
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার বিল আবার উঠেছিল সিনেটে। তবে আগের তিনবারের মতো এবারও এ বিল পাস হয়নি। ফলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ক্ষমতা খর্ব হচ্ছে না।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফের বিলটি সিনেটে উত্থাপন করা হয়। এবার এ বিলের পক্ষে, তথা ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট পড়ে ৪৭টি। এর বিপরীতে বিলের বিপক্ষে ভোট পড়ে ৫২টি। অর্থাৎ এই ৫২ জন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ পরিচালনা করার ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে নন।
সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে শেষ পর্যন্ত ইরানে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা ধরে রাখছেন ট্রাম্প। এবারে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবির ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা রয়েছে কংগ্রেসের হাতে। তবে ‘তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষা’র প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পারেন।
সিনেটে উত্থাপন করা বিলে দাবি করা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধ শুরু করে ট্রাম্প। ‘তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষা’র মতো কোনো পরিস্থিতিতে এ যুদ্ধ শুরু করা হয়নি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবিধানিক ক্ষমতা লঙ্ঘন করেছেন।
সিনেটে প্রস্তাব উত্থাপনের পর ভোটাভুটির আগে সিনেটর ক্রিস মারফি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে ‘অগোছালো ও অব্যবস্থাপনার যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভাবের পাশাপাশি কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের তদারকির ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে রিপাবলিকান সিনেটর জিম রিশ ট্রাম্পের পদক্ষেপকে বৈধ বলে দাবি করেন।
সিনেটে এ প্রস্তাব অনুমোদন না পেলেও এপ্রিলের শেষ দিকে গিয়ে ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। কারণ যে বিধানের বলে ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন সেই ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্টে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের একক কর্তৃত্বে শুরু করা যুদ্ধ ৬০ দিন পেরিয়ে গেলে কংগ্রেসকে অভিযান অনুমোদন দিতে হবে বা ৩০ দিনের মেয়াদ বাড়াতে হবে। তা না হলে প্রেসিডেন্টকে আইনিভাবে সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ যুদ্ধ শুরু করেন ট্রাম্প। সে হিসাবে আগামী ২৮ এপ্রিল যুদ্ধের ৬০ দিন পূর্ণ হবে। তখন এ যুদ্ধ চালিয়ে নিতে ট্রাম্পকে কংগ্রেসের দ্বারস্থ হতে হবে।
এদিকে ইরান যুদ্ধে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ রয়েছে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপক্ষকে সমঝোতায় আনার জন্য মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তাদের মধ্যস্থতায় গত শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফা বৈঠক হলেও তাতে সমঝোতা আসেনি। কূটনীতিক সূত্রগুলো বলছে, আগামী দুয়েকদিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে ফের আলোচনায় বসতে পারে দুপক্ষ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার বিল আবার উঠেছিল সিনেটে। তবে আগের তিনবারের মতো এবারও এ বিল পাস হয়নি। ফলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ট্রাম্পের ক্ষমতা খর্ব হচ্ছে না।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) ফের বিলটি সিনেটে উত্থাপন করা হয়। এবার এ বিলের পক্ষে, তথা ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট পড়ে ৪৭টি। এর বিপরীতে বিলের বিপক্ষে ভোট পড়ে ৫২টি। অর্থাৎ এই ৫২ জন ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ পরিচালনা করার ক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে নন।
সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে শেষ পর্যন্ত ইরানে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা ধরে রাখছেন ট্রাম্প। এবারে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবির ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা রয়েছে কংগ্রেসের হাতে। তবে ‘তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষা’র প্রয়োজনে প্রেসিডেন্ট এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পারেন।
সিনেটে উত্থাপন করা বিলে দাবি করা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধ শুরু করে ট্রাম্প। ‘তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষা’র মতো কোনো পরিস্থিতিতে এ যুদ্ধ শুরু করা হয়নি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবিধানিক ক্ষমতা লঙ্ঘন করেছেন।
সিনেটে প্রস্তাব উত্থাপনের পর ভোটাভুটির আগে সিনেটর ক্রিস মারফি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে ‘অগোছালো ও অব্যবস্থাপনার যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভাবের পাশাপাশি কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের তদারকির ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে রিপাবলিকান সিনেটর জিম রিশ ট্রাম্পের পদক্ষেপকে বৈধ বলে দাবি করেন।
সিনেটে এ প্রস্তাব অনুমোদন না পেলেও এপ্রিলের শেষ দিকে গিয়ে ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। কারণ যে বিধানের বলে ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন সেই ১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্টে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের একক কর্তৃত্বে শুরু করা যুদ্ধ ৬০ দিন পেরিয়ে গেলে কংগ্রেসকে অভিযান অনুমোদন দিতে হবে বা ৩০ দিনের মেয়াদ বাড়াতে হবে। তা না হলে প্রেসিডেন্টকে আইনিভাবে সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এ যুদ্ধ শুরু করেন ট্রাম্প। সে হিসাবে আগামী ২৮ এপ্রিল যুদ্ধের ৬০ দিন পূর্ণ হবে। তখন এ যুদ্ধ চালিয়ে নিতে ট্রাম্পকে কংগ্রেসের দ্বারস্থ হতে হবে।
এদিকে ইরান যুদ্ধে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে, যার মেয়াদ রয়েছে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপক্ষকে সমঝোতায় আনার জন্য মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তাদের মধ্যস্থতায় গত শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম দফা বৈঠক হলেও তাতে সমঝোতা আসেনি। কূটনীতিক সূত্রগুলো বলছে, আগামী দুয়েকদিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে ফের আলোচনায় বসতে পারে দুপক্ষ।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোজুড়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে এবং বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধার ও সহায়তা করতে পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যান্য জরুরি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে প্রস্তুত ইরান। এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এমন এক সময়ে তিনি এই বার্তা দিলেন, যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং একটি সামুদ্রিক অবরোধ দেশটির বাণিজ্যের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের ‘নিশ্চিত পরাজয়’ আর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘আধিপত্যের জয়ধ্বনি’ নিয়ে যে যুদ্ধের শুরু, ছয় মাস পর এখন ‘ইরানের জয়ধ্বনি’ আর যুক্তরাষ্ট্রের ‘নৈতিক পরাজয়ে’র দৃশ্যটিই বাস্তবসম্মত। তবে ছয় মাস পেরিয়ে এসে এখন আর ‘কে জিতল’ এই যুদ্ধের মূল জিজ্ঞাসা নয়, বরং প্রশ্ন হলো— কে কত দিন এখনক
১৮ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় ৩২০, মার্কিন ৯০, ইউক্রেনীয় ৫৫, মালয়েশীয় ৫১, অস্ট্রেলীয় ৩৯, ব্রিটিশ ৩৩ এবং কানাডীয় ২৫ নাগরিক রয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, লাটভিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও স্পেনের নাগরিকও নিখোঁজ রয়েছেন। আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকেরও নিখোঁজ থা
১ দিন আগে