
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কড়া জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি দেশটিতে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে ইরানের অভ্যন্তরীণ এবং উপকূলীয় অন্তত ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভঙ্গুর চুক্তির অংশ হিসেবে গত ২১ জুন মার্কিন অর্থ বিভাগ আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল রপ্তানির একটি বিশেষ অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেই অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
পুরোনো লাইসেন্স বাতিলের ফলে ইরানের তেল বিক্রির সময়সীমা কমে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। নতুন কোনো চুক্তি বা লোডিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নাটকীয় ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি ইরানের ভেতর ও আশপাশের অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্টেশন, জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে থাকা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানসহ মোট ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে সফল আঘাত হেনেছে।
ব্রিটিশ নৌবাহিনী-সংশ্লিষ্ট সংস্থা ‘ইউকেএমটিও’ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালির ভেতরে ও আশপাশে তিনটি বাণিজ্যিক তেল ট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কাতারের মালিকানাধীন একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ট্যাংকারও রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক আলামত অনুযায়ী ইরানই এই তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং এর জন্য তাদের কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার বা কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চরম উত্তেজনা সত্ত্বেও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক এই হামলা এবং মার্কিন পাল্টা পদক্ষেপের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক বোঝাপড়া মারাত্মকভাবে নড়বড়ে হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কড়া জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আবারও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি দেশটিতে নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে ইরানের অভ্যন্তরীণ এবং উপকূলীয় অন্তত ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভঙ্গুর চুক্তির অংশ হিসেবে গত ২১ জুন মার্কিন অর্থ বিভাগ আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের তেল রপ্তানির একটি বিশেষ অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু হরমুজ প্রণালির সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সেই অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
পুরোনো লাইসেন্স বাতিলের ফলে ইরানের তেল বিক্রির সময়সীমা কমে আগামী ১৭ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। নতুন কোনো চুক্তি বা লোডিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই নাটকীয় ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি ইরানের ভেতর ও আশপাশের অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্টেশন, জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে থাকা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানসহ মোট ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে সফল আঘাত হেনেছে।
ব্রিটিশ নৌবাহিনী-সংশ্লিষ্ট সংস্থা ‘ইউকেএমটিও’ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালির ভেতরে ও আশপাশে তিনটি বাণিজ্যিক তেল ট্যাংকার অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের (ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন) আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কাতারের মালিকানাধীন একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ট্যাংকারও রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক আলামত অনুযায়ী ইরানই এই তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং এর জন্য তাদের কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার বা কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চরম উত্তেজনা সত্ত্বেও মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক এই হামলা এবং মার্কিন পাল্টা পদক্ষেপের ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক বোঝাপড়া মারাত্মকভাবে নড়বড়ে হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা নিয়মিত মার্কিন বিমান হামলা এবং পালটাপালটি আক্রমণ বন্ধ হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি যুদ্ধবিরতীর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকো সিটির নিরাপত্তা বিষয়ক সচিবালয় ঘটনাটিকে একটি ‘সরাসরি লক্ষ্যভিত্তিক হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুলিতে ৪২ বছর বয়সি এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত অপর দুই ব্যক্তির বয়সই ৩৯ বছর। হামলা চালিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান।
৯ ঘণ্টা আগে
গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রায় একই সময়ে সুলাইমানিয়া থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিলেও পরপর বেশ কয়েকটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিস্ফোরণের তীব্রতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী,
৯ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে সবচেয়ে লক্ষণীয় পরিবর্তন হচ্ছে, যুদ্ধের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে যে সীমিত সমর্থন ছিল, সেটিও টালমাটাল হয়ে পড়ছে। প্রায় টানা দুই সপ্তাহ রাতভর হামলার পর আপাতত মার্কিন সামরিক অভিযান স্থগিত রয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন সময়ই সংঘাত আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে আসছে।
১৮ ঘণ্টা আগে