
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (১৩ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
সফরকালে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। এ সময় তাকে ‘কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ প্রদান করা হয়। বিশ্বব্যাপী মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শুক্রবার ড. ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সূত্র মতে, তারেক রহমানের প্রস্তাবে ড. ইউনূস জানান, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের রমজান শুরুর আগের সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তবে এর জন্য দেশে বিচারিক সংস্কারসহ কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন জরুরি।
এছাড়া সফরকালে তিনি যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সের স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। তার দাবি, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে, যার একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে গিয়েছে। এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সক্রিয় সহযোগিতা করছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ সহযোগিতার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের যুক্তরাজ্যস্থ সম্পদ জব্দের ঘটনা।
সফরের সার্বিক দিক বিবেচনায় বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ছিল কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও তাৎপর্যপূর্ণ এক পর্ব।

চার দিনের সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (১৩ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তিনি হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
সফরকালে বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। এ সময় তাকে ‘কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ প্রদান করা হয়। বিশ্বব্যাপী মানবকল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
শুক্রবার ড. ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, আলোচনা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সূত্র মতে, তারেক রহমানের প্রস্তাবে ড. ইউনূস জানান, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ২০২৬ সালের রমজান শুরুর আগের সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। তবে এর জন্য দেশে বিচারিক সংস্কারসহ কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন জরুরি।
এছাড়া সফরকালে তিনি যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সের স্পিকারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এবারের সফরে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা। তার দাবি, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে, যার একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে গিয়েছে। এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সক্রিয় সহযোগিতা করছে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ সহযোগিতার অন্যতম উদাহরণ হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকারের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের যুক্তরাজ্যস্থ সম্পদ জব্দের ঘটনা।
সফরের সার্বিক দিক বিবেচনায় বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ছিল কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও তাৎপর্যপূর্ণ এক পর্ব।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে