
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন যুক্তরাষ্ট্র নেবে, যার মাধ্যমে তারা ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ বনে যাবে। শুধু তাই নয়, সেই দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে অর্থও আদায় করবে।
দ্য গার্ডিয়ান ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এ দাবির বিপরীতে আগের মতোই নতুন করে অনড় অবস্থান তুলে ধরেছে ইরান। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় শুধু যুক্তরাষ্ট্র কেন, অন্য কারও কোনো ধরনের হস্তক্ষেপই তারা মেনে নেবে না।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি এখন উন্মুক্ত। তিনি আরও লেখেন, ইরান থাকুক বা না থাকুক, এটি উন্মুক্তই থাকবে।
একই পোস্টে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ (ব্লকেড) কার্যকর করবে। তার ভাষায়, এ অবরোধের ফলে কেবল ইরানের জাহাজ বা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা গ্রাহকদের কোনো জাহাজ বন্দর ব্যবহার করতে পারবে না। অন্য সব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে হরমুজ প্রণালির অভিভাবক হিসেবে পরিচয় দেবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে ব্যয় হবে, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
পরে ফক্স নিউজের ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস অনুষ্ঠানে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারেও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। বলেন, ‘আমরাই (হরমুজ) প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেব। তাদের (ইরানের) হাতে কিছুই নেই।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা প্রণালিটি পাহারা দেবো এবং সেই পাহারার জন্য আমাদের অনেক অর্থ দেওয়া হবে। অন্য দেশগুলো খুবই ধনী, তারা আমাদের পক্ষেই আছে। বিনা মূল্যে আমরা এই দায়িত্ব পালন করতে পারি না।’
আরেক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করবে এবং এর ‘অভিভাবক’ হয়ে উঠবে। এমনকি তিনি মজা করে বলেন, এর নাম ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেইট’ও রাখা যেতে পারে। তবে যে নামই দেওয়া হোক, এই দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের এ ঘোষণার কঠোর জবাব দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ যৌথ সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’ এক বিবৃতিতে বলেছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ইরান কখনোই মেনে নেবে না।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অনুমতি ছাড়া এবং ইরানের নির্ধারিত নৌ পথের বাইরে থেকে যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন ঘটায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোকেও সতর্ক করে ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ধরনের সহযোগিতা বা লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হলে সেটিকে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, যদি এই সংঘাত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে যুদ্ধের আগুন মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশকেই গ্রাস করবে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন যুক্তরাষ্ট্র নেবে, যার মাধ্যমে তারা ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ বনে যাবে। শুধু তাই নয়, সেই দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছ থেকে অর্থও আদায় করবে।
দ্য গার্ডিয়ান ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এ দাবির বিপরীতে আগের মতোই নতুন করে অনড় অবস্থান তুলে ধরেছে ইরান। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় শুধু যুক্তরাষ্ট্র কেন, অন্য কারও কোনো ধরনের হস্তক্ষেপই তারা মেনে নেবে না।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি এখন উন্মুক্ত। তিনি আরও লেখেন, ইরান থাকুক বা না থাকুক, এটি উন্মুক্তই থাকবে।
একই পোস্টে ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ (ব্লকেড) কার্যকর করবে। তার ভাষায়, এ অবরোধের ফলে কেবল ইরানের জাহাজ বা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা গ্রাহকদের কোনো জাহাজ বন্দর ব্যবহার করতে পারবে না। অন্য সব দেশের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে হরমুজ প্রণালির অভিভাবক হিসেবে পরিচয় দেবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে ব্যয় হবে, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে। এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
পরে ফক্স নিউজের ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস অনুষ্ঠানে দেওয়া টেলিফোন সাক্ষাৎকারেও একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। বলেন, ‘আমরাই (হরমুজ) প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেব। তাদের (ইরানের) হাতে কিছুই নেই।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা প্রণালিটি পাহারা দেবো এবং সেই পাহারার জন্য আমাদের অনেক অর্থ দেওয়া হবে। অন্য দেশগুলো খুবই ধনী, তারা আমাদের পক্ষেই আছে। বিনা মূল্যে আমরা এই দায়িত্ব পালন করতে পারি না।’
আরেক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করবে এবং এর ‘অভিভাবক’ হয়ে উঠবে। এমনকি তিনি মজা করে বলেন, এর নাম ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেইট’ও রাখা যেতে পারে। তবে যে নামই দেওয়া হোক, এই দায়িত্ব পালনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের এ ঘোষণার কঠোর জবাব দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ যৌথ সামরিক কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’ এক বিবৃতিতে বলেছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ইরান কখনোই মেনে নেবে না।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অনুমতি ছাড়া এবং ইরানের নির্ধারিত নৌ পথের বাইরে থেকে যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন ঘটায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোকেও সতর্ক করে ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনো ধরনের সহযোগিতা বা লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হলে সেটিকে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, যদি এই সংঘাত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে যুদ্ধের আগুন মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশকেই গ্রাস করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
১ দিন আগে
র্যাঞ্চো পালোস ভার্দেস এলাকার ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ কোর্স থেকে একটি পিস্তল ও অবৈধ গোলাবারুদসহ আটক করা হয় ৩৮ বছর বয়সী জেনিন জন টায়েলকে আটক করা হয় বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
১ দিন আগে