
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুই দফায় ভোট গ্রহণ শেষে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন চলছে ভোট গণনা। এ প্রক্রিয়ায় প্রথম ঘণ্টা তিনেকের তথ্য বলছে, দুপক্ষের মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একবার রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে যাচ্ছে, তো পরমুহূর্তেই এগিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় (ভারতের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা) কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজারের সবশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, বিধান সভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৪৮টি আসনে অগ্রগামিতার ফলাফল পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফল বলছে, এখন পর্যন্ত ১২৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত তারা এগিয়ে রয়েছে ১২১টি আসনে। বিধানসভায় রাজ্য সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে ন্যূনতম ১৪৭টি আসনে জয় পেতে হবে। সে হিসাবে দুই দলের সামনেই এখনো বিধানসভা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন ভোটাররা।
এদিকে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, দুটি আসনে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বামপন্থি সিপিএম এগিয়ে রয়েছে একটি আসনে। বাকি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে অন্য একটি দল।
এর আগে সোমবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে গণনা করা হয় পোস্টাল ব্যালট। এরপর ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার করে নেওয়া ভোটের গণনা শুরু হয়। দুপুর নাগাদ ভোটের ফলাফল আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এবারও ভোটে জিতে রাজ্য সরকার গঠনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তবে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি এবার জয় ছিনিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের মতো রাজ্যেও আসন গাড়বে বলে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় ভোট হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪টি আসনের ভোটগ্রহণ হয়ে গেলেও সোমবার ভোটগণনা হবে ২৯৩টি কেন্দ্রের।
কারণ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে নির্বাচনে ‘অনিয়মের অভিযোগে’ ভোট বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে ফলতায় নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে। ২৪ মে হবে সেই ভোটের গণনা। যখন সেই ভোট হবে, তখন পশ্চিমবঙ্গ পরিচালনা করবে নির্বাচিত নতুন সরকার।
আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফায় যেসব এলাকায় ভোট হয়, তার বেশির ভাগ জেলা বিজেপির ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলে পরিচিত। আবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল তৃণমূলের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত দক্ষিণবঙ্গে
ফলাফল নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবিরই আত্মবিশ্বাসী। দুই শিবিরের তরফেই দাবি এবং পালটা দাবি রয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন সংস্থা যে বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল, তার বেশির ভাগেই ইঙ্গিত মিলেছিল রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। পালটা তৃণমূল দাবি করেছে, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোটেও বুথফেরত সমীক্ষা মেলেনি, এবারও মিলবে না।
এবারের এই নির্বাচন আলোচনায় এসেছে এসআইআরের কারণে। বিশেষ বিবেচনায় গণহারে ভোটারদের বাদ দেওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা অনেকটা কমে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ কারণে এবার ভোটদানের হার বেড়েছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে। আবার ভোটদাতার সংখ্যা ২০২১-এর তুলনায় ৩০ লাখেরও বেশি। এ কারণেও বেড়েছে ভোট।
এ নির্বাচনে সম্ভবত সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর, যা এবারের ভোটের ‘নন্দীগ্রাম’ হয়ে উঠেছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই হয়েছিল। জিতেছিলেন শুভেন্দু। এ বার দুজনে মুখোমুখি ভবানীপুরে।
এবারের এ লড়াই আগেরবারের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন আরেক কারণেও। কারণ পাঁচ বছর আগের লড়াই ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দুর লড়াই। কিন্তু ভবানীপুরে এবারে লড়াই মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী নেতার, যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঘটেনি। সে কারণেই সারা রাজ্যের সঙ্গে পৃথকভাবে সবার নজর থাকবে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের দিকে, যেখানে চলছে ভবানীপুরের ভোট গণনা।

দুই দফায় ভোট গ্রহণ শেষে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে এখন চলছে ভোট গণনা। এ প্রক্রিয়ায় প্রথম ঘণ্টা তিনেকের তথ্য বলছে, দুপক্ষের মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একবার রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে যাচ্ছে, তো পরমুহূর্তেই এগিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায় (ভারতের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা) কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজারের সবশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, বিধান সভার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৪৮টি আসনে অগ্রগামিতার ফলাফল পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফল বলছে, এখন পর্যন্ত ১২৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এখন পর্যন্ত তারা এগিয়ে রয়েছে ১২১টি আসনে। বিধানসভায় রাজ্য সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে ন্যূনতম ১৪৭টি আসনে জয় পেতে হবে। সে হিসাবে দুই দলের সামনেই এখনো বিধানসভা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করছেন ভোটাররা।
এদিকে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, দুটি আসনে এগিয়ে রয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বামপন্থি সিপিএম এগিয়ে রয়েছে একটি আসনে। বাকি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে অন্য একটি দল।
এর আগে সোমবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়। প্রথমে গণনা করা হয় পোস্টাল ব্যালট। এরপর ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহার করে নেওয়া ভোটের গণনা শুরু হয়। দুপুর নাগাদ ভোটের ফলাফল আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে বর্তমান ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এবারও ভোটে জিতে রাজ্য সরকার গঠনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তবে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি এবার জয় ছিনিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের মতো রাজ্যেও আসন গাড়বে বলে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়। পরে দ্বিতীয় দফায় ভোট হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪টি আসনের ভোটগ্রহণ হয়ে গেলেও সোমবার ভোটগণনা হবে ২৯৩টি কেন্দ্রের।
কারণ দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে নির্বাচনে ‘অনিয়মের অভিযোগে’ ভোট বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে ফলতায় নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে। ২৪ মে হবে সেই ভোটের গণনা। যখন সেই ভোট হবে, তখন পশ্চিমবঙ্গ পরিচালনা করবে নির্বাচিত নতুন সরকার।
আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফায় যেসব এলাকায় ভোট হয়, তার বেশির ভাগ জেলা বিজেপির ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলে পরিচিত। আবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল তৃণমূলের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত দক্ষিণবঙ্গে
ফলাফল নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবিরই আত্মবিশ্বাসী। দুই শিবিরের তরফেই দাবি এবং পালটা দাবি রয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হতেই বিভিন্ন সংস্থা যে বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছিল, তার বেশির ভাগেই ইঙ্গিত মিলেছিল রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। পালটা তৃণমূল দাবি করেছে, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের ভোটেও বুথফেরত সমীক্ষা মেলেনি, এবারও মিলবে না।
এবারের এই নির্বাচন আলোচনায় এসেছে এসআইআরের কারণে। বিশেষ বিবেচনায় গণহারে ভোটারদের বাদ দেওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা অনেকটা কমে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ কারণে এবার ভোটদানের হার বেড়েছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে। আবার ভোটদাতার সংখ্যা ২০২১-এর তুলনায় ৩০ লাখেরও বেশি। এ কারণেও বেড়েছে ভোট।
এ নির্বাচনে সম্ভবত সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর, যা এবারের ভোটের ‘নন্দীগ্রাম’ হয়ে উঠেছিল। ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই হয়েছিল। জিতেছিলেন শুভেন্দু। এ বার দুজনে মুখোমুখি ভবানীপুরে।
এবারের এ লড়াই আগেরবারের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন আরেক কারণেও। কারণ পাঁচ বছর আগের লড়াই ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দুর লড়াই। কিন্তু ভবানীপুরে এবারে লড়াই মুখ্যমন্ত্রী বনাম বিরোধী নেতার, যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঘটেনি। সে কারণেই সারা রাজ্যের সঙ্গে পৃথকভাবে সবার নজর থাকবে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের দিকে, যেখানে চলছে ভবানীপুরের ভোট গণনা।

লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে
১১ ঘণ্টা আগে
ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে