
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘গতকাল আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হেনেছি এবং আজও আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি এবং আমরা দেখব চুক্তিটির কী হয়।’
বুধবার (১০ জুন) র্যাপিড রেসপন্স নামে হোয়াইট হাউজের একটি অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই হুমকি ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালেও দিয়েছিলেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু ওরা আমাদের ঝুলিয়ে রাখছে। ওরা আমাদের বোকা বানাচ্ছে, কারণ জানেন কি? ওরা এর আগে কিছু খুবই বোকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করেছে।’
এর আগে ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী ‘সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে বিপর্যস্ত’। তাদের নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীর ‘আর কার্যত অস্তিত্বই নেই’। তারা সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছে।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ইরান শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়ায়, কাজে কিছুই করে না। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ছড়ি ঘোরানোর এই শক্তি মৃত!!! তারা (ইরান) এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে খুব বেশি সময় নিয়েছে, যা তাদের জন্য দারুণ হতো। এখন তাদের এর মূল্য দিতে হবে!!!’
শান্তিচুক্তির জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করে ইরান। তার জবাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানও ফের হামলা চালিয়েছে। ফলে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে ইরান যুদ্ধ।
নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের বান্দার আব্বাস, জাস্ক, কেশম ও সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। জবাবে ইরান জর্ডান, কুয়েথ ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পালটাপালটি হামলায় যুদ্ধ আবারও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার বলেছে, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আরও মার্কিন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার চলমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ইরানের গণমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো পরস্পরবিরোধী বার্তা এবং বারবার অবস্থান ও দাবি পরিবর্তন দুর্ভাগ্যজনক। আর বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করাটা সবচেয়ে খারাপ। বলপ্রয়োগ ও স্থলভাগে বেআইনি কার্যকলাপের আশ্রয় নেওয়ার মাধ্যমে যেকোনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘গতকাল আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হেনেছি এবং আজও আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি এবং আমরা দেখব চুক্তিটির কী হয়।’
বুধবার (১০ জুন) র্যাপিড রেসপন্স নামে হোয়াইট হাউজের একটি অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একই হুমকি ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালেও দিয়েছিলেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম। কিন্তু ওরা আমাদের ঝুলিয়ে রাখছে। ওরা আমাদের বোকা বানাচ্ছে, কারণ জানেন কি? ওরা এর আগে কিছু খুবই বোকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করেছে।’
এর আগে ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী ‘সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে বিপর্যস্ত’। তাদের নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীর ‘আর কার্যত অস্তিত্বই নেই’। তারা সম্পূর্ণভাবে পরাজিত হয়েছে।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ইরান শুধু কথার ফুলঝুরি ছড়ায়, কাজে কিছুই করে না। মধ্যপ্রাচ্যের ওপর ছড়ি ঘোরানোর এই শক্তি মৃত!!! তারা (ইরান) এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে খুব বেশি সময় নিয়েছে, যা তাদের জন্য দারুণ হতো। এখন তাদের এর মূল্য দিতে হবে!!!’
শান্তিচুক্তির জন্য ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করে ইরান। তার জবাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানও ফের হামলা চালিয়েছে। ফলে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে ইরান যুদ্ধ।
নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলার পর ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের বান্দার আব্বাস, জাস্ক, কেশম ও সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। জবাবে ইরান জর্ডান, কুয়েথ ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। পালটাপালটি হামলায় যুদ্ধ আবারও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার বলেছে, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আরও মার্কিন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার চলমান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ইরানের গণমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো পরস্পরবিরোধী বার্তা এবং বারবার অবস্থান ও দাবি পরিবর্তন দুর্ভাগ্যজনক। আর বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের মাধ্যমে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করাটা সবচেয়ে খারাপ। বলপ্রয়োগ ও স্থলভাগে বেআইনি কার্যকলাপের আশ্রয় নেওয়ার মাধ্যমে যেকোনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহের প্রদেশের জামে এলাকায় ড্রোনটি লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। ড্রোনটি ভূপাতিত করতে আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
২ দিন আগে
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ভেবেছিলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে দেওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠী তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি স্থিতিশীল এবং কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
২ দিন আগে
আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় অভিযোগ করেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী আবারও আফগান আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সাইরেন বাজানো হয়েছে। নাগরিক ও বাসিন্দাদের শান্ত থাকতে এবং নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।’
২ দিন আগে