
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তিন মাস পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং ও যন্ত্রাংশ নির্মাতা হানিওয়েলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় নিহত চার যাত্রীর পরিবার অবহেলার অভিযোগে এ মামলা করেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ ফুয়েল সুইচের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঝুঁকি সম্পর্কে জানার পরও কোম্পানিগুলো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
গত জুনে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকগামী এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট-১৭১ (বোয়িং ৭৮৭) উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। এতে ২২৯ যাত্রী, ১২ জন কেবিন ক্রু এবং মাটিতে থাকা আরও ১৯ জনসহ মোট ২৬০ জন প্রাণ হারান।
ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, উড্ডয়নের মুহূর্তে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, কারণ ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ 'রান' থেকে সরে গিয়ে 'কাট-অফ' অবস্থায় চলে গিয়েছিল। ফলে বিমানটির থ্রাস্ট বন্ধ হয়ে বিধ্বস্ত হয়।
২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এক নির্দেশনা জারি করে ফুয়েল সুইচের লকিং মেকানিজম পরীক্ষা করার সুপারিশ করেছিল। তবে সেটি বাধ্যতামূলক করা হয়নি। নিহতদের পরিবার বলছে, বোয়িং ও হানিওয়েল এই ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত থাকলেও কোনো সতর্কতা দেয়নি, নতুন যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেনি এবং শুধু সাধারণ পরামর্শ জারি করে দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, হানিওয়েল ও বোয়িং এই অনিবার্য বিপর্যয় ঠেকাতে কী করেছিল? কিছুই না।
কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় নিহতদের পরিবারকে প্রতিনিধিত্ব করছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস–ভিত্তিক ল্যানিয়ার ল’ ফার্ম। দুর্ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালে।

ভারতের আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার তিন মাস পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং ও যন্ত্রাংশ নির্মাতা হানিওয়েলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় নিহত চার যাত্রীর পরিবার অবহেলার অভিযোগে এ মামলা করেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ত্রুটিপূর্ণ ফুয়েল সুইচের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঝুঁকি সম্পর্কে জানার পরও কোম্পানিগুলো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
গত জুনে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকগামী এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট-১৭১ (বোয়িং ৭৮৭) উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। এতে ২২৯ যাত্রী, ১২ জন কেবিন ক্রু এবং মাটিতে থাকা আরও ১৯ জনসহ মোট ২৬০ জন প্রাণ হারান।
ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, উড্ডয়নের মুহূর্তে ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, কারণ ফুয়েল কন্ট্রোল সুইচ 'রান' থেকে সরে গিয়ে 'কাট-অফ' অবস্থায় চলে গিয়েছিল। ফলে বিমানটির থ্রাস্ট বন্ধ হয়ে বিধ্বস্ত হয়।
২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এক নির্দেশনা জারি করে ফুয়েল সুইচের লকিং মেকানিজম পরীক্ষা করার সুপারিশ করেছিল। তবে সেটি বাধ্যতামূলক করা হয়নি। নিহতদের পরিবার বলছে, বোয়িং ও হানিওয়েল এই ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত থাকলেও কোনো সতর্কতা দেয়নি, নতুন যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেনি এবং শুধু সাধারণ পরামর্শ জারি করে দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, হানিওয়েল ও বোয়িং এই অনিবার্য বিপর্যয় ঠেকাতে কী করেছিল? কিছুই না।
কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় নিহতদের পরিবারকে প্রতিনিধিত্ব করছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস–ভিত্তিক ল্যানিয়ার ল’ ফার্ম। দুর্ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালে।

ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৮ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
২১ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
১ দিন আগে