
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাকে ‘অসাধারণ নারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাচাদো তার নোবেল পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পকে উপহার দেওয়ার পর ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া এসেছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (মাচাদো) একজন অসাধারণ নারী। যিনি অনেক কিছু সহ্য করে এসেছেন।’
মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি যে কাজ করেছি, তার জন্য তার (মাচাদো) শান্তির নোবেল পদকটি আমাকে উপহার দিয়েছেন মাচাদো। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অসাধারণ নিদর্শন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকে নোবেল পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করেছেন। গত বছর তিনি বলেছিলেন, সাতটি যুদ্ধ থামানোর কারণে তাকে সাতটি নোবেল দেওয়া উচিত।
পরে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী হিসেবে মাচাদোর নাম ঘোষণা হলে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাচাদো অবশ্য নোবেল পাওয়ার পরই জানিয়েছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি এই পুরস্কার ভাগ করে নেবেন।
এদিকে গত ৩ জানুয়ারি নজিরবিহীন এক সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনিই ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব নিয়েছেন।
এ অভিযানের পর ধারণা করা হচ্ছিল, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের পর তা ট্রাম্পকে উৎসর্গ করা মাচাদো ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী রূপান্তরের সময়ে দায়িত্ব পাবেন। ট্রাম্প অবশ্য তাকে সমর্থন জানাননি। বরং মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। ট্রাম্প প্রশাসন তার সঙ্গেই কাজ করছে।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাকে ‘অসাধারণ নারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এএফপির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাচাদো তার নোবেল পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পকে উপহার দেওয়ার পর ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া এসেছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (মাচাদো) একজন অসাধারণ নারী। যিনি অনেক কিছু সহ্য করে এসেছেন।’
মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি যে কাজ করেছি, তার জন্য তার (মাচাদো) শান্তির নোবেল পদকটি আমাকে উপহার দিয়েছেন মাচাদো। এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক অসাধারণ নিদর্শন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন সময় তিনি নিজেকে নোবেল পুরস্কারের যোগ্য বলে দাবি করেছেন। গত বছর তিনি বলেছিলেন, সাতটি যুদ্ধ থামানোর কারণে তাকে সাতটি নোবেল দেওয়া উচিত।
পরে গত বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী হিসেবে মাচাদোর নাম ঘোষণা হলে প্রকাশ্যেই অসন্তোষ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। মাচাদো অবশ্য নোবেল পাওয়ার পরই জানিয়েছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে তিনি এই পুরস্কার ভাগ করে নেবেন।
এদিকে গত ৩ জানুয়ারি নজিরবিহীন এক সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনিই ভেনেজুয়েলার দায়িত্ব নিয়েছেন।
এ অভিযানের পর ধারণা করা হচ্ছিল, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ের পর তা ট্রাম্পকে উৎসর্গ করা মাচাদো ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী রূপান্তরের সময়ে দায়িত্ব পাবেন। ট্রাম্প অবশ্য তাকে সমর্থন জানাননি। বরং মাদুরো সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন। ট্রাম্প প্রশাসন তার সঙ্গেই কাজ করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে