
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

“পাবলিক চার্জ” হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে— এমন আবেদনকারীদের দমন করতে ৭৫টি দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ তালিকায় রাশিয়া ও ইরানসহ রয়েছে বাংলাদেশও।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং ভিসা প্রক্রিয়ার পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল বহাল থাকবে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের হাতে আসা পররাষ্ট্র দপ্তরের এক স্মারক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্মারকে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতদিন না বিভাগটি স্ক্রিনিং ও ভেটিং প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন শেষ করে।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি কেবল বিশ্ব জুড়ে সব মিশনে পাঠানো হয়, যেখানে কথিত “পাবলিক চার্জ” বিধানের আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের কঠোর নতুন স্ক্রিনিং নিয়ম প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই নিয়মে বয়স্ক বা অতিরিক্ত ওজনের আবেদনকারী, কিংবা যাদের অতীতে কোনো সরকারি নগদ সহায়তা গ্রহণ বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার ইতিহাস রয়েছে—তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এসে পাবলিক চার্জে পড়তে পারে এবং আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার করবে— এমন সম্ভাব্য অভিবাসীদের অযোগ্য ঘোষণা করতে পররাষ্ট্র দপ্তর তার দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ব্যবহার করবে।
পিগট আরও বলেন, এই ৭৫টি দেশ থেকে অভিবাসন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে, যতদিন না পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি পুনর্মূল্যায়ন করে এবং কল্যাণ ও জনসুবিধা গ্রহণে আগ্রহী বিদেশিদের প্রবেশ রোধে ব্যবস্থা নেয়।
পাবলিক চার্জ বিধানটি কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান থাকলেও বিভিন্ন প্রশাসনের সময় এর প্রয়োগ ভিন্ন ভিন্ন হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এই মানদণ্ড প্রয়োগে বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া ছিল।
নতুন স্থগিতাদেশে ব্যতিক্রম “খুব সীমিত” থাকবে এবং কেবল তখনই অনুমোদন দেওয়া হবে, যখন আবেদনকারী পাবলিক চার্জ সংক্রান্ত সব বিবেচনা পেরিয়ে আসতে পারবেন।
বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ২০২২ সালের পাবলিক চার্জ নীতিতে বিবেচ্য সুবিধার পরিধি সীমিত করা হয়েছিল— মূলত নগদ সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যায় সীমাবদ্ধ রেখে। সেখানে এসএনএপি (খাদ্য সহায়তা), নারী, শিশু ও নবজাতকের পুষ্টি কর্মসূচি, মেডিকেইড বা আবাসন ভাউচারের মতো সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট দীর্ঘদিন ধরেই কনস্যুলার কর্মকর্তাদের পাবলিক চার্জের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা দেয়। তবে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করে আরও বিস্তৃত সরকারি সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করেন। এ সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে; আংশিকভাবে তা স্থগিত হয় এবং পরে বাইডেন প্রশাসন তা প্রত্যাহার করে।
আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, বার্মা (মিয়ানমার), কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোট দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনেগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও দ্য গ্রেনাডিনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।

“পাবলিক চার্জ” হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে— এমন আবেদনকারীদের দমন করতে ৭৫টি দেশের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ তালিকায় রাশিয়া ও ইরানসহ রয়েছে বাংলাদেশও।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ফক্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং ভিসা প্রক্রিয়ার পুনর্মূল্যায়ন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকাল বহাল থাকবে।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের হাতে আসা পররাষ্ট্র দপ্তরের এক স্মারক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্মারকে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইনের আওতায় ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতদিন না বিভাগটি স্ক্রিনিং ও ভেটিং প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন শেষ করে।
২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পররাষ্ট্র দপ্তরের একটি কেবল বিশ্ব জুড়ে সব মিশনে পাঠানো হয়, যেখানে কথিত “পাবলিক চার্জ” বিধানের আওতায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের কঠোর নতুন স্ক্রিনিং নিয়ম প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই নিয়মে বয়স্ক বা অতিরিক্ত ওজনের আবেদনকারী, কিংবা যাদের অতীতে কোনো সরকারি নগদ সহায়তা গ্রহণ বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যার ইতিহাস রয়েছে—তাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এসে পাবলিক চার্জে পড়তে পারে এবং আমেরিকান জনগণের উদারতার অপব্যবহার করবে— এমন সম্ভাব্য অভিবাসীদের অযোগ্য ঘোষণা করতে পররাষ্ট্র দপ্তর তার দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ব্যবহার করবে।
পিগট আরও বলেন, এই ৭৫টি দেশ থেকে অভিবাসন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হবে, যতদিন না পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি পুনর্মূল্যায়ন করে এবং কল্যাণ ও জনসুবিধা গ্রহণে আগ্রহী বিদেশিদের প্রবেশ রোধে ব্যবস্থা নেয়।
পাবলিক চার্জ বিধানটি কয়েক দশক ধরে বিদ্যমান থাকলেও বিভিন্ন প্রশাসনের সময় এর প্রয়োগ ভিন্ন ভিন্ন হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এই মানদণ্ড প্রয়োগে বিস্তৃত ক্ষমতা দেওয়া ছিল।
নতুন স্থগিতাদেশে ব্যতিক্রম “খুব সীমিত” থাকবে এবং কেবল তখনই অনুমোদন দেওয়া হবে, যখন আবেদনকারী পাবলিক চার্জ সংক্রান্ত সব বিবেচনা পেরিয়ে আসতে পারবেন।
বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ২০২২ সালের পাবলিক চার্জ নীতিতে বিবেচ্য সুবিধার পরিধি সীমিত করা হয়েছিল— মূলত নগদ সহায়তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক পরিচর্যায় সীমাবদ্ধ রেখে। সেখানে এসএনএপি (খাদ্য সহায়তা), নারী, শিশু ও নবজাতকের পুষ্টি কর্মসূচি, মেডিকেইড বা আবাসন ভাউচারের মতো সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট দীর্ঘদিন ধরেই কনস্যুলার কর্মকর্তাদের পাবলিক চার্জের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করার ক্ষমতা দেয়। তবে ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করে আরও বিস্তৃত সরকারি সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করেন। এ সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে; আংশিকভাবে তা স্থগিত হয় এবং পরে বাইডেন প্রশাসন তা প্রত্যাহার করে।
আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামাস, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, বার্মা (মিয়ানমার), কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, কোট দিভোয়ার, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনেগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও দ্য গ্রেনাডিনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১০ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে