
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সোমবার (১৫ জুন) আল–জাজিরা ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির ধারাবাহিকতায় ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপের চার শীর্ষ শক্তি— যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি। গতকাল রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নিলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে তারা প্রস্তুত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।’ ইউরোপীয় চার দেশ আরও জানায়, দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
চুক্তিটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখায় কাতার ও পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, এই অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে সব পক্ষকে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশও এ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এটি বৈশ্বিক শান্তি ও নৌপথ নিরাপত্তার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, এই চুক্তি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে সহায়ক হবে।
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্সও হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তসহ চুক্তির শর্ত দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি এখনো নাজুক, তাই সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্ব দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি সুসংবাদের অপেক্ষায় ছিল। এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার পথ খুলে দিতে পারে।’
এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই ইতিবাচক গতিকে কাজে লাগিয়ে স্থায়ী সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সোমবার (১৫ জুন) আল–জাজিরা ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির ধারাবাহিকতায় ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শর্তসাপেক্ষে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপের চার শীর্ষ শক্তি— যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি। গতকাল রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে দেশগুলো জানায়, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য পদক্ষেপ নিলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে তারা প্রস্তুত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।’ ইউরোপীয় চার দেশ আরও জানায়, দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
চুক্তিটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখায় কাতার ও পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, এই অগ্রগতিকে এগিয়ে নিতে সব পক্ষকে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশও এ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এটি বৈশ্বিক শান্তি ও নৌপথ নিরাপত্তার জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। তিনি হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, এই চুক্তি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা জোরদার করতে সহায়ক হবে।
নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্সও হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তসহ চুক্তির শর্ত দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি এখনো নাজুক, তাই সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্ব দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি সুসংবাদের অপেক্ষায় ছিল। এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার পথ খুলে দিতে পারে।’
এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এই ইতিবাচক গতিকে কাজে লাগিয়ে স্থায়ী সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে