
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যের বাজারে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত সংস্থাটির প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।
এফএও-র প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো জানান, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়ায় জৈব জ্বালানি বা বায়োফুয়েলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বায়োফুয়েল তৈরিতে সয়াবিন ও পাম অয়েলের মতো উদ্ভিদের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। তবে যুদ্ধজনিত এই অস্থিরতার মধ্যেও গত মৌসুমের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে এবং খাদ্যশস্যের দাম খুব সামান্যই বেড়েছে।
এফএও-র তথ্যমতে, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম পরিমাপকারী ‘ফুড প্রাইস ইনডেক্স’ এপ্রিলে গড়ে ১৩০ দশমিক ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা গত মার্চের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এটি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ সূচক।
মূলত সয়াবিন, সূর্যমুখী, রেপসিড ও পাম অয়েলের দাম বাড়ায় এপ্রিলে ভোজ্যতেলের মূল্য সূচক ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, আবহাওয়াগত উদ্বেগ, সারের দাম এবং বায়োফুয়েলের চাহিদার কারণে গম ও ভুট্টার মতো শস্যের দাম মার্চ থেকে মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যান্য পণ্যের মধ্যে, ব্রাজিলে জবাইযোগ্য গবাদি পশুর সংকটে এপ্রিলে মাংসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড গড়েছে। তবে ব্রাজিল, চীন ও থাইল্যান্ডে পর্যাপ্ত সরবরাহের পূর্বাভাসের কারণে চিনির দাম কমেছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।
সংস্থাটি তাদের আলাদা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ৩০৪ কোটি মেট্রিক টনে দাঁড়াতে পারে। তবে সারের চড়া মূল্যের কারণে ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে গমের চাষ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে এফএও।

ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যের বাজারে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত সংস্থাটির প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয় বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।
এফএও-র প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো জানান, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়ায় জৈব জ্বালানি বা বায়োফুয়েলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বায়োফুয়েল তৈরিতে সয়াবিন ও পাম অয়েলের মতো উদ্ভিদের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। তবে যুদ্ধজনিত এই অস্থিরতার মধ্যেও গত মৌসুমের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে এবং খাদ্যশস্যের দাম খুব সামান্যই বেড়েছে।
এফএও-র তথ্যমতে, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম পরিমাপকারী ‘ফুড প্রাইস ইনডেক্স’ এপ্রিলে গড়ে ১৩০ দশমিক ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা গত মার্চের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এটি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বোচ্চ সূচক।
মূলত সয়াবিন, সূর্যমুখী, রেপসিড ও পাম অয়েলের দাম বাড়ায় এপ্রিলে ভোজ্যতেলের মূল্য সূচক ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, আবহাওয়াগত উদ্বেগ, সারের দাম এবং বায়োফুয়েলের চাহিদার কারণে গম ও ভুট্টার মতো শস্যের দাম মার্চ থেকে মাত্র শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।
অন্যান্য পণ্যের মধ্যে, ব্রাজিলে জবাইযোগ্য গবাদি পশুর সংকটে এপ্রিলে মাংসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড গড়েছে। তবে ব্রাজিল, চীন ও থাইল্যান্ডে পর্যাপ্ত সরবরাহের পূর্বাভাসের কারণে চিনির দাম কমেছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।
সংস্থাটি তাদের আলাদা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড ৩০৪ কোটি মেট্রিক টনে দাঁড়াতে পারে। তবে সারের চড়া মূল্যের কারণে ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে গমের চাষ কমে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে এফএও।

শুক্রবার (৫ জুন) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কয়েক মাস ধরে ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামের এই বিলটি পাসের অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো বিল ভোটাভুটির জন্য তোলা যায় না। তবে এবার এক অভিনব পন্থায় কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ আবেদনে (ডিসচার্জ পিটিশন) সই করলে বিলটি ভোটাভুটির জ
৬ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
১০ ঘণ্টা আগে