
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ১৫ দফা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, এর জবাবে তাদের পক্ষ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়া প্রস্তত করা হয়েছে। এই প্রতিক্রিয়ায় ‘১০ দফা’ প্রস্তাব রয়েছে উল্লেখ করা হলেও সুনির্দিষ্টভাবে সেগুলোর বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রায়াত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে রয়টার্স। খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তেহরানো পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পের দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা জানান।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে পাওয়া প্রস্তাবগুলোর জবাবে ইরান নিজেদের অবস্থান ও দাবি নির্ধারণ করেছে। তবে তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, কোনো ধরনের আলটিমেটাম ও যুদ্ধাপরাধের হুমকির সঙ্গে কোনো আলোচনা সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন,জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্তগুলো এরই মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে যে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, তা ‘বাড়াবাড়ি’। ফলে সে প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘ইরান নিজেদের বৈধ দাবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে দ্বিধাবোধ করে না। এসব দাবি-দাওয়া তুলে ধরাকে আপস হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, বরং এটি আমাদের অবস্থান রক্ষায় আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।’
তেহরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ‘১০ দফা’র কথা বলা হলেও সেগুলো সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিতভাবে এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ঠিক কী কী শর্ত তেহরান দিয়েছে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে ইরানের গণমাধ্যমগুলো বলছে, ইরানের সম্ভাব্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
যুদ্ধবিরতি দিয়ে শুরু হলেও ইরানের ১০ দফার মধ্যে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অবকাঠামো নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছে। এককভাবে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হওয়ায় একে তেহরান কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একদিকে যেমন এই রুটে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রেখে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য সুস্পষ্টভাবে ধরে রাখছে তারা, অন্যদিকে এর প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে ওঠায় তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এ কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পও বারবারই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে এ প্রণালি চালু করতে ইউরোপের মিত্রদের সামরিক অভিযানের আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। এমনকি চীনকেও এর জন্য এগিয়ে আসতে বলেছিলেন তিনি। তবে কোনো আহ্বানেই সাড়া পাননি তিনি।
হরমুজ প্রণালিকে ইরান যেভাবে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তাতে সেখানে সামরিক অভিযান চালিয়ে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সাহস করেনি কোনো দেশ। সবশেষ ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার আগ পর্যন্ত সময় দিয়েছেন ইরানকে এ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ১৫ দফা প্রস্তাব নিয়ে ইরানের সাময়িক নীরবতা কিছুটা আশার আলো ছড়িয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সোমবার রাতে ইরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সেসব আশার গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে। কারণ দুপক্ষের যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, তা পরস্পর থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে। একদিকে ট্রাম্প যেমন যুদ্ধবিরতির জন্য কঠোর থেকে কঠোরতর শর্ত আরোপ করে রেখেছেন, অন্যদিকে ইরানও তেমন নিজেদের কৌশলগত সুবিধায় একবিন্দু ছাড় দিতে রাজি নয়।
এ অবস্থায় ‘১০ দফা’ প্রস্তাব সামনে এলেও তার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ১৫ দফা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, এর জবাবে তাদের পক্ষ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিক্রিয়া প্রস্তত করা হয়েছে। এই প্রতিক্রিয়ায় ‘১০ দফা’ প্রস্তাব রয়েছে উল্লেখ করা হলেও সুনির্দিষ্টভাবে সেগুলোর বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রায়াত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে রয়টার্স। খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তেহরানো পক্ষ থেকে যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পের দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথা জানান।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে পাওয়া প্রস্তাবগুলোর জবাবে ইরান নিজেদের অবস্থান ও দাবি নির্ধারণ করেছে। তবে তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, কোনো ধরনের আলটিমেটাম ও যুদ্ধাপরাধের হুমকির সঙ্গে কোনো আলোচনা সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন,জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নির্ধারিত শর্তগুলো এরই মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে যে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছে, তা ‘বাড়াবাড়ি’। ফলে সে প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘ইরান নিজেদের বৈধ দাবি স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে দ্বিধাবোধ করে না। এসব দাবি-দাওয়া তুলে ধরাকে আপস হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, বরং এটি আমাদের অবস্থান রক্ষায় আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন।’
তেহরানের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় ‘১০ দফা’র কথা বলা হলেও সেগুলো সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিতভাবে এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ঠিক কী কী শর্ত তেহরান দিয়েছে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে ইরানের গণমাধ্যমগুলো বলছে, ইরানের সম্ভাব্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
যুদ্ধবিরতি দিয়ে শুরু হলেও ইরানের ১০ দফার মধ্যে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অবকাঠামো নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছে। এককভাবে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুট হওয়ায় একে তেহরান কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। একদিকে যেমন এই রুটে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রেখে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য সুস্পষ্টভাবে ধরে রাখছে তারা, অন্যদিকে এর প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে ওঠায় তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এ কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পও বারবারই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানকে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে এ প্রণালি চালু করতে ইউরোপের মিত্রদের সামরিক অভিযানের আহ্বান জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। এমনকি চীনকেও এর জন্য এগিয়ে আসতে বলেছিলেন তিনি। তবে কোনো আহ্বানেই সাড়া পাননি তিনি।
হরমুজ প্রণালিকে ইরান যেভাবে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তাতে সেখানে সামরিক অভিযান চালিয়ে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সাহস করেনি কোনো দেশ। সবশেষ ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র সময় মঙ্গলবার রাত ৮টার আগ পর্যন্ত সময় দিয়েছেন ইরানকে এ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য।
ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির ১৫ দফা প্রস্তাব নিয়ে ইরানের সাময়িক নীরবতা কিছুটা আশার আলো ছড়িয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছিল।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সোমবার রাতে ইরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সেসব আশার গুড়ে বালি ঢেলে দিয়েছে। কারণ দুপক্ষের যে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, তা পরস্পর থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে। একদিকে ট্রাম্প যেমন যুদ্ধবিরতির জন্য কঠোর থেকে কঠোরতর শর্ত আরোপ করে রেখেছেন, অন্যদিকে ইরানও তেমন নিজেদের কৌশলগত সুবিধায় একবিন্দু ছাড় দিতে রাজি নয়।
এ অবস্থায় ‘১০ দফা’ প্রস্তাব সামনে এলেও তার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
২০ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১ দিন আগে