
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করব, এটাই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটি বড় এক চ্যালেঞ্জ, যা আমাদের নিতে হবে এবং এই বিশাল কাজটি শেষ করে তাকে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।”
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যেন কোনো কিছুর অভাব বোধ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। “১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে।
২০২৬ সালের নির্বাচন যেন ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শ নির্বাচন হয়ে ওঠে—সে লক্ষ্যেই সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল। ইসির নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ, ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। বর্তমানে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জও যুক্ত হয়েছে।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে এবং কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করা হবে।
বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ে কোনো ঘাটতি যেন না থাকে—এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এবার নির্বাচনকে ঘিরে দেশ ও বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক কভারেজ করবেন। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তারা বিষয়টিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছেন, আমাদেরও সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদেরই সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যে প্রস্তুতি রয়েছে, তাতে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কেউ এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।
সভায় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে। তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬টি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রায় ৩০০ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তাদের ৫৬ জন প্রতিনিধি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং দুজন প্রতিনিধি মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত আপিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।
তিনি জানান, আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে।
সাইবার স্পেসে তথ্য বিকৃতি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় প্রতীকের ব্যালট, গণভোটের ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় কিছুটা বাড়তি সময় লাগবে। এ নিয়ে কোনো অপতথ্য বা গুজব যেন ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, নির্বাচনের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ভোটের দিন সব কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হবে।
সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা হয়েছে, যা ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ।
তিনি জানান, একই সময়ে লুট হওয়া ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদের মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে, যা ৫২ শতাংশ।
তিনি বলেন, জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র আনসার সদস্যরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় প্রবেশ করতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি বলেন, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বডি ক্যামেরা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোন ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকবে।
তিনি জানান, ভোটের চার দিন আগে সব বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং ভোটের পর আরও সাত দিন তারা মাঠে থাকবে। আজ থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একাধিক টিম ২৪ ঘণ্টা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি মনিটরিং ও রেকর্ড করবে। বডি ক্যামেরার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া যাবে।
সভায় বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বডি ক্যামেরা যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে বিশাল সাফল্য পাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে এবং প্রয়োজনে আরও ঘন ঘন এ ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ, নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আয়োজিত গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'আমরা আসলে নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করব, এটাই আমাদের কাজ। জাতির জন্য এটি বড় এক চ্যালেঞ্জ, যা আমাদের নিতে হবে এবং এই বিশাল কাজটি শেষ করে তাকে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।”
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যেন কোনো কিছুর অভাব বোধ না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে। “১২ ফেব্রুয়ারি কোথাও যেন কোনো গলদ না থাকে।
২০২৬ সালের নির্বাচন যেন ভবিষ্যতের জন্য একটি আদর্শ নির্বাচন হয়ে ওঠে—সে লক্ষ্যেই সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের ধাপে ধাপে পরীক্ষা শুরু হলো। আজ থেকে শুরু, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ফাইনাল। ইসির নির্দেশই এখন সবচেয়ে বড় নির্দেশ, ইসির নির্দেশনা মেনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ক্ষেত্রে কমান্ডের মূল ভূমিকায় থাকবে। বর্তমানে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জও যুক্ত হয়েছে।
তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে এবং কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করা হবে।
বাহিনীগুলোর মধ্যে সমন্বয়ে কোনো ঘাটতি যেন না থাকে—এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এবার নির্বাচনকে ঘিরে দেশ ও বিদেশের বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক কভারেজ করবেন। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকরাও ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তারা বিষয়টিকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছেন, আমাদেরও সুপার সিরিয়াস থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদেরই সবকিছুর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং যে প্রস্তুতি রয়েছে, তাতে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কেউ এই মনোভাব থেকে সরে যাবেন না।
সভায় নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে। তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬টি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রায় ৩০০ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তাদের ৫৬ জন প্রতিনিধি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং দুজন প্রতিনিধি মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত আপিল প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেছেন।
তিনি জানান, আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে।
সাইবার স্পেসে তথ্য বিকৃতি বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় প্রতীকের ব্যালট, গণভোটের ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট গণনায় কিছুটা বাড়তি সময় লাগবে। এ নিয়ে কোনো অপতথ্য বা গুজব যেন ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, নির্বাচনের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, ভোটের দিন সব কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা হবে।
সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে দেশের বিভিন্ন থানা থেকে ৩ হাজার ৬১৯টি অস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা হয়েছে, যা ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ।
তিনি জানান, একই সময়ে লুট হওয়া ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪১৮ রাউন্ড গোলাবারুদের মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১০০ রাউন্ড উদ্ধার হয়েছে, যা ৫২ শতাংশ।
তিনি বলেন, জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সশস্ত্র আনসার সদস্যরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় প্রবেশ করতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গণি বলেন, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বডি ক্যামেরা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোন ব্যবহারের ব্যবস্থাও থাকবে।
তিনি জানান, ভোটের চার দিন আগে সব বাহিনী মোতায়েন করা হবে এবং ভোটের পর আরও সাত দিন তারা মাঠে থাকবে। আজ থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একাধিক টিম ২৪ ঘণ্টা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি মনিটরিং ও রেকর্ড করবে। বডি ক্যামেরার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া যাবে।
সভায় বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বডি ক্যামেরা যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে বিশাল সাফল্য পাওয়া সম্ভব। তিনি জানান, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে এবং প্রয়োজনে আরও ঘন ঘন এ ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ, নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে