
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় ‘যথাসময়ে’ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা। তারা বলছে, ওই হামলার মাধ্যমে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়ীদের ‘সৎ শক্তি’র হাতে প্রতিশোধের মুখোমুখি হতে হবে।
বুধবার (১ জুলাই) ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জুলকাদর এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
জুলকাদরের এ বিবৃতি এমন সময়ে এলো যখন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা, দাফন ও শেষ বিদায়ের শোক-অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, শাহাদাতের আগ মুহূর্তেও খামেনির হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালার স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
জুলকাদর বলেন, আলি খামেনি ও ইরানের নিপীড়িত শহিদদের পবিত্র রক্তের প্রতিশোধের পর্ব এখনো খোলা রয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত এবং যারা এ অপরাধের নির্দেশ দিয়েছে, তাদের সঠিক সময়ে ‘সৎ শক্তি’র হাতে ন্যায্য শাস্তির মুখোমুখি হবে। সেই সময় খুব বেশি দূরে নয়।
আলাদা এক বিবৃতিতে অভিভাবক পরিষদ বা গার্ডিয়ান কাউন্সিল বলেছে, শত্রুপক্ষ ইরানি জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়ার ভ্রান্ত আশা নিয়ে এই ‘জঘন্য অপরাধ’ করেছে। কিন্তু তারা জানত না যে সর্বোচ্চ নেতার শাহাদাত নিজেই প্রতিরোধের এক শিখায় পরিণত হবে এবং বিজয়ের পথে পথনির্দেশক হবে।
গার্ডিয়ান কাউন্সিল আলি খামেনিকে বিদায় জানানোর আসন্ন শোক-অনুষ্ঠানকে ইসলামি ব্যবস্থার দৃঢ়তার ইতিহাসে একটি ‘ঐতিহাসিক মোড়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। পরিষদ জানিয়েছে, মহান নেতার পবিত্র রক্ত চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত সত্যের পথ আলোকিত করবে এবং দাম্ভিক শক্তির ফ্রন্টকে আরও হতাশ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শত্রুর এ জঘন্য অপরাধের উদ্দেশ্য ছিল এই জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু নেতার শাহাদাতই প্রতিরোধের শিখা এবং বিজয়ের দিশারিতে পরিণত হয়েছে। ইরানের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় সর্বোচ্চ নেতার শেষ বিদায়ের শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গার্ডিয়ান কাউন্সিল বলেছে, তাদের উপস্থিতি জাতি ও ইসলামি বিপ্লবের মধ্যকার ‘অবিচ্ছেদ্য বন্ধন’ আবারও প্রমাণ করবে।
কাউন্সিল বিবৃতিতে বলেছে, শেষ বিদায় জানানোর এই শোকানুষ্ঠান কেবল একটি শোকানুষ্ঠান নয়, এটি এমন একটি জাতির বিশ্বাস ও আনুগত্যের বহির্প্রকাশ, যারা বহু বছর ধরে সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনায় মর্যাদা ও প্রতিরোধের পথে অটল থেকেছে। এই মহিমান্বিত অনুষ্ঠান দাম্ভিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের ক্ষমতার প্রতীক এবং বিপ্লবের আদর্শের প্রতি আনুগত্য নবায়নের একটি সুযোগ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালাায় ইরানে। ওই হামলাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এখন পর্যন্ত তার জানাজা ও দাফন হয়নি, যা এ মাসের মাঝামাঝি হওয়ার কথা রয়েছে।

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার ঘটনায় ‘যথাসময়ে’ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা। তারা বলছে, ওই হামলার মাধ্যমে ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়ীদের ‘সৎ শক্তি’র হাতে প্রতিশোধের মুখোমুখি হতে হবে।
বুধবার (১ জুলাই) ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাঘের জুলকাদর এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
জুলকাদরের এ বিবৃতি এমন সময়ে এলো যখন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা, দাফন ও শেষ বিদায়ের শোক-অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, শাহাদাতের আগ মুহূর্তেও খামেনির হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালার স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
জুলকাদর বলেন, আলি খামেনি ও ইরানের নিপীড়িত শহিদদের পবিত্র রক্তের প্রতিশোধের পর্ব এখনো খোলা রয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত এবং যারা এ অপরাধের নির্দেশ দিয়েছে, তাদের সঠিক সময়ে ‘সৎ শক্তি’র হাতে ন্যায্য শাস্তির মুখোমুখি হবে। সেই সময় খুব বেশি দূরে নয়।
আলাদা এক বিবৃতিতে অভিভাবক পরিষদ বা গার্ডিয়ান কাউন্সিল বলেছে, শত্রুপক্ষ ইরানি জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়ার ভ্রান্ত আশা নিয়ে এই ‘জঘন্য অপরাধ’ করেছে। কিন্তু তারা জানত না যে সর্বোচ্চ নেতার শাহাদাত নিজেই প্রতিরোধের এক শিখায় পরিণত হবে এবং বিজয়ের পথে পথনির্দেশক হবে।
গার্ডিয়ান কাউন্সিল আলি খামেনিকে বিদায় জানানোর আসন্ন শোক-অনুষ্ঠানকে ইসলামি ব্যবস্থার দৃঢ়তার ইতিহাসে একটি ‘ঐতিহাসিক মোড়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। পরিষদ জানিয়েছে, মহান নেতার পবিত্র রক্ত চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত সত্যের পথ আলোকিত করবে এবং দাম্ভিক শক্তির ফ্রন্টকে আরও হতাশ করবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শত্রুর এ জঘন্য অপরাধের উদ্দেশ্য ছিল এই জাতির মনোবল ভেঙে দেওয়া। কিন্তু নেতার শাহাদাতই প্রতিরোধের শিখা এবং বিজয়ের দিশারিতে পরিণত হয়েছে। ইরানের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় সর্বোচ্চ নেতার শেষ বিদায়ের শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে গার্ডিয়ান কাউন্সিল বলেছে, তাদের উপস্থিতি জাতি ও ইসলামি বিপ্লবের মধ্যকার ‘অবিচ্ছেদ্য বন্ধন’ আবারও প্রমাণ করবে।
কাউন্সিল বিবৃতিতে বলেছে, শেষ বিদায় জানানোর এই শোকানুষ্ঠান কেবল একটি শোকানুষ্ঠান নয়, এটি এমন একটি জাতির বিশ্বাস ও আনুগত্যের বহির্প্রকাশ, যারা বহু বছর ধরে সর্বোচ্চ নেতার দিকনির্দেশনায় মর্যাদা ও প্রতিরোধের পথে অটল থেকেছে। এই মহিমান্বিত অনুষ্ঠান দাম্ভিক শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের ক্ষমতার প্রতীক এবং বিপ্লবের আদর্শের প্রতি আনুগত্য নবায়নের একটি সুযোগ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা চালাায় ইরানে। ওই হামলাতেই প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এখন পর্যন্ত তার জানাজা ও দাফন হয়নি, যা এ মাসের মাঝামাঝি হওয়ার কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। চলতি বছরের শুরু থেকে এই পর্যন্ত দেশটিতে ২৯ জন ত্রাণকর্মী নিহত হওয়ার পর এই অঞ্চলে মানবিক সহায়তাকর্মীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও চরম সংকটে পড়ল।
১৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণত ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিন উদ্ধার কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়, যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তারও অনেক পরে এই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
১৯ ঘণ্টা আগে
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের খড়কওয়াসলা ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রায় চার দশকব্যাপী ক্যারিয়ারে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি ও
১৯ ঘণ্টা আগে