
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন নৌ-অবরোধের অভূতপূর্ব চাপের মুখে পড়েই ইরান একটি 'শক্তিশালী চুক্তিতে' উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমেরিকা ইরানের সাথে একটি অত্যন্ত চমৎকার ও সুদৃঢ় চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগ বেশি কার্যকর উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, বোমা হামলায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এড়াতেই তারা আলোচনার টেবিলে একটি দীর্ঘস্থায়ী লিখিত চুক্তির পথ বেছে নিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগকেই বেশি কার্যকর উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাইলে খুব সহজেই সেখানে বোমা হামলা চালাতে পারি। মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহ একটানা বোমাবর্ষণ করলেই তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু সেই পথ বেছে নিলে (কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ) হরমুজ প্রণালি মাসের পর মাস বন্ধ থাকবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বোমা হামলা চালালে অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। কে তা চায়? আমি অন্তত তা চাই না। তাছাড়া, সামরিক হামলার চেয়ে আলোচনার টেবিলে সই হওয়া একটি লিখিত চুক্তি অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী হবে।’
ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে নৌ-অবরোধ যে অনেক বেশি শক্তিশালী হাতিয়ার, তা এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত আমাদের প্রাথমিক ধাক্কা এবং পরবর্তী এ অবরোধের যৌথ প্রভাবই কাজ করেছে। বর্তমানে তাদের অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যস্ত এবং এ পরিস্থিতির কারণেই তারা চুক্তি করতে বাধ্য হচ্ছে।’
রাজনীতি/এসআর

মার্কিন নৌ-অবরোধের অভূতপূর্ব চাপের মুখে পড়েই ইরান একটি 'শক্তিশালী চুক্তিতে' উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমেরিকা ইরানের সাথে একটি অত্যন্ত চমৎকার ও সুদৃঢ় চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগ বেশি কার্যকর উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, বোমা হামলায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানি এড়াতেই তারা আলোচনার টেবিলে একটি দীর্ঘস্থায়ী লিখিত চুক্তির পথ বেছে নিয়েছেন। খবর আল জাজিরার।
ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত চাপ প্রয়োগকেই বেশি কার্যকর উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাইলে খুব সহজেই সেখানে বোমা হামলা চালাতে পারি। মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহ একটানা বোমাবর্ষণ করলেই তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। কিন্তু সেই পথ বেছে নিলে (কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ) হরমুজ প্রণালি মাসের পর মাস বন্ধ থাকবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘বোমা হামলা চালালে অনেক নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। কে তা চায়? আমি অন্তত তা চাই না। তাছাড়া, সামরিক হামলার চেয়ে আলোচনার টেবিলে সই হওয়া একটি লিখিত চুক্তি অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী হবে।’
ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে নৌ-অবরোধ যে অনেক বেশি শক্তিশালী হাতিয়ার, তা এরই মধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। মূলত আমাদের প্রাথমিক ধাক্কা এবং পরবর্তী এ অবরোধের যৌথ প্রভাবই কাজ করেছে। বর্তমানে তাদের অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যস্ত এবং এ পরিস্থিতির কারণেই তারা চুক্তি করতে বাধ্য হচ্ছে।’
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে