
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর ছাড় দেয়নি ইরান। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। এবার ইরানের প্রভাবশালী বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক নৌ যান চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে আন্তর্জাতিক একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের আদেশ জারি করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌ মিশন অপারেশন অ্যাসপাইডসের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে ভিএইচএফ রেডিওতে বারবার সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে— কোনো জাহাজকে প্রণালী অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।
এ সতর্কবার্তা ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সতর্কতা অবলম্বন ও বিকল্প রুট বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংকটে হরমুজ প্রণালীর আলোচনায় আসা নতুন কিছু নয়। এর আগেও ইসরায়েলি হামলা কিংবা মার্কিন হুমকি ও চাপের মুখে ইরান এই প্রণালী বন্ধ করেছে, যেটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি করিডোর হিসেবে পরিচিত। ইরান এই প্রণালীর উত্তর উপকূল নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের আঞ্চলিক জলসীমা এই নৌ পথের একটি অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বলছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানির প্রধান পথ এটি। ফলে এই রুটে যেকোনো বিঘ্ন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, বিমা খরচ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান সত্যি সত্যি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। এতে করে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ হামলার পর ছাড় দেয়নি ইরান। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। এবার ইরানের প্রভাবশালী বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক নৌ যান চলাচলের জন্য বন্ধ থাকবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে আন্তর্জাতিক একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে কার্যকর হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধের আদেশ জারি করেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌ মিশন অপারেশন অ্যাসপাইডসের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোকে ভিএইচএফ রেডিওতে বারবার সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে— কোনো জাহাজকে প্রণালী অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।
এ সতর্কবার্তা ইরানের বিপ্লবী গার্ডের পক্ষ থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সতর্কতা অবলম্বন ও বিকল্প রুট বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংকটে হরমুজ প্রণালীর আলোচনায় আসা নতুন কিছু নয়। এর আগেও ইসরায়েলি হামলা কিংবা মার্কিন হুমকি ও চাপের মুখে ইরান এই প্রণালী বন্ধ করেছে, যেটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি করিডোর হিসেবে পরিচিত। ইরান এই প্রণালীর উত্তর উপকূল নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের আঞ্চলিক জলসীমা এই নৌ পথের একটি অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য বলছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে। সৌদি আরব, ইরান, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল রপ্তানির প্রধান পথ এটি। ফলে এই রুটে যেকোনো বিঘ্ন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, বিমা খরচ ও সামুদ্রিক নিরাপত্তায় তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান সত্যি সত্যি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। এতে করে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের দাম বেড়ে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৩ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৭ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
২১ ঘণ্টা আগে