
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গাজার পৃথক এলাকায় ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার দিয়ে চালানো এই হামলায় একটি শিশুসহ অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু বেসামরিক নাগরিক।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সাবরা এলাকার বার্সেলোনা পার্কের পূর্ব দিকে একটি সাধারণ বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ঘটনাস্থলেই তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া গাজা সিটির বন্দরের কাছে বাস্তুচ্যুত অসহায় মানুষদের একটি অস্থায়ী তাঁবুতে অপর এক ড্রোন হামলায় ৪৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন।
দক্ষিণ গাজার নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি গুলিবর্ষণে একজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া মধ্য খান ইউনিসের জোরাত আল-আক্কাদ, বির জানুন এবং আল-শায়ের এলাকায় পথচারীদের লক্ষ্য করে কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে ৩০ বছর বয়সী এক যুবক নিহত এবং চার শিশুসহ পাঁচজন আহত হন। অন্যদিকে, রাফাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়াবিয়া এলাকাতেও ড্রোন থেকে গুলি চালিয়ে আরও পাঁচ ফিলিস্তিনিকে আহত করেছে ইসরায়েলি সেনারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের (২০২৫) অক্টোবর থেকে কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও তা বারবার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়েই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৭২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৪৬৩ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে নিহতের মোট সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নতুন করে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গাজার পৃথক এলাকায় ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার দিয়ে চালানো এই হামলায় একটি শিশুসহ অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু বেসামরিক নাগরিক।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সাবরা এলাকার বার্সেলোনা পার্কের পূর্ব দিকে একটি সাধারণ বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে ঘটনাস্থলেই তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া গাজা সিটির বন্দরের কাছে বাস্তুচ্যুত অসহায় মানুষদের একটি অস্থায়ী তাঁবুতে অপর এক ড্রোন হামলায় ৪৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন।
দক্ষিণ গাজার নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি গুলিবর্ষণে একজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া মধ্য খান ইউনিসের জোরাত আল-আক্কাদ, বির জানুন এবং আল-শায়ের এলাকায় পথচারীদের লক্ষ্য করে কোয়াডকপ্টার ড্রোন থেকে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে ৩০ বছর বয়সী এক যুবক নিহত এবং চার শিশুসহ পাঁচজন আহত হন। অন্যদিকে, রাফাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়াবিয়া এলাকাতেও ড্রোন থেকে গুলি চালিয়ে আরও পাঁচ ফিলিস্তিনিকে আহত করেছে ইসরায়েলি সেনারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের (২০২৫) অক্টোবর থেকে কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও তা বারবার লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। এই ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়েই ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৭২ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৪৬৩ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে নিহতের মোট সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নৌ এবং বিমানবাহিনী যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অবস্থিত মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তু নিশানা করে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভঙ্গুর চুক্তির অংশ হিসেবে গত ২১ জুন মার্কিন অর্থ বিভাগ আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল রপ্তানির একটি বিশেষ অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেই অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং তার পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের কফিন বহনকারী বিশেষ বিমানটি মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ইরাকের নাজাফে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে এই মহান নেতার সম্মানে একটি বিশেষ সরকারি ও সামরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। ইরাকের শিয়া মুসলমানদের কাছে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অনুকর
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও বার্তা সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যরাতের এই হামলায় মূলত ইরানের কেশম, সিরিক এবং হরমুজ প্রণালির খার্গ দ্বীপকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে