
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে হারলেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ পদত্যাগ করবেন না বলে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, তারা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই আজকের দিনটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকুক। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে হোক। সব রেকর্ড থাকুক।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, বুধবার (৬ মে) দলের বিধায়কদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মমতা এ কথা বলেন। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তার দল হেরে গেছে।
সোমবার (৪ মে) এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় নিয়ে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি৷ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা মমতার তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। এক আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে।
ভোটের দিন রাতেই মমতা ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, শতাধিক আসনে তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারচুপির এ ফলাফল তিনি মেনে নেবেন না। মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়বেন না।
বুধবারও বিধায়কদের বৈঠকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন তিনি। এদিকে আজ বৃহস্পতিবারই (৭ মে) তার রাজ্য সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আগামী শনিবার (৯ মে) বিজেপি সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এ অবস্থায় মমতা 'বেঁকে বসা'য় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে আইনি জটিলতার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ নির্বাচনে পরাজিত মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে কী করণীয়, সে বিষয়ে ভারতের সংবিধান বা নির্বাচন বিধিমালায় সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই।
আইন বলছে, বিধানসভার আস্থা না থাকলে কোনো মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে পারেন না। সে অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় মমতা সে আস্থা হারিয়েছেন। এখন রাজ্যপাল নতুন সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
এ পরিস্থিতিতে মমতা পদত্যাগ না করলে সম্ভাব্য দুটি পথ খোলা আছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী আইনত রাজ্যপালের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে পদে থাকেন এবং বর্তমান বিধানসভা ভেঙে না দেওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকতে পারেন। ফলে রাজ্যপাল চাইলে মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন।
দ্বিতীয় বিকল্প বলো রাষ্ট্রপতি শাসন।অর্থাৎ 'যৌক্তিক' কোনো পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রপতি রাজ্যেত শাসনভার নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় কী ঘটবে, তা জানার জন্য আর কিছু সময় অপেক্ষা করতেই হবে।
এদিকে মমতা নিজে কেবল নন, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দলের বাকি নেতাদেরও সরব থাকতে বলেছেন। তেমন অবস্থান না নিলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
মমতা সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলা নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি ‘ডিসিপ্লিনারি কমিটি’ গঠন করবেন। আরও বলেছেন, যারা অন্তর্ঘাত করছে, তাদের নাম দিন।
রাজপথের লড়াইয়ে দলকে সক্রিয় রাখতে নতুন বিধানসভার প্রথম দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা জানান, গত ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে আদালতে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বলেন, নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাব। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যাব। আমিও একদিন একা ছিলাম, ঘুরে দাঁড়িয়েছি। দলও ঘুরে দাঁড়াবে
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার কথা অস্বীকার করেছেন।
শুভেন্দু বলেন, এখন পর্যন্ত যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটেছে, তা ২০২১ সালের তুলনায় অনেক কম। কিছু দুষ্কৃতকারী এখনো সক্রিয় আছে, তবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে হারলেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ পদত্যাগ করবেন না বলে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, তারা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই আজকের দিনটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকুক। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হলে হোক। সব রেকর্ড থাকুক।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, বুধবার (৬ মে) দলের বিধায়কদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মমতা এ কথা বলেন। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তার দল হেরে গেছে।
সোমবার (৪ মে) এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৬টিতে জয় নিয়ে এ রাজ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি৷ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকা মমতার তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। এক আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে।
ভোটের দিন রাতেই মমতা ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায় বলেছিলেন, শতাধিক আসনে তাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারচুপির এ ফলাফল তিনি মেনে নেবেন না। মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়বেন না।
বুধবারও বিধায়কদের বৈঠকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন তিনি। এদিকে আজ বৃহস্পতিবারই (৭ মে) তার রাজ্য সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আগামী শনিবার (৯ মে) বিজেপি সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এ অবস্থায় মমতা 'বেঁকে বসা'য় পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে আইনি জটিলতার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ নির্বাচনে পরাজিত মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে কী করণীয়, সে বিষয়ে ভারতের সংবিধান বা নির্বাচন বিধিমালায় সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই।
আইন বলছে, বিধানসভার আস্থা না থাকলে কোনো মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে পারেন না। সে অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় মমতা সে আস্থা হারিয়েছেন। এখন রাজ্যপাল নতুন সরকার গঠনের জন্য বিজেপিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
এ পরিস্থিতিতে মমতা পদত্যাগ না করলে সম্ভাব্য দুটি পথ খোলা আছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী আইনত রাজ্যপালের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে পদে থাকেন এবং বর্তমান বিধানসভা ভেঙে না দেওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকতে পারেন। ফলে রাজ্যপাল চাইলে মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন।
দ্বিতীয় বিকল্প বলো রাষ্ট্রপতি শাসন।অর্থাৎ 'যৌক্তিক' কোনো পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রপতি রাজ্যেত শাসনভার নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন।
আজ বৃহস্পতিবার মমতা সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় কী ঘটবে, তা জানার জন্য আর কিছু সময় অপেক্ষা করতেই হবে।
এদিকে মমতা নিজে কেবল নন, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দলের বাকি নেতাদেরও সরব থাকতে বলেছেন। তেমন অবস্থান না নিলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
মমতা সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলা নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একটি ‘ডিসিপ্লিনারি কমিটি’ গঠন করবেন। আরও বলেছেন, যারা অন্তর্ঘাত করছে, তাদের নাম দিন।
রাজপথের লড়াইয়ে দলকে সক্রিয় রাখতে নতুন বিধানসভার প্রথম দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা জানান, গত ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে আদালতে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বলেন, নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাব। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক আদালতে যাব। আমিও একদিন একা ছিলাম, ঘুরে দাঁড়িয়েছি। দলও ঘুরে দাঁড়াবে
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার কথা অস্বীকার করেছেন।
শুভেন্দু বলেন, এখন পর্যন্ত যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটেছে, তা ২০২১ সালের তুলনায় অনেক কম। কিছু দুষ্কৃতকারী এখনো সক্রিয় আছে, তবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

ইরানে নতুন করে আবারও হামলা শুরু করতে চায় দখলদার ইসরায়েল। ইহুদিবাদী ভূখণ্ডের সামরিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক নীতিনির্ধারকদের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স গতকাল বুধবার লোহিত সাগরে তাদের বিমানবাহী রণতরি বহর মোতায়েন করেছে। হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্ভাব্য একটি মিশনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ও তেহরানকে এই প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘তেহরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবটি বিবেচনা করছে, যা যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পথ খুলে দিতে পারে।’ তবে ওই প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি— বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের বিষয়টি এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক পথে হাঁটতে ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে এ ক্ষেত্রে ইরানের জনগণের অধিকার রক্ষার বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে