
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। এ হামলার মধ্যেই লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী এখন লেবাননের ভেতরে ‘গভীর এলাকায়’ অভিযান চালাচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এপ্রিলের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত পুরোপুরি থামেনি। সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটছে। সবশেষ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার ঘটনা পরিস্থিতির উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এপ্রিলের মাঝামাঝি কার্যকর হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালেও ইসরায়েলি বাহিনী শত শত হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ভেতরে ‘বড় আকারে’ অভিযান পরিচালনা করছে এবং সেখানে বিভিন্ন এলাকা দখল ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ শক্তিশালী করছে।
হিজবুল্লাহ লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন, যারা ইরান সমর্থিত হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্য থেকে পশ্চিমা প্রভাব দূর করে এবং ইসরায়েলের অস্তিত্বের অবসান ঘটিয়ে লেবাননে ইরানের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত একটি ইসলামি সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা তাদের মূল লক্ষ্য। এবারের ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। জবাবে লেবাবনে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
নেতানিয়াহু বলেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমরা এক মুহূর্তের জন্যও যুদ্ধ থামাচ্ছি না। সামনে আরও অনেক কিছু আসছে। ইসরায়েলের নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
বিবৃতিতে হিজবুল্লাহর ড্রোন সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তার দাবি, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হিজবুল্লাহ এমন সব ড্রোন ব্যবহার করেছে, যা ইসরায়েলের অত্যাধুনিক রাডার ও প্রতিরোধব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছে।
বিশেষ করে হিজবুল্লাহ সম্প্রতি ‘ফার্স্ট-পার্সন ভিউ’ (এফপিভি) ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। এসব ড্রোন ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য প্রাণঘাতী প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু। বলেন, হিজবুল্লাহর ড্রোন মোকাবিলায় তিনি ‘বৃহৎ জাতীয় প্রচেষ্টা’ পরিচালনা করছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলের স্থল অভিযান আরও গভীরে প্রবেশ করলে তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহর ড্রোন সক্ষমতা ও ইসরায়েলের পালটা সামরিক কৌশল সংঘাতকে আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী করার আশঙ্কা তৈরি করছে।
বাস্তবতা হল— যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং নেতানিয়াহুর সর্বশেষ বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাত আরও বিস্তৃত ও তীব্র হতে পারে।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। একই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৪০ জন। এ হামলার মধ্যেই লেবাননে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী এখন লেবাননের ভেতরে ‘গভীর এলাকায়’ অভিযান চালাচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এপ্রিলের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত পুরোপুরি থামেনি। সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটছে। সবশেষ দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার ঘটনা পরিস্থিতির উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এপ্রিলের মাঝামাঝি কার্যকর হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালেও ইসরায়েলি বাহিনী শত শত হিজবুল্লাহ যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের ভেতরে ‘বড় আকারে’ অভিযান পরিচালনা করছে এবং সেখানে বিভিন্ন এলাকা দখল ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি তথাকথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ শক্তিশালী করছে।
হিজবুল্লাহ লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন, যারা ইরান সমর্থিত হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্য থেকে পশ্চিমা প্রভাব দূর করে এবং ইসরায়েলের অস্তিত্বের অবসান ঘটিয়ে লেবাননে ইরানের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত একটি ইসলামি সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা তাদের মূল লক্ষ্য। এবারের ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। জবাবে লেবাবনে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
নেতানিয়াহু বলেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমরা এক মুহূর্তের জন্যও যুদ্ধ থামাচ্ছি না। সামনে আরও অনেক কিছু আসছে। ইসরায়েলের নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।
বিবৃতিতে হিজবুল্লাহর ড্রোন সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তার দাবি, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হিজবুল্লাহ এমন সব ড্রোন ব্যবহার করেছে, যা ইসরায়েলের অত্যাধুনিক রাডার ও প্রতিরোধব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করেছে।
বিশেষ করে হিজবুল্লাহ সম্প্রতি ‘ফার্স্ট-পার্সন ভিউ’ (এফপিভি) ড্রোন মোতায়েন করেছে, যা ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। এসব ড্রোন ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য প্রাণঘাতী প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু। বলেন, হিজবুল্লাহর ড্রোন মোকাবিলায় তিনি ‘বৃহৎ জাতীয় প্রচেষ্টা’ পরিচালনা করছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলের স্থল অভিযান আরও গভীরে প্রবেশ করলে তা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন করে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহর ড্রোন সক্ষমতা ও ইসরায়েলের পালটা সামরিক কৌশল সংঘাতকে আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী করার আশঙ্কা তৈরি করছে।
বাস্তবতা হল— যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বাস্তবে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং নেতানিয়াহুর সর্বশেষ বক্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে, সংঘাত আরও বিস্তৃত ও তীব্র হতে পারে।

এক বিবৃতিতে সংঘর্ষে জড়িত ফার্কের একাংশ সংঘর্ষ ও প্রাণহানির তথ্য জানায়। পরে কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দেশটির সেনাবাহিনীও ওই এলাকায় সংঘর্ষের কথা স্বীকার করেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে সরকারিভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস সূত্র জানায়, আহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মোমিন মিয়া ও নরসিংদীর জয়েনা আক্তার। আহত দুই শিশুর পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিস্ফোরণে জয়েনা তার পা হারিয়েছেন। দূতাবাস জানিয়েছে, দুই শিশু আহত তিনজনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
৯ ঘণ্টা আগে
এই চুক্তিতে কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রয়েছে, নাকি ড্রোনের মতো হামলার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত আছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বিবিসিকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুপক্ষই একটি চুক্তি সই করেছে, যেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি স্থল সামরিক সরঞ্জাম এবং তালেবান সরকারের সামরিক বাহিনীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ
১০ ঘণ্টা আগে
নতুন এই সমঝোতার আওতায় দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি পাবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিকভাবে নৌযান চলাচল করতে পারবে। আর দুই দেশের কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো সমাধানের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাবেন।
১৬ ঘণ্টা আগে