
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুটি রাডার স্টেশনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আন্তর্জাতিক নৌপথে নজরদারি চালানো ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর দেশটির গোরুক ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করায় পুরো অঞ্চলে এখন বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) এই হামলার কথা জানায় তারা। খবর এএফপির।
মার্কিন সূত্র জানায়, ওই ড্রোনগুলো আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো। বর্তমানে অঞ্চলটিতে উত্তেজনার কারণে প্রণালির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে চলমান সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আলোচনায় ইরান তার তেল রপ্তানি থেকে আটকে থাকা অর্থ ফেরত, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বন্দর অবরোধ শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে অধিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে দেশটির হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে।
এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক কমে এলেও তাদের হাতে এখনও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। পরে এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক বিরতি এলেও সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ আবারও একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে।
রাজনীতি/এসআর

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুটি রাডার স্টেশনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আন্তর্জাতিক নৌপথে নজরদারি চালানো ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর দেশটির গোরুক ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করায় পুরো অঞ্চলে এখন বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) এই হামলার কথা জানায় তারা। খবর এএফপির।
মার্কিন সূত্র জানায়, ওই ড্রোনগুলো আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো। বর্তমানে অঞ্চলটিতে উত্তেজনার কারণে প্রণালির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।
এদিকে চলমান সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আলোচনায় ইরান তার তেল রপ্তানি থেকে আটকে থাকা অর্থ ফেরত, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বন্দর অবরোধ শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে অধিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে দেশটির হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে।
এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক কমে এলেও তাদের হাতে এখনও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। পরে এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক বিরতি এলেও সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ আবারও একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে