
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই জাতীয় সনদের যে চূড়ান্ত রূপ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠিয়েছে, তাতে বিভিন্ন দলের উত্থাপন করা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
এর বাইরে সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আখতার হোসেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যে গণভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে, সেটি পরিষ্কার হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্টের একটি সংজ্ঞা প্রয়োজন এবং যেভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, সেই পথনকশা এবং গণভোট প্রসঙ্গ স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ‘অতি জরুরি’ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যের একটি জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে, তার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন আখতার হোসেন। বলেন, আজকের এই দিনে আমরা এক হতে পেরেছি এমন এক অবস্থানে, যেন বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে। বাংলাদেশ যেন জবাবদিহিতাপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হতে পারে, সে বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো এক অভূতপূর্ব পদ্ধতিতে সুন্দর ও সহনশীল পরিবেশের মধ্য দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রণয়নের দিকে এগিয়েছে।
তবে শেষ মুহূর্তে এসে জুলাই সনদ নিয়ে তার দলের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আখতার। বলেছেন, জাতিকে অস্পষ্ট রেখে কোনো উদ্যোগ সফল করা সম্ভব নয়। এ সময় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি সুস্পষ্ট ও সুনির্ধারিত করার দিকে সবাইকে মনোযোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আখতার বলেন, আমরা প্রস্তাব দিয়েছি— ‘জুলাই আদেশ’ বা ‘সাংবিধানিক সংস্কার আদেশে’র মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হোক। যে নামেই সেটি করা হোক না কেন, আমরা সেটিকে বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা মনে করি, প্রধান উপদেষ্টা এ আদেশ জারি করবেন। জনগণের মধ্য দিয়ে যে অভিপ্রায় এরই মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে, তাকে বাস্তব রূপ দিতে তিনিই এ আদেশ বাস্তবায়ন করবেন।
গণভোট প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা যে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছি, সেই গণভোটের প্রশ্ন এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। গণভোটের দিন-তারিখসহ বিষয়গুলো জাতির কাছে এবং আমাদের কাছেও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
আখতার আরও বলেন, আমরা সংবিধানের এতগুলো মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের যে প্রস্তাব করেছি, তা শুধু সংশোধনের মাধ্যমে টেকসই করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত। তাই মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কার সই করার পরই পরবর্তী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ক্ষমতার অধিকারী হবেন। সংসদ সদস্যরা ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ারে’র দায়িত্ব পাবেন— এ বিষয়টিও আমাদের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই জাতীয় সনদের যে চূড়ান্ত রূপ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠিয়েছে, তাতে বিভিন্ন দলের উত্থাপন করা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
এর বাইরে সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আখতার হোসেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যে গণভোট আয়োজনের কথা বলা হয়েছে, সেটি পরিষ্কার হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেন, ‘নোট অব ডিসেন্টের একটি সংজ্ঞা প্রয়োজন এবং যেভাবে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে, সেই পথনকশা এবং গণভোট প্রসঙ্গ স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ‘অতি জরুরি’ বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যের একটি জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে, তার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন আখতার হোসেন। বলেন, আজকের এই দিনে আমরা এক হতে পেরেছি এমন এক অবস্থানে, যেন বাংলাদেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে। বাংলাদেশ যেন জবাবদিহিতাপূর্ণভাবে গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হতে পারে, সে বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলো এক অভূতপূর্ব পদ্ধতিতে সুন্দর ও সহনশীল পরিবেশের মধ্য দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রণয়নের দিকে এগিয়েছে।
তবে শেষ মুহূর্তে এসে জুলাই সনদ নিয়ে তার দলের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আখতার। বলেছেন, জাতিকে অস্পষ্ট রেখে কোনো উদ্যোগ সফল করা সম্ভব নয়। এ সময় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি সুস্পষ্ট ও সুনির্ধারিত করার দিকে সবাইকে মনোযোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আখতার বলেন, আমরা প্রস্তাব দিয়েছি— ‘জুলাই আদেশ’ বা ‘সাংবিধানিক সংস্কার আদেশে’র মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হোক। যে নামেই সেটি করা হোক না কেন, আমরা সেটিকে বাস্তবায়নের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা মনে করি, প্রধান উপদেষ্টা এ আদেশ জারি করবেন। জনগণের মধ্য দিয়ে যে অভিপ্রায় এরই মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে, তাকে বাস্তব রূপ দিতে তিনিই এ আদেশ বাস্তবায়ন করবেন।
গণভোট প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা যে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছি, সেই গণভোটের প্রশ্ন এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। গণভোটের দিন-তারিখসহ বিষয়গুলো জাতির কাছে এবং আমাদের কাছেও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
আখতার আরও বলেন, আমরা সংবিধানের এতগুলো মৌলিক বিষয় পরিবর্তনের যে প্রস্তাব করেছি, তা শুধু সংশোধনের মাধ্যমে টেকসই করা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত। তাই মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কার সই করার পরই পরবর্তী নির্বাচিত প্রতিনিধিরা ক্ষমতার অধিকারী হবেন। সংসদ সদস্যরা ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ারে’র দায়িত্ব পাবেন— এ বিষয়টিও আমাদের কাছে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে প্রিয় দেশ ও জাতিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আসুন সবার জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাই।’
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে এবং এই আন্দোলনকে তিলে তিলে সফলতার দিকে নিয়ে যেতে হবে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি এখন গর্ব করে বলে— একাত্তরও তাদের, নব্বইও তাদের, চব্বিশও তাদের। সবকিছু তাদের, আর কারও কিছু নাই। একাত্তরে তো বিএনপির জন্মই হয়নি, একাত্তর তাদের হয় কীভাবে!’
৩ দিন আগে
জামায়াতের আমির দাবি করেন, জুলাই জাদুঘর জনগণের সম্পদ হলেও সেটিকে দলীয়করণের পথে নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন ক্রিকেট বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পরিষদে প্রভাব বিস্তার করছে।
৩ দিন আগে