
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং। আমেরিকার এই পদক্ষেপকে 'জোরজুলুম' ও 'হুমকি' অভিহিত করে তা অবিলম্বে বন্ধের জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র কিউবার পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে দেশটি। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত ৯৪ বছর বয়সী সাবেক কিউবান নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে দুটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনেছে। ওই ঘটনায় চারজন নিহত হন, যা ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি করেছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই কিউবার ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে আসছেন এবং দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়েও একাধিকবার খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত 'কথায় কথায় সামরিক শক্তির হুমকি দেওয়া বন্ধ করা।' তিনি স্পষ্ট জানান, বেইজিং 'দৃঢ়ভাবে কিউবাকে সমর্থন করে।'
এর আগে গতকাল বুধবার, তিন দশক আগে কিউবা ও ফ্লোরিডার মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দুটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় রাউল কাস্ত্রোসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মার্কিন আদালত। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
যে বিমান দুটি ভূপাতিত করা হয়েছিল, সেগুলো পরিচালনা করত কিউবান-আমেরিকান ভিন্নমতাবলম্বীদের সংগঠন ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ'। বিমান দুটিতে তিনজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন, যাদের সবাই ওই ঘটনায় নিহত হন। ২০১৮ সালে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানো রাউল কাস্ত্রো তখন কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
ওই ঘটনা সে সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যে বিরোধের একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মার্কিন আদালতের এই পদক্ষেপের পর কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল এই অভিযোগকে 'কোনো আইনি ভিত্তিহীন একটি রাজনৈতিক চাল' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
কিউবার দীর্ঘদিনের মিত্র চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেইজিং 'যেকোনো অজুহাতে কিউবার ওপর বাহ্যিক শক্তির চাপ সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার' বিরোধী।
মুখপাত্র গুও জিয়াকুন আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কিউবার বিরুদ্ধে জোরজুলুমের হাতিয়ার হিসেবে নিষেধাজ্ঞা এবং বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থাকে ব্যবহার করা বন্ধ করা এবং কথায় কথায় সামরিক শক্তি প্রদর্শনের হুমকি থেকে বিরত থাকা।'
তিনি যোগ করেন, 'চীন কিউবার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষার লড়াইকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং যেকোনো ধরনের বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।'
এদিকে হোয়াইট হাউজ কিউবার ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়িয়েই চলেছে। দেশটিতে জ্বালানি সংকট ও খাদ্য ঘাটতি তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কিউবায় তেল সরবরাহের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে কিউবার জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, আর্থিক ও নিরাপত্তা খাতের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সরকারি সম্পদ চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে মাদক-সন্ত্রাস ও চোরাচালানের অভিযোগে বিচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে, এবার কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের 'পতনের সময় এসেছে'।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কিউবা সফরের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে কিউবা চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে' (বিআরআই) যোগ দেয়, যার অধীনে ক্যারিবীয় এই দ্বীপরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি কৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন করছে বেইজিং।

কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং। আমেরিকার এই পদক্ষেপকে 'জোরজুলুম' ও 'হুমকি' অভিহিত করে তা অবিলম্বে বন্ধের জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র কিউবার পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে দেশটি। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত ৯৪ বছর বয়সী সাবেক কিউবান নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ১৯৯৬ সালে দুটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনেছে। ওই ঘটনায় চারজন নিহত হন, যা ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি করেছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই কিউবার ওপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে আসছেন এবং দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের পতন ঘটানোর বিষয়েও একাধিকবার খোলামেলা আলোচনা করেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত 'কথায় কথায় সামরিক শক্তির হুমকি দেওয়া বন্ধ করা।' তিনি স্পষ্ট জানান, বেইজিং 'দৃঢ়ভাবে কিউবাকে সমর্থন করে।'
এর আগে গতকাল বুধবার, তিন দশক আগে কিউবা ও ফ্লোরিডার মধ্যবর্তী আকাশসীমায় দুটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনায় রাউল কাস্ত্রোসহ আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মার্কিন আদালত। এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
যে বিমান দুটি ভূপাতিত করা হয়েছিল, সেগুলো পরিচালনা করত কিউবান-আমেরিকান ভিন্নমতাবলম্বীদের সংগঠন ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ'। বিমান দুটিতে তিনজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন, যাদের সবাই ওই ঘটনায় নিহত হন। ২০১৮ সালে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানো রাউল কাস্ত্রো তখন কিউবার সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
ওই ঘটনা সে সময় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যে বিরোধের একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
মার্কিন আদালতের এই পদক্ষেপের পর কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল এই অভিযোগকে 'কোনো আইনি ভিত্তিহীন একটি রাজনৈতিক চাল' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
কিউবার দীর্ঘদিনের মিত্র চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেইজিং 'যেকোনো অজুহাতে কিউবার ওপর বাহ্যিক শক্তির চাপ সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টার' বিরোধী।
মুখপাত্র গুও জিয়াকুন আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কিউবার বিরুদ্ধে জোরজুলুমের হাতিয়ার হিসেবে নিষেধাজ্ঞা এবং বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থাকে ব্যবহার করা বন্ধ করা এবং কথায় কথায় সামরিক শক্তি প্রদর্শনের হুমকি থেকে বিরত থাকা।'
তিনি যোগ করেন, 'চীন কিউবার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদা রক্ষার লড়াইকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে এবং যেকোনো ধরনের বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।'
এদিকে হোয়াইট হাউজ কিউবার ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়িয়েই চলেছে। দেশটিতে জ্বালানি সংকট ও খাদ্য ঘাটতি তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কিউবায় তেল সরবরাহের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে কিউবার জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, আর্থিক ও নিরাপত্তা খাতের কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। একই সঙ্গে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সরকারি সম্পদ চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে মাদক-সন্ত্রাস ও চোরাচালানের অভিযোগে বিচারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পর থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে, এবার কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের 'পতনের সময় এসেছে'।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কিউবা সফরের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে কিউবা চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে' (বিআরআই) যোগ দেয়, যার অধীনে ক্যারিবীয় এই দ্বীপরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি কৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন করছে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে