
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি ইস্টার্ন আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মার্কিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা (বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৩টা) থেকে কার্যকর হবে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টার কিছু পরে এক পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, লেবাননের অত্যন্ত সম্মানিত প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। দুই নেতা তাদের দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সময় বিকেল ৫টা থেকে কার্যকর হবে।
গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ট্রাম্প তার পোস্টে জানান, ৩৪ বছরের মধ্যে এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম কূটনৈতিক সম্পর্ক। আর সেই বৈঠকই যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভাঙার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
লেবানন ও ইসারয়েলের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা করছে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে নির্দেশ দিয়েছি, যেন তারা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান ‘রেজিন’ কেইনের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে কাজ করে একটি স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করেন।
ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে নিজেকে নিয়ে বড়াই করতেও ভুলে যাননি ট্রাম্প। লেবাননে যুদ্ধবিরতি এনে দিয়ে দশমবারের মতো কোনো যুদ্ধের সমাধান করার দাবি করেছেন তিনি। লিখেছেন, এটি আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয় যে বিশ্বের ৯টি যুদ্ধ আমি সমাধান করেছি। এটি হবে আমার দশম যুদ্ধের সমাধান। আসুন, কাজটি সম্পন্ন করি!
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বহু পুরনো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এ সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরান সমর্থিত হিসেবে পরিচিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ এ যুদ্ধেও ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে লেবাননে।
এমনকি ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও ইসরায়েল হামলা থামায়নি। ইরান অভিযোগ করে, লেবাননে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। তবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, লেবানন ওই যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত নয়।
এ যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে লেবানন। এখন পর্যন্ত যুদ্ধে তাদের দেশে প্রাণহানি দুই হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে বেসামরিক অসংখ্য স্থাপনা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন দুটি বিবদমান দেশের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সংঘাত কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে মাত্র ১০ দিনের এই বিরতি দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
লেবানন-ইসরায়েল উত্তেজনার পেছনে সীমান্ত নিরাপত্তা, হিজবুল্লাহর ভূমিকা ও আঞ্চলিক শক্তির প্রভাবের মতো বেশ কয়েকটি জটিল ইস্যু জড়িয়ে আছে। মধ্যপ্রাচ্যেই চলমান ইরান যুদ্ধের সঙ্গেও এ যুদ্ধ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে হলে কেবল রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বাস্তব নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শেষ পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান না এলেও ট্রাম্পের এই যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কেননা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে লেবানন ও ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। ট্রাম্পের উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তত দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হলো, যা হয়তো দেশ দুটিকে ধারাবাহিক আলোচনা ও সম্পর্কের দিকে এগিয়ে দিতে পারে।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এই যুদ্ধবিরতি ইস্টার্ন আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মার্কিন স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা (বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৩টা) থেকে কার্যকর হবে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৯টার কিছু পরে এক পোস্টে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, লেবাননের অত্যন্ত সম্মানিত প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। দুই নেতা তাদের দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সময় বিকেল ৫টা থেকে কার্যকর হবে।
গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ডিসিতে লেবানন ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ট্রাম্প তার পোস্টে জানান, ৩৪ বছরের মধ্যে এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম কূটনৈতিক সম্পর্ক। আর সেই বৈঠকই যুদ্ধবিরতির পথ তৈরি করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভাঙার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
লেবানন ও ইসারয়েলের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতা করছে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওকে নির্দেশ দিয়েছি, যেন তারা জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান ‘রেজিন’ কেইনের সঙ্গে সমন্বয় করে ইসরায়েল ও লেবাননের সঙ্গে কাজ করে একটি স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করেন।
ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে নিজেকে নিয়ে বড়াই করতেও ভুলে যাননি ট্রাম্প। লেবাননে যুদ্ধবিরতি এনে দিয়ে দশমবারের মতো কোনো যুদ্ধের সমাধান করার দাবি করেছেন তিনি। লিখেছেন, এটি আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয় যে বিশ্বের ৯টি যুদ্ধ আমি সমাধান করেছি। এটি হবে আমার দশম যুদ্ধের সমাধান। আসুন, কাজটি সম্পন্ন করি!
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বহু পুরনো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এ সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। ইরান সমর্থিত হিসেবে পরিচিত লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ এ যুদ্ধেও ইরানের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। জবাবে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে লেবাননে।
এমনকি ইরান যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেও ইসরায়েল হামলা থামায়নি। ইরান অভিযোগ করে, লেবাননে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল। তবে নেতানিয়াহু দাবি করেন, লেবানন ওই যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত নয়।
এ যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তও হয়েছে লেবানন। এখন পর্যন্ত যুদ্ধে তাদের দেশে প্রাণহানি দুই হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে বেসামরিক অসংখ্য স্থাপনা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন দুটি বিবদমান দেশের মধ্যে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সংঘাত কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে মাত্র ১০ দিনের এই বিরতি দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে রূপ নেবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
লেবানন-ইসরায়েল উত্তেজনার পেছনে সীমান্ত নিরাপত্তা, হিজবুল্লাহর ভূমিকা ও আঞ্চলিক শক্তির প্রভাবের মতো বেশ কয়েকটি জটিল ইস্যু জড়িয়ে আছে। মধ্যপ্রাচ্যেই চলমান ইরান যুদ্ধের সঙ্গেও এ যুদ্ধ ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। ফলে যুদ্ধবিরতি টেকসই করতে হলে কেবল রাজনৈতিক ঘোষণা নয়, বাস্তব নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সমাধান প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শেষ পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান না এলেও ট্রাম্পের এই যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কেননা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে লেবানন ও ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। ট্রাম্পের উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তত দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হলো, যা হয়তো দেশ দুটিকে ধারাবাহিক আলোচনা ও সম্পর্কের দিকে এগিয়ে দিতে পারে।

ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৬ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১৯ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে