
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় আকস্মিক সফরে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্যই মস্কো গেছেন তিনি। তবে কার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বা আলোচনায় কী বিষয় ছিল, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ওয়াশিংটন বা মস্কো— কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে সফরটির বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে একটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার-৩ পরিবহন বিমান দেখা যাওয়ার পর র্যাটক্লিফের এই অঘোষিত সফরের খবর প্রকাশ্যে আসে।
ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ থেকে রওনা হয়ে প্রথমে লাটভিয়ার রাজধানী রিগায় যায়। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে মস্কোর উদ্দেশে উড়ে ভনুকোভো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। একই সময়ে মস্কোয় মার্কিন কূটনৈতিক গাড়িবহরও দেখা যায়।
সিআইএ, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ও বিমানবাহিনী— তিন পক্ষই সফর নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে র্যাটক্লিফ ঠিক কার সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং তার আলোচনার এজেন্ডায় কী রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
রয়টার্স বলছে, র্যাটক্লিফের সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০২১ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সিআইএ পরিচালককে মস্কোয় সফর করতে দেখা গেল। এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে তৎকালীন সিআইএ পরিচালক উইলিয়াম বার্নস মস্কো সফর করেছিলেন। তিনি সরাসরি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্নসের সেই সফরের কয়েক মাস পরই ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ওই সফরে বার্নস পুতিনকে সতর্ক করেছিলেন, ইউক্রেনে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং এর গুরুতর পরিণতি হবে।
ফলে র্যাটক্লিফের বর্তমান মস্কো সফরকে ওয়াশিংটন-মস্কোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা শান্তি আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় থাকার সময়ে এই সফর নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
র্যাটক্লিফের বৈঠকের বিষয়বস্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তবে তার সফরের সময়কাল ও বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা কয়েক দফা হলেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক দূরে। একই সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। মস্কোসহ রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পালটা রাশিয়াও কিয়েভ ও ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে র্যাটক্লিফের মতো শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সরাসরি মস্কো সফর যুদ্ধের সামরিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার পরিকল্পনা কিংবা সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার বিষয়ে গোপন যোগাযোগের ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো পক্ষই নিশ্চিত করে কিছু বলেনি।
সিআইএর সঙ্গে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যোগাযোগ ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বন্দিবিনিময় ও আটক মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফ নিজেও রাশিয়ার সঙ্গে বন্দিবিনিময়ের আলোচনায় যুক্ত ছিলেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মার্কিন-রুশ দ্বৈত নাগরিক কেসেনিয়া কারেলিনার মুক্তির আলোচনায় তার ব্যক্তিগত ভূমিকা ছিল। এর আগে ২০২৪ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক ইভান গারশকোভিচ এবং সাবেক মার্কিন মেরিন পল হুইলানের মুক্তির বন্দিবিনিময়েও সিআইএ যুক্ত ছিল।
তাই মস্কোয় র্যাটক্লিফের উপস্থিতি শুধু ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক বা রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ— এমনটা ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। আটক ব্যক্তি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় কিংবা দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের অন্য কোনো গোপন চ্যানেল নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
র্যাটক্লিফের মস্কো সফরের সময় আরেকটি বড় ভূরাজনৈতিক সংকট চলছে— ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। ইরান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত ড্রোন সরবরাহের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক রয়েছে।
ইউক্রেনের অভিযোগ, রাশিয়াও ইরানকে সামরিক সহায়তা দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যবহারের জন্য ড্রোন প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে। মস্কো অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একই সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিয়ে রাশিয়া মধ্যস্থতার আগ্রহও দেখিয়েছে। ফলে র্যাটক্লিফের সফরে ইউক্রেনের পাশাপাশি ইরান পরিস্থিতিও আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফের সফরটি এতটাই গোপন রাখা হয়েছে যে মার্কিন প্রশাসন আগে থেকে কোনো ঘোষণা দেয়নি। মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান এবং কূটনৈতিক গাড়িবহর দেখার পরই সফরের খবর প্রকাশ্যে আসে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সফরের উদ্দেশ্য জানানো হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফের সফরের আগে ইউক্রেনকে মস্কোতে কোনো হামলা না চালানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে এই তথ্যের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে, র্যাটক্লিফের মস্কো সফর এমন সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্ক এখনো ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গভীরভাবে উত্তেজনাপূর্ণ, অথচ যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন নতুন করে কূটনৈতিক পথ খুঁজছে।
বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ না হওয়ায় সফরটি আপাতত রহস্যে ঘেরা। তবে ২০২১ সালের পর প্রথমবার কোনো মার্কিন সিআইএ পরিচালকের মস্কোয় সরাসরি উপস্থিতিকে ওয়াশিংটন-মস্কো যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় আকস্মিক সফরে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক জন র্যাটক্লিফ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্যই মস্কো গেছেন তিনি। তবে কার সঙ্গে বৈঠক করেছেন বা আলোচনায় কী বিষয় ছিল, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ওয়াশিংটন বা মস্কো— কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে সফরটির বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে একটি মার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার-৩ পরিবহন বিমান দেখা যাওয়ার পর র্যাটক্লিফের এই অঘোষিত সফরের খবর প্রকাশ্যে আসে।
ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ থেকে রওনা হয়ে প্রথমে লাটভিয়ার রাজধানী রিগায় যায়। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকালে মস্কোর উদ্দেশে উড়ে ভনুকোভো বিমানবন্দরে অবতরণ করে। একই সময়ে মস্কোয় মার্কিন কূটনৈতিক গাড়িবহরও দেখা যায়।
সিআইএ, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ও বিমানবাহিনী— তিন পক্ষই সফর নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে র্যাটক্লিফ ঠিক কার সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং তার আলোচনার এজেন্ডায় কী রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
রয়টার্স বলছে, র্যাটক্লিফের সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ২০২১ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন সিআইএ পরিচালককে মস্কোয় সফর করতে দেখা গেল। এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে তৎকালীন সিআইএ পরিচালক উইলিয়াম বার্নস মস্কো সফর করেছিলেন। তিনি সরাসরি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্নসের সেই সফরের কয়েক মাস পরই ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ওই সফরে বার্নস পুতিনকে সতর্ক করেছিলেন, ইউক্রেনে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং এর গুরুতর পরিণতি হবে।
ফলে র্যাটক্লিফের বর্তমান মস্কো সফরকে ওয়াশিংটন-মস্কোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলা শান্তি আলোচনা কার্যত অচলাবস্থায় থাকার সময়ে এই সফর নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
র্যাটক্লিফের বৈঠকের বিষয়বস্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তবে তার সফরের সময়কাল ও বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা কয়েক দফা হলেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে দুই পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক দূরে। একই সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। মস্কোসহ রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পালটা রাশিয়াও কিয়েভ ও ইউক্রেনের অন্যান্য শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে র্যাটক্লিফের মতো শীর্ষ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সরাসরি মস্কো সফর যুদ্ধের সামরিক পরিস্থিতি, রাশিয়ার পরিকল্পনা কিংবা সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার বিষয়ে গোপন যোগাযোগের ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো পক্ষই নিশ্চিত করে কিছু বলেনি।
সিআইএর সঙ্গে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যোগাযোগ ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বন্দিবিনিময় ও আটক মার্কিন নাগরিকদের মুক্তির মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফ নিজেও রাশিয়ার সঙ্গে বন্দিবিনিময়ের আলোচনায় যুক্ত ছিলেন। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মার্কিন-রুশ দ্বৈত নাগরিক কেসেনিয়া কারেলিনার মুক্তির আলোচনায় তার ব্যক্তিগত ভূমিকা ছিল। এর আগে ২০২৪ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক ইভান গারশকোভিচ এবং সাবেক মার্কিন মেরিন পল হুইলানের মুক্তির বন্দিবিনিময়েও সিআইএ যুক্ত ছিল।
তাই মস্কোয় র্যাটক্লিফের উপস্থিতি শুধু ইউক্রেন যুদ্ধের সামরিক বা রাজনৈতিক বিষয়েই সীমাবদ্ধ— এমনটা ধরে নেওয়া যাচ্ছে না। আটক ব্যক্তি, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় কিংবা দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের অন্য কোনো গোপন চ্যানেল নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
র্যাটক্লিফের মস্কো সফরের সময় আরেকটি বড় ভূরাজনৈতিক সংকট চলছে— ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। ইরান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত ড্রোন সরবরাহের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক রয়েছে।
ইউক্রেনের অভিযোগ, রাশিয়াও ইরানকে সামরিক সহায়তা দিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যবহারের জন্য ড্রোন প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে। মস্কো অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একই সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নিয়ে রাশিয়া মধ্যস্থতার আগ্রহও দেখিয়েছে। ফলে র্যাটক্লিফের সফরে ইউক্রেনের পাশাপাশি ইরান পরিস্থিতিও আলোচনায় আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফের সফরটি এতটাই গোপন রাখা হয়েছে যে মার্কিন প্রশাসন আগে থেকে কোনো ঘোষণা দেয়নি। মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান এবং কূটনৈতিক গাড়িবহর দেখার পরই সফরের খবর প্রকাশ্যে আসে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সফরের উদ্দেশ্য জানানো হয়নি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, র্যাটক্লিফের সফরের আগে ইউক্রেনকে মস্কোতে কোনো হামলা না চালানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। তবে এই তথ্যের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে, র্যাটক্লিফের মস্কো সফর এমন সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্ক এখনো ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গভীরভাবে উত্তেজনাপূর্ণ, অথচ যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটন নতুন করে কূটনৈতিক পথ খুঁজছে।
বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ না হওয়ায় সফরটি আপাতত রহস্যে ঘেরা। তবে ২০২১ সালের পর প্রথমবার কোনো মার্কিন সিআইএ পরিচালকের মস্কোয় সরাসরি উপস্থিতিকে ওয়াশিংটন-মস্কো যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানোস প্লেভরিস অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে রিটার্ন হাব স্থাপনের বিষয়েও জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে গ্রিস।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের অর্থনীতি আরও বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জবাবে পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে ইরানের দাবি, ওয়াশিংটন একদিকে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ালেও অন্যদিকে আবারও কূটনৈতিক আলোচনার পথ খুলতে চাইছে।
২১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ৮ জুলাই ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসকে সিরিয়াকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায়। রুবিও তখন বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ফলে সিরিয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে এবং দেশটির পুনর্গঠনের পথ উন্মুক্ত হবে।
১ দিন আগে
যে পাঁচ কর্মকর্তার বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তারা হলেন— আইআরজিসির কমান্ডার আহমাদ ভাহিদি, খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের প্রধান আলি আবদোল্লাহি, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ইউনিটের কমান্ডার সাঈদ আগাজানি, আইআরজিসির সাইবার-ইলেকট্রনিক কমান্ডের প্রধান হামিদরেজা লাশগারিয়ান ও আইআরজিসির গোয়েন্দা
১ দিন আগে