
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে পরবর্তী ৬০ দিনে দুই দেশের একটি স্থায়ী চুক্তিতে উপনীত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমঝোতার এ শর্তের কথা মনে করিয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে হরমুজ প্রণালিতে টোল বা শুল্ক আরোপ করবে খোদ যুক্তরাষ্ট্র!
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিয়ে যখন এমন হুমকি দিচ্ছেন ঠিক সেই সময়েই ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের দখলেই রয়েছে। এমনকি লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলার কারণে হরমুজ প্রণালি তারা ফের বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) অবশ্য দাবি করেছে, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ক্যাম্প ডেভিডে অবকাশে থাকা অবস্থায় ট্রাম্প লিখেছেন, চুক্তি সম্পন্ন না হলে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ বা অভিভাবক হিসেবে যে পরিষেবা যুক্তরাষ্ট্র অতীতে দিয়েছে, এখন দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে দেবে, তার খরচ তুলতে টোল আরোপ করা হবে।
এই পরিষেবা বলতে ট্রাম্প সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে যাতায়াত করতে সাহায্য করছে। তার দাবি অনুযায়ী, জুনের শুরুতে একটি গোপন অভিযানের মাধ্যমে ওই জলপথ দিয়ে ২০০টিরও বেশি জাহাজে করে ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় এই নৌ পথে বিশ্বের দৈনিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো। যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইরান কার্যত নৌ পথটি বন্ধ করে দেয়। তাতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। অপরিশোধিত তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) যুদ্ধের আগের প্রায় ৬৫ ডলার থেকে ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো নানা দেনদরবার করেও হরমুজ প্রণালি খুলতে পারেনি। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এ রুটটি মূলত নিয়ন্ত্রণ করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। নৌ পথটিকে ইরান বলতে গেলে তাদের কৌশলগত হাতিয়ারে পরিণত করে।
গত বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে তাতে উল্লেখ করা ১৪ দফার অন্যতম ছিল এই হরমুজ প্রণালি। স্মারকে বলা হয়, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে উপনীত হওয়ার আগ পর্যন্ত সময় হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে এবং জাহাজ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করবে।
শনিবার সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস উইকেন্ডে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স দাবি করেন, আগের ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই জলপথ দিয়ে পার হয়েছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের যে বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলেছিলেন, তার একটি ছিল এই প্রণালিটি খুলে দেওয়া। সেটি এখন সম্পন্ন হয়েছে।
তবে এ দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত তথ্য দিয়েছে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় তারা এই নৌ পথটি আবারও বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি খবর দিয়েছে, দেশটির ‘খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’ এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার স্মারকপত্রের প্রথম অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন না করে স্পষ্ট চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি পক্ষ প্রতিনিয়ত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে। এর জবাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে রোববার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জে ডি ভ্যান্স, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে পরবর্তী ৬০ দিনে দুই দেশের একটি স্থায়ী চুক্তিতে উপনীত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমঝোতার এ শর্তের কথা মনে করিয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে হরমুজ প্রণালিতে টোল বা শুল্ক আরোপ করবে খোদ যুক্তরাষ্ট্র!
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি নিয়ে যখন এমন হুমকি দিচ্ছেন ঠিক সেই সময়েই ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, হরমুজের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের দখলেই রয়েছে। এমনকি লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলার কারণে হরমুজ প্রণালি তারা ফের বন্ধ করে দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) অবশ্য দাবি করেছে, হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ক্যাম্প ডেভিডে অবকাশে থাকা অবস্থায় ট্রাম্প লিখেছেন, চুক্তি সম্পন্ন না হলে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর জন্য ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ বা অভিভাবক হিসেবে যে পরিষেবা যুক্তরাষ্ট্র অতীতে দিয়েছে, এখন দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে দেবে, তার খরচ তুলতে টোল আরোপ করা হবে।
এই পরিষেবা বলতে ট্রাম্প সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে যাতায়াত করতে সাহায্য করছে। তার দাবি অনুযায়ী, জুনের শুরুতে একটি গোপন অভিযানের মাধ্যমে ওই জলপথ দিয়ে ২০০টিরও বেশি জাহাজে করে ১০ কোটি ব্যারেলেরও বেশি তেল নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই আলোচনায় রয়েছে হরমুজ প্রণালি। যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অবস্থায় এই নৌ পথে বিশ্বের দৈনিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো। যুদ্ধ শুরুর পরপরই ইরান কার্যত নৌ পথটি বন্ধ করে দেয়। তাতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে পড়ে। অপরিশোধিত তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম (ব্রেন্ট ক্রুড) যুদ্ধের আগের প্রায় ৬৫ ডলার থেকে ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপীয় দেশগুলো নানা দেনদরবার করেও হরমুজ প্রণালি খুলতে পারেনি। বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এ রুটটি মূলত নিয়ন্ত্রণ করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। নৌ পথটিকে ইরান বলতে গেলে তাদের কৌশলগত হাতিয়ারে পরিণত করে।
গত বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে তাতে উল্লেখ করা ১৪ দফার অন্যতম ছিল এই হরমুজ প্রণালি। স্মারকে বলা হয়, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে উপনীত হওয়ার আগ পর্যন্ত সময় হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে এবং জাহাজ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করবে।
শনিবার সকালে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস উইকেন্ডে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স দাবি করেন, আগের ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই জলপথ দিয়ে পার হয়েছে। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের যে বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে বলেছিলেন, তার একটি ছিল এই প্রণালিটি খুলে দেওয়া। সেটি এখন সম্পন্ন হয়েছে।
তবে এ দাবির সম্পূর্ণ বিপরীত তথ্য দিয়েছে ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড। লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত থাকায় তারা এই নৌ পথটি আবারও বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি খবর দিয়েছে, দেশটির ‘খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স’ এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ করার স্মারকপত্রের প্রথম অনুচ্ছেদ বাস্তবায়ন না করে স্পষ্ট চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি পক্ষ প্রতিনিয়ত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে চলেছে। এর জবাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলো।
চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে রোববার সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনায় ইরানের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অন্যদিকে মার্কিন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জে ডি ভ্যান্স, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
২ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে