
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার ও নবনির্বাচিত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনে তার উপস্থিতি আবারও উসকে দিয়েছে বিজয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের গুঞ্জন।

এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১০ মে) সকালে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানে শপথ নেন বিজয়। সে অনুষ্ঠানেই উপস্থিত হয়ে তৃষা মনোযোগ কেড়ে নেন।
অনুষ্ঠানে তৃষার পরনে ছিল নীল সিল্কের শাড়ি, সঙ্গে একই রঙের ব্লাউজে সূক্ষ্ম সুতার কাজ। মানানসই সোনার গয়না। সবার নজর কাড়ছিল তার গলার হিরা ও চুনির হার। হালকা মেকআপে থাকা তৃষার খোঁপায় ছিল জুঁই ফুলের মালা। পুরোদস্তুর দেশি সাজেই হাজির ছিলেন তিনি।
বিজয়ের সঙ্গে তৃষার প্রেমের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। নির্বাচনি প্রচারের সময়ও সে সম্পর্ক নিয়ে চর্চা কম হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাই বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি সাংবাদিকদের নজর কাড়ে।
তৃষা অবশ্য সাংবাদিকদের কৌতূহল মেটানোর জন্য খুব একটা মুখ খোলেননি। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি শুধু বলেন, ‘ধন্যবাদ, এই মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।’

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, মা উমা কৃষ্ণানের সঙ্গে শপথ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তৃষা। দর্শক আসনের যেখানে বিজয়ের পরিবার ও খ্যাতনামা অতিথিরা ছিলেন, সেখানেই বসেন তৃষা ও তার মা। শপথ গ্রহণের পর্ব মিটতেই মানুষের ঢলের মাঝে আটকে পড়েন তৃষা। তাকে দেখে অনুরাগীরা ছুটে যান এবং ঘিরে ধরেন। তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে ওঠেন সবাই। তবে মেজাজ হারাননি তৃষা। মুখে হাসি রেখেই জনতার ঢল থেকে বেরিয়ে আসেন ধীরে ধীরে।
এর আগে অবশ্য সকালেও তৃষার বাড়ির সামনে পৌঁছে যান ছবিশিকারিরা। বাড়ি থেকে বেরোতেই তাদের মুখোমুখি হন অভিনেত্রী। ‘উদগ্রীব হয়ে আছি’— তখনো এর চেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি। নিজেদের সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়েও এখনো নীরব তৃষা-বিজয় দুজনেই।
এর আগে দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজয় ও তৃষাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলে আসছে। তামিল সিনেমার জনপ্রিয় এই জুটিকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ব্যক্তিগত আয়োজনে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় সম্পর্কের গুঞ্জন জোরালো হয়। বিশেষ করে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন ও বিচ্ছেদসংক্রান্ত গুঞ্জনের পর বিষয়টি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়েছে কয়েকগুণ।
এর মধ্যে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে তৃষাকে মন্দিরে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। ভক্ত-অনুরাগীদের অনুমান, বিজয়ের জন্যই প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

এ ছাড়া গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বিজয়ের দল যখন ১০০ আসনের মাইলফলক স্পর্শ করে, ওই সময় তৃষাকে দেখা গেছে বিজয়ের বাসভবনে। ঘটনাচক্রে দিনটি ছিল তৃষার জন্মাদন। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একে ভিন্নভাবেই দেখেন বিশ্লেষকরা।
কেবল তৃষা-বিজয়ের প্রেমের গুঞ্জন নয়, তৃষার রাজনীতিতে যোগদান নিয়েও জল্পনাকল্পনা থেমে নেই। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজয় বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন দুটি আসনে। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন তাকে ছেড়ে দিতে হবে। শোনা যাচ্ছে, সেই শূন্য আসনে তৃষাকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা করছে বিজয়ের দল টিভিকে।
বিজয়-তৃষার সম্পর্কের গুঞ্জন তারকা জগতেও আলোচনার বিষয়বস্তু। তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাখি সাওয়ান্ত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিজয় ও তৃষার বিয়ে করে নেওয়া উচিত। আমি ওদের মেহন্দি অনুষ্ঠানে যাব।’
দক্ষিণী সিনেমায় বিজয় ও তৃষা দুজনে আলাদা করেই জনপ্রিয়তার শীর্ষ স্পর্শ করেছেন। ২০০৪ সালে ‘ঘিল্লি’ মুভিতে প্রথম জুটি বাঁধেন তারা। সে জুটিও দর্শকপ্রিয়তা পায়। পরের বছরই সুপার হিট সিনেমা ‘থিরুপাচ্চি’ উপহার দেয় এই জুটি। ২০০৬ সালে ‘আথাই’ ও ২০০৮ সালে ‘কুরুভি’ সিনেমাতেও জুটি হয়েছিলেন তারা।

ওই সময়ও বিজয়-তৃষার প্রেমের গুঞ্জন ছিল। বিবাহিত বিজয়ের বাড়িতে এ নিয়ে তৈরি হয় অসন্তোষ। পরে ১৫ বছর আর তারা দুজন কোনো সিনেমায় জুটিবদ্ধ হননি। শেষ পর্যন্ত সে বিরতি ভাঙে ২০২৩ সালে ‘লিও’ সিনেমা দিয়ে। সে সিনেমাও ছিল সুপারহিট। তখন থেকেই ফের তৃষা-বিজয় জুটি নিয়ে পর্দার বাইরের জল্পনা বাড়তে থাকে।

ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার ও নবনির্বাচিত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়র শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনে তার উপস্থিতি আবারও উসকে দিয়েছে বিজয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের গুঞ্জন।

এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১০ মে) সকালে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানে শপথ নেন বিজয়। সে অনুষ্ঠানেই উপস্থিত হয়ে তৃষা মনোযোগ কেড়ে নেন।
অনুষ্ঠানে তৃষার পরনে ছিল নীল সিল্কের শাড়ি, সঙ্গে একই রঙের ব্লাউজে সূক্ষ্ম সুতার কাজ। মানানসই সোনার গয়না। সবার নজর কাড়ছিল তার গলার হিরা ও চুনির হার। হালকা মেকআপে থাকা তৃষার খোঁপায় ছিল জুঁই ফুলের মালা। পুরোদস্তুর দেশি সাজেই হাজির ছিলেন তিনি।
বিজয়ের সঙ্গে তৃষার প্রেমের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। নির্বাচনি প্রচারের সময়ও সে সম্পর্ক নিয়ে চর্চা কম হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাই বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি সাংবাদিকদের নজর কাড়ে।
তৃষা অবশ্য সাংবাদিকদের কৌতূহল মেটানোর জন্য খুব একটা মুখ খোলেননি। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে সাংবাদিকরা ঘিরে ধরলে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি শুধু বলেন, ‘ধন্যবাদ, এই মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।’

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, মা উমা কৃষ্ণানের সঙ্গে শপথ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন তৃষা। দর্শক আসনের যেখানে বিজয়ের পরিবার ও খ্যাতনামা অতিথিরা ছিলেন, সেখানেই বসেন তৃষা ও তার মা। শপথ গ্রহণের পর্ব মিটতেই মানুষের ঢলের মাঝে আটকে পড়েন তৃষা। তাকে দেখে অনুরাগীরা ছুটে যান এবং ঘিরে ধরেন। তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে ওঠেন সবাই। তবে মেজাজ হারাননি তৃষা। মুখে হাসি রেখেই জনতার ঢল থেকে বেরিয়ে আসেন ধীরে ধীরে।
এর আগে অবশ্য সকালেও তৃষার বাড়ির সামনে পৌঁছে যান ছবিশিকারিরা। বাড়ি থেকে বেরোতেই তাদের মুখোমুখি হন অভিনেত্রী। ‘উদগ্রীব হয়ে আছি’— তখনো এর চেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি। নিজেদের সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়েও এখনো নীরব তৃষা-বিজয় দুজনেই।
এর আগে দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজয় ও তৃষাকে ঘিরে নানা আলোচনা চলে আসছে। তামিল সিনেমার জনপ্রিয় এই জুটিকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ব্যক্তিগত আয়োজনে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় সম্পর্কের গুঞ্জন জোরালো হয়। বিশেষ করে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন ও বিচ্ছেদসংক্রান্ত গুঞ্জনের পর বিষয়টি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়েছে কয়েকগুণ।
এর মধ্যে তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে তৃষাকে মন্দিরে প্রার্থনা করতে দেখা যায়। ভক্ত-অনুরাগীদের অনুমান, বিজয়ের জন্যই প্রার্থনা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

