
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হওয়ার পর এবার দেশটিতে বড় আকারের স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে হাজার হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। তবে এই অভিযান প্রথাগত যুদ্ধের বদলে মূলত স্পেশাল ফোর্স এবং কামানের মাধ্যমে পরিচালিত একটি বিশেষ 'রেইড' বা ঝটিকা আক্রমণ হতে পারে।
বিশেষ করে ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র 'খার্গ দ্বীপ' এই হামলার মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস একে সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে উল্লেখ করলেও, বিশ্লেষকদের মতে এই পদক্ষেপ যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেবে। গত এক মাসের যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহতের পর এই নতুন পরিকল্পনাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দীর্ঘমেয়াদী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, এই স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
তবে এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ড্রোন, মিসাইল এবং গুলির মুখে পড়তে পারেন বলে সতর্কতা দিয়েছেন এই কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটিকে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য এ স্থল হামলার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ হতে পারে। তবে আরেকটি সূত্র জানায়, এটি কয়েক মাস ধরে চলতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছেন।

ইরান যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ হওয়ার পর এবার দেশটিতে বড় আকারের স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতিমধ্যে হাজার হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। তবে এই অভিযান প্রথাগত যুদ্ধের বদলে মূলত স্পেশাল ফোর্স এবং কামানের মাধ্যমে পরিচালিত একটি বিশেষ 'রেইড' বা ঝটিকা আক্রমণ হতে পারে।
বিশেষ করে ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র 'খার্গ দ্বীপ' এই হামলার মূল লক্ষ্য হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস একে সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে উল্লেখ করলেও, বিশ্লেষকদের মতে এই পদক্ষেপ যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেবে। গত এক মাসের যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহতের পর এই নতুন পরিকল্পনাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দীর্ঘমেয়াদী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, এই স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
তবে এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ড্রোন, মিসাইল এবং গুলির মুখে পড়তে পারেন বলে সতর্কতা দিয়েছেন এই কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউজে যোগাযোগ করেছিল ওয়াশিংটন পোস্ট। সংবাদমাধ্যমটিকে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেওয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।
স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এই দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য এ স্থল হামলার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ হতে পারে। তবে আরেকটি সূত্র জানায়, এটি কয়েক মাস ধরে চলতে পারে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ মার্কিন সেনা নিহত ও প্রায় ৩০০ জন আহত হয়েছেন।

ভেনেজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ জুন দেশটির লা গুয়াইরা অঞ্চলে ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে যথাক্রমে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথম বড় ঝাঁকুনির পর ওই অঞ্চলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৯৫ট
১৯ ঘণ্টা আগে
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের ভেতরে লাখো ইরানি সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন ঘিরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার গতির বাতাস এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে ঝড়টি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ এই ঝড় ভয়াব
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
১ দিন আগে