এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অহেতুক ১৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। এর কোনো প্রতিফলন খালগুলোতে দেখছেন, না পানি নিষ্কাশনে দেখছেন? চট্টগ্রামে একটু বৃষ্টি হলে এখনো ডুবে যাচ্ছে। সুতরাং আগে কী হয়েছে সেটি বলার দরকার হয় না।
জনগণকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতে জনগণের নির্বাচিত সরকার দরকার মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদানের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা উচিত এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের সামনে আনার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিগত কয়েক বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে গণসংহতি আন্দোলন সক্রিয় থাকলেও ৫ আগস্টের পর নির্বাচন ও সংস্কার প্রশ্নে দল দুটির মধ্যে কিছু মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় বিএনপির সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের জোট হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ইসলামি দলগুলোর নেতারা বলছেন, দেশে পট পরিবর্তনের পর রাজনীতিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরির সুযোগ এসেছে বলে তারা মনে করছেন। এই সুযোগ কাজে লাগাতে চান তারা। সে জন্য তারা ইসলামপন্থিদের ঐক্য বা একটি জোট গঠনের তাগিদ অনুভব করছেন।
দলের সূত্রগুলো বলছে, প্রায় চার মাস পর দেশে ফেরার জন্য খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে এখন প্রস্তুত। আগামী ৪ মে তার সঙ্গে বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা সৈয়দা শামিলা রহমানেরও দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, আশ্চর্য হতে হয় কিছু কিছু ছেলে বলে, ১৭ বছর বিএনপি কী করছে! এটা যারা বলে তারা মিথ্যার সাগরে বসবাস করে। তারা বিএনপিকে কৃতিত্ব (ক্রেডিট) দিতে চায় না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক করিডোর নিয়ে কোনো আলোচনাই রাজনৈতিক দল কিংবা জনগণের সঙ্গে করেনি। তার মতে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসা উচিত নির্বাচিত সংসদের কাছ থেকে, কোনো বিদেশি শক্তি বা অনির্বাচিত গোষ্ঠীর কাছ থেকে নয়।
ঢাকার নয়াপল্টনে মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। বৃহস্পতিবার (১ মে) বেলা ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নয়াপল্টন এলাকা দলটির নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ‘দেশে নির্বাচিত সরকার না থাকায় ফের ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করতে হলে এখন দেশে নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।’
বৃহস্পতিবার (১ মে) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের সরকারি ছুটি। এই তিন দিনে রাজধানী ঢাকায় পাঁচটি দল ও সংগঠন পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করে রাজধানীতে ব্যাপক জনসমাগমের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যাদের ভয় পেয়েছে, তাদেরই গুম করেছে। ১৭০০ মানুষকে গুম করা হয়েছে। ৭ থেকে ৮ বছর পর্যন্ত তাদের আটকে রাখা হয়েছে। গোলাম আযমের ছেলে ফারুক-ই-আজমকে ৮ বছর গুম করে রাখা হয়েছে। সিলেটের এমপি ইলিয়াসের এখনো খবর পায়নি তার পরিবার।’
সংস্কার ও নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের প্রধান দায়িত্ব একটা নির্বাচন করা৷ সবাই মিলে আমরা অধ্যাপক ইউনুস সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি অনেক জ্ঞানী ও নোবেলবিজয়ী মানুষ, তবে রাজনীতিবিদ নন৷ গত ১৫ বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এখন একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে৷ দেশের স্বার্থে, মানুষ
মির্জা ফখরুল বলেন, তারা (চীন) সবসময় বাংলাদেশের স্ট্যাবিলিটি আাশা করে। তারা একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ দেখতে চায়, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায়। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ (ডেমোক্রেটিক এনভায়রনমেন্ট) দেখতে চায়।
ফ্যাসিবাদের বিচারকদেরও বিচার হওয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা নুরেমবাগ ট্রায়ালে দেখেছি- হিটলারের আদালতের যারা বিচারক ছিলেন, কোনো ধরনের যুক্তির কথা না শুনে হিটলারের কথায় লাখ লাখ কয়েদিকে পুড়িয়ে মারার যারা সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তাদের বিচার করেছেন। তাদের যদি বিচার হতে পারে, তাহলে আজকে শেখ হাসিনার আমল
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, যারা চাকরি পাননি তাদের জন্য একটি শিক্ষিত বেকার ভাতার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি আমরা। এক বছরের জন্য এই ভাতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে সরকার তাদের কর্মসংস্থানের জন্য চেষ্টা করবে। শিক্ষিত বেকাররাও নিজেদের মতো করে কর্মসংস্থানের চেষ্টা করবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দ্রুত নির্বাচনের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বুধবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন মির্জা আব্বাস।