এ ছাড়া গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন বিজয়ের দল যখন ১০০ আসনের মাইলফলক স্পর্শ করে, ওই সময় তৃষাকে দেখা গেছে বিজয়ের বাসভবনে। ঘটনাচক্রে দিনটি ছিল তৃষার জন্মাদন। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একে ভিন্নভাবেই দেখেন বিশ্লেষকরা।
কেবল তৃষা-বিজয়ের প্রেমের গুঞ্জন নয়, তৃষার রাজনীতিতে যোগদান নিয়েও জল্পনাকল্পনা থেমে নেই। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া বিজয় বিধানসভা নির্বাচনে জয় পেয়েছেন দুটি আসনে। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন তাকে ছেড়ে দিতে হবে। শোনা যাচ্ছে, সেই শূন্য আসনে তৃষাকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা করছে বিজয়ের দল টিভিকে।
বিজয়-তৃষার সম্পর্কের গুঞ্জন তারকা জগতেও আলোচনার বিষয়বস্তু। তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাখি সাওয়ান্ত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিজয় ও তৃষার বিয়ে করে নেওয়া উচিত। আমি ওদের মেহন্দি অনুষ্ঠানে যাব।’
দক্ষিণী সিনেমায় বিজয় ও তৃষা দুজনে আলাদা করেই জনপ্রিয়তার শীর্ষ স্পর্শ করেছেন। ২০০৪ সালে ‘ঘিল্লি’ মুভিতে প্রথম জুটি বাঁধেন তারা। সে জুটিও দর্শকপ্রিয়তা পায়। পরের বছরই সুপার হিট সিনেমা ‘থিরুপাচ্চি’ উপহার দেয় এই জুটি। ২০০৬ সালে ‘আথাই’ ও ২০০৮ সালে ‘কুরুভি’ সিনেমাতেও জুটি হয়েছিলেন তারা।

ওই সময়ও বিজয়-তৃষার প্রেমের গুঞ্জন ছিল। বিবাহিত বিজয়ের বাড়িতে এ নিয়ে তৈরি হয় অসন্তোষ। পরে ১৫ বছর আর তারা দুজন কোনো সিনেমায় জুটিবদ্ধ হননি। শেষ পর্যন্ত সে বিরতি ভাঙে ২০২৩ সালে ‘লিও’ সিনেমা দিয়ে। সে সিনেমাও ছিল সুপারহিট। তখন থেকেই ফের তৃষা-বিজয় জুটি নিয়ে পর্দার বাইরের জল্পনা বাড়তে থাকে।

হান্টাভাইরাস আক্রান্ত আট ব্যক্তির শরীরে ভাইরাসটির অ্যান্ডিজ স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। হান্টাভাইরাস সাধারণত মানুষ থেকে মানুষে খুব কম ছড়ালেও এর অ্যান্ডিজ স্ট্রেইনই মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম হান্টাভাইরাসের একমাত্র ধরন।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানকে এনভিডিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এআই চিপ এইচ-২০০ কেনার অনুমোদন দিয়েছে। তবে অনুমোদন মিললেও এখন পর্যন্ত একটি চিপও সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি। ফলে বহুল আলোচিত এই প্রযুক্তি চুক্তি এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের সঙ্গে এই সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার, অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা, যাদের মধ্যে টেসলার ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং রয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারি পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ, মহিষের বাছুর এবং খোজা মহ
৫ ঘণ্টা আগে