
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই। দীর্ঘ দিন ধরে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা বিফল করে দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপি মিডিয়া সেল খালেদা জিয়ার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। তার মৃত্যুতে সাত দিনের শোক ঘোষণা করেছে বিএনপি। সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অন্যান্য রাজনৈতিক দলসহ জনমানুষও তার মৃত্যুতে শোকাহত, ব্যথিত।
গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এরপর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তখন থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।
এর মধ্যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আবারও দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করা হয়। খালেদা জিয়ার সঙ্গে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকতে লন্ডন থেকে ছুটে আসেন পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। তবে মেডিকেল বোর্ড শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে দেশে রেখেই চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
গত কয়েকদিন ধরেই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি আর হয়নি। সবশেষ শনিবার মধ্যরাতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এ কথা বলা যাবে না। উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং উনি একটি সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন।’
পরে ভোরে খালেদা জিয়ার জন্য সারা দেশের মানুষের দোয়া প্রার্থনা করেন তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাত্র পাঁচ দিন আগেই দেশে ফিরেছেন তিনি। রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর তাকে লন্ডনে থাকতে হয়েছে। মাঝে মায়ের অসুস্থতার মধ্যেও নিজের একক সিদ্ধান্তে দেশে আসতে পারছিলেন না জানিয়ে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি।
ধারণা করা হয়, নিরাপত্তা ইস্যুর কারণেই তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন’ ছিল না বলে জানিয়েছিলেন তিনি। পরে শেষ পর্যন্ত গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবার দেশে ফেরেন তিনি। সে দিন বিমানবন্দরে নেমে পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপির সংবর্ধনায় অংশ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় ছুটে যান এভারকেয়ার হাসপাতালে। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা মায়ের পাশে দাঁড়ান। এর পাঁচ দিন পরই মাকে শেষ বিদায় জানাতে হচ্ছে তারেক রহমানকে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ থেকে খসে পড়ল অন্যতম উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। এক সামরিক কর্মকর্তার গৃহবধূ থেকে তিনি হয়েছিলেন ফার্স্ট লেডি। স্বামীর প্রয়াণে সেই গৃহবধূই রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে শক্ত হাতে ধরেন দলের হাল।
খালেদা জিয়া দীর্ঘ এক দশক ধরে নেতৃত্ব দেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে। ক্রমেই সারা দেশের মানুষের কাছে হয়ে ওঠেন ‘আপসহীন নেত্রী’। সেনাশাসনের অবসানে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়েন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে।
তিন মেয়াদে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন খালেদা জিয়া। বিএনপির নেতৃত্বে থেকে চালিয়ে গেছেন গণতন্ত্রের জন্য লড়াই। আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবরণ করেছেন।
পরে উচ্চ আদালতে সে মামলা থেকে পরে খালাসও পান খালেদা জিয়া। কিন্তু অসুস্থতা নিয়ে কারাবাসে ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হয়ে তার শারীরিক অবস্থা। পরে খালাস পেয়ে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা নিলেও অসুস্থতার সঙ্গে পেরে ওঠেননি। সার্বক্ষণিক চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থেকেও মৃত্যুর কাছে হার মানলেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বিএনপির লাখো নেতাকর্মী ভাসছেন শোকের সাগরে, যারা খালেদা জিয়াকে ডাকতেন ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষও শোক আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই। দীর্ঘ দিন ধরে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা বিফল করে দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপি মিডিয়া সেল খালেদা জিয়ার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। তার মৃত্যুতে সাত দিনের শোক ঘোষণা করেছে বিএনপি। সারা দেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অন্যান্য রাজনৈতিক দলসহ জনমানুষও তার মৃত্যুতে শোকাহত, ব্যথিত।
গত ২৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এরপর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তখন থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।
এর মধ্যে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে আবারও দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করা হয়। খালেদা জিয়ার সঙ্গে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকতে লন্ডন থেকে ছুটে আসেন পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান। তবে মেডিকেল বোর্ড শেষ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে দেশে রেখেই চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
গত কয়েকদিন ধরেই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি আর হয়নি। সবশেষ শনিবার মধ্যরাতে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এ কথা বলা যাবে না। উনার (খালেদা জিয়া) অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং উনি একটি সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন।’
পরে ভোরে খালেদা জিয়ার জন্য সারা দেশের মানুষের দোয়া প্রার্থনা করেন তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মাত্র পাঁচ দিন আগেই দেশে ফিরেছেন তিনি। রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর তাকে লন্ডনে থাকতে হয়েছে। মাঝে মায়ের অসুস্থতার মধ্যেও নিজের একক সিদ্ধান্তে দেশে আসতে পারছিলেন না জানিয়ে আলোচিত-সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি।
ধারণা করা হয়, নিরাপত্তা ইস্যুর কারণেই তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন’ ছিল না বলে জানিয়েছিলেন তিনি। পরে শেষ পর্যন্ত গত ২৫ ডিসেম্বর সপরিবার দেশে ফেরেন তিনি। সে দিন বিমানবন্দরে নেমে পূর্বাচল ৩০০ ফিট সড়কে বিএনপির সংবর্ধনায় অংশ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় ছুটে যান এভারকেয়ার হাসপাতালে। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা মায়ের পাশে দাঁড়ান। এর পাঁচ দিন পরই মাকে শেষ বিদায় জানাতে হচ্ছে তারেক রহমানকে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ থেকে খসে পড়ল অন্যতম উজ্জ্বল এক নক্ষত্র। এক সামরিক কর্মকর্তার গৃহবধূ থেকে তিনি হয়েছিলেন ফার্স্ট লেডি। স্বামীর প্রয়াণে সেই গৃহবধূই রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে শক্ত হাতে ধরেন দলের হাল।
খালেদা জিয়া দীর্ঘ এক দশক ধরে নেতৃত্ব দেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে। ক্রমেই সারা দেশের মানুষের কাছে হয়ে ওঠেন ‘আপসহীন নেত্রী’। সেনাশাসনের অবসানে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়েন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে।
তিন মেয়াদে দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন খালেদা জিয়া। বিএনপির নেতৃত্বে থেকে চালিয়ে গেছেন গণতন্ত্রের জন্য লড়াই। আওয়ামী লীগের শাসনামলে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবরণ করেছেন।
পরে উচ্চ আদালতে সে মামলা থেকে পরে খালাসও পান খালেদা জিয়া। কিন্তু অসুস্থতা নিয়ে কারাবাসে ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হয়ে তার শারীরিক অবস্থা। পরে খালাস পেয়ে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসা নিলেও অসুস্থতার সঙ্গে পেরে ওঠেননি। সার্বক্ষণিক চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থেকেও মৃত্যুর কাছে হার মানলেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বিএনপির লাখো নেতাকর্মী ভাসছেন শোকের সাগরে, যারা খালেদা জিয়াকে ডাকতেন ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষও শোক আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।

বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, ‘আজকে জামায়াতের আমিরের বক্তব্য শুনে মনে হলো আমি গতকাল ঠিকই বলেছিলাম, জামায়াতে ইসলামী একটা অমানুষের দল!’
২ দিন আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন সংসদ থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়বে।
২ দিন আগে
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক প্রভাব ও হস্তক্ষেপ। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে অনেক সময় রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করে বলে অনেক সময় বিচারের ক্ষেত্রে বিচারকেরা মনস্তাত্ত্বিক সংকটে ভোগেন। এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে উপযুক্ত বিচ
৩ দিন আগে
এ সময় জামায়াত আমির বলেন, ভালো কাজ সরকারি দল, বিরোধী দল একসঙ্গে করলে দেশের উন্নয়ন হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি হবে। আমরা সেই আস্থা তৈরিতে কাজ করতে চাই। আমরা শুধু বিরোধীদল হিসেবে কাগজে কলমে কিংবা সংসদে থাকতে চাই না। আমরা জনগণের কথা বলতে চাই।
৩ দিন আগে