
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মোশতবা কিয়ান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগ জানিয়েছে, যুদ্ধকালীন তথ্য শত্রুপক্ষের কাছে পাঠানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ওই ব্যক্তির ফাঁসি রোববার ভোরে কার্যকর করা হয়।
ইরানের বিচার বিভাগের অধীনস্থ সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইন জানায়, মোশতবা কিয়ান নামের ওই ব্যক্তি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশি পক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলেন। বিষয়টির প্রমাণ মিলায় একটি কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কিত তথ্য পাচার করেন বলে অভিযোগ আনা হয়। এটি ইরানে যুদ্ধকালীন গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতাদের নিহত হওয়ার পর ওই সংঘাত শুরু হয় বলে জানায় স্থানীয় সূত্র। এরপর থেকে তেহরান অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিয়ান বিভিন্ন 'শত্রু নেটওয়ার্কে' দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ও স্থাপনার তথ্য পাঠিয়েছিলেন। এসব তথ্যের মধ্যে কারখানার অবস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মিজান অনলাইন আরও জানায়, ওই ব্যক্তির পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে একটি স্থাপনায় হামলা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা নিশ্চিত করেনি।
সংঘাত শুরুর পর থেকে গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বেড়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা। তবে যুদ্ধকালীন অপরাধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অভিযোগে এটি প্রথম ফাঁসি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের ৫০ দিনের কম সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
রাজনীতি/একে

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মোশতবা কিয়ান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বিচার বিভাগ জানিয়েছে, যুদ্ধকালীন তথ্য শত্রুপক্ষের কাছে পাঠানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত ওই ব্যক্তির ফাঁসি রোববার ভোরে কার্যকর করা হয়।
ইরানের বিচার বিভাগের অধীনস্থ সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইন জানায়, মোশতবা কিয়ান নামের ওই ব্যক্তি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশি পক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলেন। বিষয়টির প্রমাণ মিলায় একটি কারাগারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৪০ দিনব্যাপী যুদ্ধকালীন সময়ে তিনি ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কিত তথ্য পাচার করেন বলে অভিযোগ আনা হয়। এটি ইরানে যুদ্ধকালীন গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বলে দাবি করা হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতাদের নিহত হওয়ার পর ওই সংঘাত শুরু হয় বলে জানায় স্থানীয় সূত্র। এরপর থেকে তেহরান অঞ্চলজুড়ে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিয়ান বিভিন্ন 'শত্রু নেটওয়ার্কে' দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ও স্থাপনার তথ্য পাঠিয়েছিলেন। এসব তথ্যের মধ্যে কারখানার অবস্থানসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মিজান অনলাইন আরও জানায়, ওই ব্যক্তির পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে একটি স্থাপনায় হামলা হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা নিশ্চিত করেনি।
সংঘাত শুরুর পর থেকে গুপ্তচরবৃত্তি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের হার বেড়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার পর্যবেক্ষকরা। তবে যুদ্ধকালীন অপরাধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত অভিযোগে এটি প্রথম ফাঁসি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের ৫০ দিনের কম সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
রাজনীতি/একে

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৯ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে