, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তা, কোম্পানি ও ব্যবসায়িক নির্বাহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উৎসাহিত করেছিলেন। খবর আল আরাবিয়ার।
১০ ঘণ্টা আগে
মিয়ামির ফ্রিডম টাওয়ারে বক্তব্য দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চে ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে বিমান ধ্বংস এবং আরমান্দো আলেহান্দ্রে জুনিয়র, কার্লোস আলবার্তো কস্তা, মারিও মানুয়েল দে লা পেনিয়া ও পাবলো মোরালেসের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক চারটি হত্যার অভিযোগও আ
১১ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি শেষ পর্যন্ত একটি বাস্তবসম্মত সমঝোতায় আসতে রাজি হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ সময়, শক্তি এবং সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হবে। এই চুক্তিটি অত্যন্ত দ্রুত, এমনকি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেও সম্পন্ন হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
১৩ ঘণ্টা আগে