
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র হলে ইরানের পক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। তারা জানিয়েছে, যুদ্ধ করার মতো পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।
হুতি নেতা আবদেল মালেক আল-হুতি বলেন, পরিস্থিতি চাইলে আমরা যুদ্ধে যোগ দেবো। এই সংঘাতে সামান্য এমন কোনো পরিবর্তন যদি ঘটে. যার জন্য সামরিক জবাব দেওয়া প্রয়োজন, তবে আমরা দেরি না করেই হস্তক্ষেপ করব।
বর্তমানে ইয়েমেনের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হুতিদের হাতে। লোহিত সাগরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে তারা শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে রয়েছে। এই প্রণালি হয়ে সুয়েজ খালের দিকে নৌ যান চলাচল করে।
এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রেখেছে ইরান। এ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ইরান জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। হুতিরা যুদ্ধে জড়ালে বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণও ইরানের হাতে চলে যাবে। তা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতিমে আরও অস্থির করে তুলবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হুতির একজন নেতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এখন পর্যন্ত ইরান ভালো করছে এবং শত্রুকে প্রতিদিন পরাজিত করে চলেছে। এর বিপরীত কিছু ঘটলে আমরা সামরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সব ধরনের বিকল্পসহ প্রস্তুত আছি।
হুতির ওই নেতা আরও বলেন, তারা পুরো পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করছেন। যুদ্ধে জড়ানোর উপযুক্ত সময় এলে তারা সহজেই বুঝতে পারবেন।
বাব আল-মান্দ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের হুমকি আগেই দিয়ে রেখেছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির এক ঊর্ধ্বতন সেনা কমান্ডার ফার্স নিউজকে বলেন, শত্রুপক্ষ যদি ইরানের দ্বীপপুঞ্চ বা ইরানের ভূখণ্ডে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা নেয়, অথবা পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে তৎপরতা বৃদ্ধি করে তাহলে বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নতুন ফ্রন্ট খুলবে আইআরজিসি।
ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে বলে আইআরজিসির কর্মকর্তা জানান। এ ক্ষেত্রে হুতি নেতারা ইরানকে পূর্ণ সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র হলে ইরানের পক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। তারা জানিয়েছে, যুদ্ধ করার মতো পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতি তাদের রয়েছে।
হুতি নেতা আবদেল মালেক আল-হুতি বলেন, পরিস্থিতি চাইলে আমরা যুদ্ধে যোগ দেবো। এই সংঘাতে সামান্য এমন কোনো পরিবর্তন যদি ঘটে. যার জন্য সামরিক জবাব দেওয়া প্রয়োজন, তবে আমরা দেরি না করেই হস্তক্ষেপ করব।
বর্তমানে ইয়েমেনের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে হুতিদের হাতে। লোহিত সাগরে প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে তারা শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে রয়েছে। এই প্রণালি হয়ে সুয়েজ খালের দিকে নৌ যান চলাচল করে।
এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রেখেছে ইরান। এ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়। ইরান জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। হুতিরা যুদ্ধে জড়ালে বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণও ইরানের হাতে চলে যাবে। তা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতিমে আরও অস্থির করে তুলবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হুতির একজন নেতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, এখন পর্যন্ত ইরান ভালো করছে এবং শত্রুকে প্রতিদিন পরাজিত করে চলেছে। এর বিপরীত কিছু ঘটলে আমরা সামরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সব ধরনের বিকল্পসহ প্রস্তুত আছি।
হুতির ওই নেতা আরও বলেন, তারা পুরো পরিস্থিত পর্যবেক্ষণ করছেন। যুদ্ধে জড়ানোর উপযুক্ত সময় এলে তারা সহজেই বুঝতে পারবেন।
বাব আল-মান্দ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের হুমকি আগেই দিয়ে রেখেছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির এক ঊর্ধ্বতন সেনা কমান্ডার ফার্স নিউজকে বলেন, শত্রুপক্ষ যদি ইরানের দ্বীপপুঞ্চ বা ইরানের ভূখণ্ডে স্থল অভিযানের পরিকল্পনা নেয়, অথবা পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে তৎপরতা বৃদ্ধি করে তাহলে বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নতুন ফ্রন্ট খুলবে আইআরজিসি।
ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে বলে আইআরজিসির কর্মকর্তা জানান। এ ক্ষেত্রে হুতি নেতারা ইরানকে পূর্ণ সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৬ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২০ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২০ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১ দিন আগে