
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের ‘ক্লাস্টার বোমা’ হামলা বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক ও বহুমুখী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরায়েলের আয়রন ডোমকে নাজেহাল করে তুলেছে। এই বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ‘খোররামশাহর’ এখন দেশটির জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
‘খোররামশাহর’ ইরানের সবচেয়ে উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি। এটি একটি ক্লাস্টার ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম, যা মাঝআকাশে ৮০টি পর্যন্ত ছোট বোমা (সাবমিউনিশন) ছড়িয়ে দিতে পারে। এতে একবার ছড়িয়ে পড়ার পর এসব সাবমিউনিশন প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২৮ মার্চ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯টি ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে জনবসতিতে আঘাত হেনেছে। এই পরিসংখ্যান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন নিহত ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। গত রোববারও ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য ইসরায়েলে আঘাত হানে, আহত হন ১৫ জন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেকই ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী।
ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ তাল ইনবার বলেন, ক্লাস্টার বোমা প্রতিহত করতে হলে মূল ক্ষেপণাস্ত্রটি বিস্ফোরণের আগেই ধ্বংস করতে হয়, যা সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অত্যন্ত জটিল। একাধিক ছোট বোমা ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরায়েলকে বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে।
তাল ইনবার বিষয়টিকে একটি অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা হিসেবেও দেখছেন। তার মতে, প্রতিটি ছোট বোমার পেছনে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা কোনোভাবেই সাশ্রয়ী নয়। যদিও ইসরায়েলের মজুদের প্রকৃত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে।
অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় মূল ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা হলেও সাবমিউনিশনগুলো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয় না। এ ছাড়া এই ছোট বোমাগুলো তৎক্ষণাৎ না ফেটে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করে, যা পরে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইরানের ক্লাস্টার বোমার ব্যবহারকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘চরম লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে। ২০০৮ সালের কনভেনশন অন ক্লাস্টার মিউনিশনস অনুযায়ী জনবহুল এলাকায় এই বোমার ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন। কনভেনশনে নিষিদ্ধ হলেও ইরান ও ইসরায়েল কেউই এতে স্বাক্ষর করেনি।

ইরানের ‘ক্লাস্টার বোমা’ হামলা বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক ও বহুমুখী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইসরায়েলের আয়রন ডোমকে নাজেহাল করে তুলেছে। এই বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র ‘খোররামশাহর’ এখন দেশটির জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
‘খোররামশাহর’ ইরানের সবচেয়ে উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি। এটি একটি ক্লাস্টার ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম, যা মাঝআকাশে ৮০টি পর্যন্ত ছোট বোমা (সাবমিউনিশন) ছড়িয়ে দিতে পারে। এতে একবার ছড়িয়ে পড়ার পর এসব সাবমিউনিশন প্রতিহত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২৮ মার্চ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯টি ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে জনবসতিতে আঘাত হেনেছে। এই পরিসংখ্যান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন নিহত ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। গত রোববারও ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য ইসরায়েলে আঘাত হানে, আহত হন ১৫ জন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্যমতে, সংঘাত শুরুর পর থেকে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেকই ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী।
ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ তাল ইনবার বলেন, ক্লাস্টার বোমা প্রতিহত করতে হলে মূল ক্ষেপণাস্ত্রটি বিস্ফোরণের আগেই ধ্বংস করতে হয়, যা সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অত্যন্ত জটিল। একাধিক ছোট বোমা ধ্বংস করতে গিয়ে ইসরায়েলকে বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে।
তাল ইনবার বিষয়টিকে একটি অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা হিসেবেও দেখছেন। তার মতে, প্রতিটি ছোট বোমার পেছনে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা কোনোভাবেই সাশ্রয়ী নয়। যদিও ইসরায়েলের মজুদের প্রকৃত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে, তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ক্রমেই চাপের মুখে পড়ছে।
অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় মূল ক্ষেপণাস্ত্রটি ধ্বংস করা হলেও সাবমিউনিশনগুলো পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয় না। এ ছাড়া এই ছোট বোমাগুলো তৎক্ষণাৎ না ফেটে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করে, যা পরে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইরানের ক্লাস্টার বোমার ব্যবহারকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘চরম লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে। ২০০৮ সালের কনভেনশন অন ক্লাস্টার মিউনিশনস অনুযায়ী জনবহুল এলাকায় এই বোমার ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন। কনভেনশনে নিষিদ্ধ হলেও ইরান ও ইসরায়েল কেউই এতে স্বাক্ষর করেনি।

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
১৫ ঘণ্টা আগে
হামলায় বিরতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প সব সময়ই স্পষ্ট করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানই তার প্রথম পছন্দ। তবে ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে কী ঘটতে পারে, সেটিও তিনি তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ব্র্যান্ডেনবার্গ গেটসংলগ্ন টিয়ারগার্টেন পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানকে ঘিরে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের কাছে যেটি সঠিক মনে হবে, সেটিই তিনি প্রকাশ করবেন। ব্রিটেনের স্বার্থের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিরুদ্ধেও কথা বলতে তাঁর দ্বিধা থাকবে না।
১ দিন আগে