
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌ-বন্দরগুলোতে আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
গালিবাফ বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকা ‘চলমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন’। তাঁর ভাষায়, একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে জিম্মি করার আশঙ্কা দূর হবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির আরেকটি শর্ত হচ্ছে সব রণাঙ্গণে ‘জায়নবাদী আগ্রাসন’ বন্ধ করা।
ইরানের স্পিকার সতর্ক করে বলেন, একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে না। সামরিক আগ্রাসনে যা অর্জন করা যায়নি, তা ভয়ভীতি দেখিয়েও অর্জন সম্ভব নয়।
১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ—প্রায় এক-চতুর্থাংশ—এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
গত ২৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। বর্তমানে প্রণালিটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। যুদ্ধকালীন সময়ে প্রণালি ব্যবহার করতে হলে জাহাজগুলোকে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হচ্ছে।
টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠক হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। এরপর ১২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারির ঘোষণা দেন।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২১ এপ্রিল তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হলেও, অবরোধ ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌ-বন্দরগুলোতে আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
গালিবাফ বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকা ‘চলমান যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন’। তাঁর ভাষায়, একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হবে এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিকে জিম্মি করার আশঙ্কা দূর হবে।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির আরেকটি শর্ত হচ্ছে সব রণাঙ্গণে ‘জায়নবাদী আগ্রাসন’ বন্ধ করা।
ইরানের স্পিকার সতর্ক করে বলেন, একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে না। সামরিক আগ্রাসনে যা অর্জন করা যায়নি, তা ভয়ভীতি দেখিয়েও অর্জন সম্ভব নয়।
১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ—প্রায় এক-চতুর্থাংশ—এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে এর কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।
গত ২৮ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর ইরান হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। বর্তমানে প্রণালিটি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। যুদ্ধকালীন সময়ে প্রণালি ব্যবহার করতে হলে জাহাজগুলোকে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হচ্ছে।
টানা ৪০ দিনের সংঘাতের পর ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে বৈঠক হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। এরপর ১২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারির ঘোষণা দেন।
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ২১ এপ্রিল তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হলেও, অবরোধ ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ইরান। আগামী শুক্রবার দুই পক্ষের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সমঝোতা নিয়ে দেশটির কট্টরপন্থি মহলে ‘জোরালো আপত্তি’ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ— চুক্তিতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো স্পষ্ট নিশ্চয়তা নেই। এ ছ
৪ ঘণ্টা আগে
নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (নেতানিয়াহু) একজন জটিল মানুষ। সত্যি বলতে, এর (চুক্তি) জন্য আমাদের কাছে তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ, ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকত না।’
৫ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নেতারা। তারা এই সমঝোতাকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এতদ্বারা হরমুজ প্রণালি কোনো টোল বা শুল্ক ছাড়াই উন্মুক্ত করার পূর্ণ অনুমোদন দিচ্ছি এবং একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অবিলম্বে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিচ্ছি।’ বিশ্ববাসীর উদ্দেশে নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘বিশ্বের জাহাজগুলো, তোমাদের ইঞ্জিন চালু করো। এবার তেল স
৮ ঘণ্টা আগে