
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ ঘিরে ইউরোপের সঙ্গে মতবিরোধ বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যদেশ জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ ঘোষণা দেয়। শনিবার (২ মে) রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পরপরই ট্রাম্প দেশটি থেকে সেনা কমানোর হুমকি দিয়েছিলেন। গত সোমবার মের্ৎস বলেছিলেন, দুই মাসের এ যুদ্ধ থামানোর আলোচনা চালাতে গিয়ে ইরানিদের কাছে ‘অপদস্থ’ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ যুদ্ধ থেকে বের হতে যুক্তরাষ্ট্র কোন কৌশল নেওয়ার কথা ভাবছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের মন্তব্যকে ‘ভুল ও অপ্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘এ ধরনের অসহযোগিতামূলক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেন।’
পেন্টাগন জানায়, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি।
কর্মকর্তারা জানান, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে মার্কিন সেনাসংখ্যা আবার প্রায় ২০২২ সালের আগের অবস্থায় নেমে আসবে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পর এই সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, ইউরোপের দেশগুলোকেই নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি নিতে হবে। পাশাপাশি, মিত্র দেশগুলোকে ‘অবিশ্বস্ত’ মনে হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত— এ বার্তাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিকে, ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ই–মেইলের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে স্পেনকে ন্যাটো থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়া এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনার মতো পদক্ষেপও রয়েছে।
ভবিষ্যতে ইউরোপের অন্য দেশ থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না— তা এখনো নিশ্চিত নয়। ইতালি ও স্পেন থেকে সেনা সরানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত’।
স্পেন ইস্যুতেও উত্তেজনা বাড়ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানে হামলার জন্য স্পেন যদি তাদের ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয়, তাহলে দেশটির ওপর পূর্ণ বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করা হতে পারে। স্পেনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— নেভাল স্টেশন রোটা ও মোরন বিমানঘাঁটি।
এ ছাড়া ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গেও ট্রাম্পের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধ ও পোপ পোপ লিওকে ঘিরে ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেলোনি। জবাবে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, মেলোনি ‘সাহস হারিয়েছেন’ এবং ওয়াশিংটনকে হতাশ করেছেন।
এদিকে, পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়েও উত্তেজনা বাড়ছে। ন্যাটো মিত্ররা সেখানে নৌবাহিনী না পাঠানোয় তাদের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। ইরান এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

ইরান যুদ্ধ ঘিরে ইউরোপের সঙ্গে মতবিরোধ বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যদেশ জার্মানি থেকে প্রায় ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ ঘোষণা দেয়। শনিবার (২ মে) রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার পরপরই ট্রাম্প দেশটি থেকে সেনা কমানোর হুমকি দিয়েছিলেন। গত সোমবার মের্ৎস বলেছিলেন, দুই মাসের এ যুদ্ধ থামানোর আলোচনা চালাতে গিয়ে ইরানিদের কাছে ‘অপদস্থ’ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ যুদ্ধ থেকে বের হতে যুক্তরাষ্ট্র কোন কৌশল নেওয়ার কথা ভাবছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের মন্তব্যকে ‘ভুল ও অপ্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, ‘এ ধরনের অসহযোগিতামূলক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেন।’
পেন্টাগন জানায়, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, যা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি।
কর্মকর্তারা জানান, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে ইউরোপে মার্কিন সেনাসংখ্যা আবার প্রায় ২০২২ সালের আগের অবস্থায় নেমে আসবে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযানের পর এই সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, ইউরোপের দেশগুলোকেই নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি নিতে হবে। পাশাপাশি, মিত্র দেশগুলোকে ‘অবিশ্বস্ত’ মনে হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত— এ বার্তাও স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিকে, ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ই–মেইলের ভিত্তিতে গত সপ্তাহে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। এর মধ্যে স্পেনকে ন্যাটো থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়া এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনার মতো পদক্ষেপও রয়েছে।
ভবিষ্যতে ইউরোপের অন্য দেশ থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না— তা এখনো নিশ্চিত নয়। ইতালি ও স্পেন থেকে সেনা সরানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভবত’।
স্পেন ইস্যুতেও উত্তেজনা বাড়ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানে হামলার জন্য স্পেন যদি তাদের ঘাঁটি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে না দেয়, তাহলে দেশটির ওপর পূর্ণ বাণিজ্য অবরোধ আরোপ করা হতে পারে। স্পেনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে— নেভাল স্টেশন রোটা ও মোরন বিমানঘাঁটি।
এ ছাড়া ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গেও ট্রাম্পের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধ ও পোপ পোপ লিওকে ঘিরে ট্রাম্পের মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেলোনি। জবাবে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, মেলোনি ‘সাহস হারিয়েছেন’ এবং ওয়াশিংটনকে হতাশ করেছেন।
এদিকে, পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি নিয়েও উত্তেজনা বাড়ছে। ন্যাটো মিত্ররা সেখানে নৌবাহিনী না পাঠানোয় তাদের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। ইরান এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে