
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াই কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তাদের লড়াই করতে হয়েছে খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।
ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৫ মে) সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ইঙ্গিত করে করে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাষ্ট্রীয় যন্ত্র এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করেছে। তার দাবি, বিজেপি নির্বাচনের ময়দানে রাজনৈতিকভাবে জয়ী হয়নি, বরং নির্বাচন কমিশনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং বুথ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল শাসকদলের অনুকূলে, যা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য একটি অসম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল।
বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও কেন এমন বিপর্যয় ঘটল— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, আমাদের লড়াইটা যদি বিজেপির সাথে হতো, তবে মানুষ তার যোগ্য জবাব দিত। কিন্তু যখন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করে, তখন গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। আমাদের লড়াই ছিল ইসি-র অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রেই তার দলের কর্মী-সমর্থকদের ভয় দেখানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে প্রশাসনিক স্তরে রদবদল ঘটিয়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে তৃণমূলের এই বিশাল পতন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় নিয়ে এসেছে। একদিকে বিজেপি এই জয়কে জনগণের চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কড়া অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তিনি এখনই পরাজয় মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন না।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াই কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তাদের লড়াই করতে হয়েছে খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।
ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৫ মে) সংবাদ সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ইঙ্গিত করে করে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাষ্ট্রীয় যন্ত্র এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করেছে। তার দাবি, বিজেপি নির্বাচনের ময়দানে রাজনৈতিকভাবে জয়ী হয়নি, বরং নির্বাচন কমিশনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট তৈরি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং বুথ পর্যায়ের ব্যবস্থাপনায় কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল শাসকদলের অনুকূলে, যা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য একটি অসম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল।
বিপুল জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও কেন এমন বিপর্যয় ঘটল— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, আমাদের লড়াইটা যদি বিজেপির সাথে হতো, তবে মানুষ তার যোগ্য জবাব দিত। কিন্তু যখন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানই নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করে, তখন গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। আমাদের লড়াই ছিল ইসি-র অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রেই তার দলের কর্মী-সমর্থকদের ভয় দেখানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে প্রশাসনিক স্তরে রদবদল ঘটিয়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই নির্বাচনে তৃণমূলের এই বিশাল পতন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় নিয়ে এসেছে। একদিকে বিজেপি এই জয়কে জনগণের চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কড়া অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তিনি এখনই পরাজয় মেনে নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন না।

বর্তমানে স্পেন, ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে দাবানল আরও বিপজ্জনক রূপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জলকামানসহ শত শত দমকলকর্মী দিনরাত কাজ করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কারখানার নিচতলায় যেখানে দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হতো, সেখান থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন, অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘শেষ’। তার এ অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলা
১০ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আলমেরিয়া প্রদেশের লস গাইয়ারদোস এলাকায় এ দাবানলের সূত্রপাত হয়। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে