
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আইডিএফ। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ বাড়লেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতিতে যেতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত কীভাবে শেষ হবে, তা এখনই বলা খুবই আগেভাগে হয়ে যাবে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, দক্ষিণ লেবাননে নিরাপত্তা অঞ্চল আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইসরায়েল বৈরুতের সঙ্গে শান্তি আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গত ৪০ বছরে এমন আলোচনা হয়নি। বর্তমানে ইসরায়েলের শক্ত অবস্থানের কারণেই শুধু লেবানন নয়, বিভিন্ন দেশই আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।
লেবাননের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইসরায়েলের প্রধান দুটি লক্ষ্য উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু — হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া এবং ‘শক্তির মাধ্যমে টেকসই শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি জানান, দক্ষিণ লেবাননের বিনত জবেইল শহরকে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এই শক্ত ঘাঁটি দখলে নেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও লেবানন ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে যুদ্ধবিরতি বা সংকটের রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়। তবে এসব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাস্তব পরিস্থিতিতে এখনো কোনো বিরতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে ইরান প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে ইসরায়েলকে হালনাগাদ তথ্য দিচ্ছে এবং দুই দেশই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে একমত।
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘এখনই বলা খুব তাড়াতাড়ি হবে যে এ পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে শেষ হবে বা কীভাবে এগোবে।’ যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে একদিকে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে মাঠে সামরিক অভিযান জারি থাকায় ইসরায়েল-লেবানন পরিস্থিতি দ্রুতই আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আইডিএফ। এমন পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ বাড়লেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতিতে যেতে রাজি নন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘাত কীভাবে শেষ হবে, তা এখনই বলা খুবই আগেভাগে হয়ে যাবে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, দক্ষিণ লেবাননে নিরাপত্তা অঞ্চল আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ইসরায়েল বৈরুতের সঙ্গে শান্তি আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, গত ৪০ বছরে এমন আলোচনা হয়নি। বর্তমানে ইসরায়েলের শক্ত অবস্থানের কারণেই শুধু লেবানন নয়, বিভিন্ন দেশই আলোচনায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।
লেবাননের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইসরায়েলের প্রধান দুটি লক্ষ্য উল্লেখ করেন নেতানিয়াহু — হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে দেওয়া এবং ‘শক্তির মাধ্যমে টেকসই শান্তি’ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি জানান, দক্ষিণ লেবাননের বিনত জবেইল শহরকে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এই শক্ত ঘাঁটি দখলে নেওয়া সম্ভব হবে।
এদিকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও লেবানন ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে যুদ্ধবিরতি বা সংকটের রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে আলোচনা হয়। তবে এসব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বাস্তব পরিস্থিতিতে এখনো কোনো বিরতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে ইরান প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিতভাবে ইসরায়েলকে হালনাগাদ তথ্য দিচ্ছে এবং দুই দেশই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে একমত।
তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘এখনই বলা খুব তাড়াতাড়ি হবে যে এ পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে শেষ হবে বা কীভাবে এগোবে।’ যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে একদিকে কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে, অন্যদিকে মাঠে সামরিক অভিযান জারি থাকায় ইসরায়েল-লেবানন পরিস্থিতি দ্রুতই আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১ দিন আগে