ইফতার পার্টি না করার যুক্তি হিসেবে সরকারি দল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, “করোনার প্রভাব ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সবার উপার্জন সমান নয়। তাই এ ধরনের পার্টি না করে এবং অপচয় কমিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ইফতার পার্টি না
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, লাগাতারভাবে ভুল নীতি ও ভুল কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে নিমজ্জিত। এখান থেকে উত্তরণের জন্য তাদের স্বভাবজাত পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা আরও গভীরে পড়ে যায়। বিএনপির রাজনীতি চরমভাবে দুর্দশাগ্রস্ত। ভুল রাজনীতির কারণে তাদের নেতাকর্মীরা হতাশাগ্
তিনি বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতে মানবসভ্যতার ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, সরকারের একার পক্ষে সর্বক্ষেত্রে সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য সমাজের বিবেকবান মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে। সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে। এটি অরাজনৈতিক মানুষরাও করতে পারে। সবাই যদি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করে তাহলে
কাদের বলেন, কুকি-চিন পুরো পাহাড়ে অশান্তি তৈরি করতে পারবে না। সরকার শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সার্বিকভাবে পাহাড়ে শান্তি বিঘ্নিত হবে না।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইদে ঘরে ফেরা মানুষের নিরাপত্তা দিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমূলক নানা উদ্যোগের কারণে এখন আর কোথায় যানজট নেই বললেই চলে। তবে সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতন হওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন কখনোই পূরণ হবে না। যেকোনো মূল্যে এই অপশক্তিকে আমরা প্রতিহত করে আমাদের সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রক্ষা করব। আমরা যেকোনো মূল্যে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করব। এটি আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। আমাদের লক্ষ্য
মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাজার অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু তাদের এই ডাকে দেশের কেউ সাড়া দেয়নি, এমনকি বিএনপির নেতাকর্মীরাও সাড়া দেয়নি। বাজার আমরা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। অনেক পণ্যের দামও কমেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে একটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিছু কিছু সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীটি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে নেই। শুধু আছে বান্দরবানে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কিছু তরুণ অস্ত্রশস্ত্রসহ মহড়া দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি অচিরেই পর
নির্বাচন ঠেকাতে ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সুখী সমৃদ্ধ দেশে পরিনত হয়েছে। আর জনগণের প্রতি যাদের কোনো দায়িত্ব-কর্তব্য নেই, সে বিএনপি-জামায়াত দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী ইফতার পার্টি বর্জন কর
তিনি বলেন, আমরা আমাদের বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমাদের এই এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বিএনপি-জামায়াত বারবার দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও অর্থনীতিতে বাধা দিচ্ছে। তারা দেশের মানুষের শান্তি, সম্প্রিতিকে বিনষ্ট করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে সাম্প্
গণতন্ত্র হত্যাকারীরা গণতন্ত্রের নামে মায়া কান্না কাঁদে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পঁচাত্তরের ঘটনায় নৃশংসতম হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় হন্তারক তারা।’
তিনি বলেন, আজকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যেই ভারত আমাদের শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে, আমাদের অস্ত্র দিয়ে, প্রশিক্ষণ দিয়ে আমাদের সাহায্য করেছে; বিএনপি-জামায়াত তাদের এখন বিরুদ্ধাচারণ করছে। বিদেশি শক্তির উস্কানি এবং প্রতিশ্রুতিতে এই অবস্থান নিয়ে থাকলেও এই আন্দোলনের কোনো ভবিষ্যৎ নাই। কারণ, দেশের একটি বিরাট জনগোষ্
এবার উপজেলা নির্বাচন দলীয় প্রতীকবিহীন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নে ড. হাছান বলেন, এবারে নির্বাচন দলীয় প্রতীকবিহীন ও উন্মুক্ত প্রার্থিতায় হবে। এটি নতুন নয়। দলীয় প্রতীকবিহীন উপজেলা নির্বাচন এবারেই প্রথম নয়। আগে উপজেলা নির্বাচনগুলো দলীয় প্রতীকবিহীনই হতো, শুধু গতবারই দলীয় প্রতীকে হয়েছে। এবং নির্বাচ
নাছিম বলেন, গত ৭ জানুয়ারি দেশে একটি অবাধ সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে জনপ্রিয়তা না থাকায় বিএনপি জামায়াত অংশগ্রহণ করেনি। তারা জানে দেশের মানুষ তাদের ভোট দিবে না। স্থানীয় নির্বাচনে আমরা চাই জনপ্রিয় ভালো মানুষ নির্বাচিত হোক। আওয়ামী লীগ চায় নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণে প্রতি
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সংকট নেই। রাজনীতির বিরোধিতার জন্যই অনেকে নিরাপত্তাহীনতার কথা বলছে।’ বুধবার (৩ এপ্রিল) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।