
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, সেটিই বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
রোববার (২৭ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা ‘লিভ টু আপিল’ খারিজ করে দেন। ফলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান মামলার কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়ে গেল।
২০০৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে দেওয়া ড. ইউনূসের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা করেন জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ জেলা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু। মামলাটি বাতিল চেয়ে ২০১১ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেন ইউনূস।
২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটির কার্যক্রম বাতিল করে রায় দেন।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে ‘লিভ টু আপিল’ করে, যার শুনানি শেষে ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আপিল বেঞ্চ চূড়ান্তভাবে তা খারিজ করে দেন।
এই আদেশের ফলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলাটি আইনি ভাবে আর চালানো যাবে না। এটি ড. ইউনূসের জন্য একটি বড় ধরনের আইনগত স্বস্তির বার্তা বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলার কার্যক্রম বাতিল করে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, সেটিই বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
রোববার (২৭ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা ‘লিভ টু আপিল’ খারিজ করে দেন। ফলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান মামলার কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়ে গেল।
২০০৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে দেওয়া ড. ইউনূসের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে মামলা করেন জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ জেলা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু। মামলাটি বাতিল চেয়ে ২০১১ সালে হাইকোর্টে আবেদন করেন ইউনূস।
২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মামলাটির কার্যক্রম বাতিল করে রায় দেন।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে ‘লিভ টু আপিল’ করে, যার শুনানি শেষে ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আপিল বেঞ্চ চূড়ান্তভাবে তা খারিজ করে দেন।
এই আদেশের ফলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলাটি আইনি ভাবে আর চালানো যাবে না। এটি ড. ইউনূসের জন্য একটি বড় ধরনের আইনগত স্বস্তির বার্তা বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে