
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পূর্ণাঙ্গ সমন্বিত খসড়া চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এই সনদের পটভূমি, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনসহ সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিবরণসহ এতে রাখা হয়েছে সাত দফা অঙ্গীকারনামা। এর বাইরে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে যে ৮৪ দফায় রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে, সেগুলো স্থান পেয়েছে এই সমন্বিত খসড়ায়।
শনিবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় জুলাই সনদের এই খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে৷ খসড়ার একটি কপি রাজনীতি ডটকমের হাতে এসে পৌঁছেছে। পুরো খসড়াটি পড়ুন এখানে—
এর আগে গত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ২০তম দিনের আলোচনা শেষে ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদের প্রাথমিক খসড়া দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে৷ তবে সময় স্বল্পতার কারণে সে খসড়ায় আলোচনায় একমত হওয়া বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ওই খসড়ায় পটভূমি ও অঙ্গীকারনামাসহ বাকি অংশগুলো রাখা হয়েছিল।
অসম্পূর্ণ সেই খসড়া নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। তবে ওই সময় পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। এর মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই সনদ কার্যকরে একমত হওয়াসহ অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য সময় দরকার ছিল বিবেচনায় ঐকমত্য কমিশনকেও তাড়াহুড়ো করতে হয়।
পরে অবশ্য ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন এই কমিশন তাদের কার্যক্রম শেষ করার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় পাচ্ছে।

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পূর্ণাঙ্গ সমন্বিত খসড়া চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এই সনদের পটভূমি, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠনসহ সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিবরণসহ এতে রাখা হয়েছে সাত দফা অঙ্গীকারনামা। এর বাইরে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে যে ৮৪ দফায় রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে, সেগুলো স্থান পেয়েছে এই সমন্বিত খসড়ায়।
শনিবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় জুলাই সনদের এই খসড়া প্রকাশ করা হয়েছে৷ খসড়ার একটি কপি রাজনীতি ডটকমের হাতে এসে পৌঁছেছে। পুরো খসড়াটি পড়ুন এখানে—
এর আগে গত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ২০তম দিনের আলোচনা শেষে ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদের প্রাথমিক খসড়া দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোকে৷ তবে সময় স্বল্পতার কারণে সে খসড়ায় আলোচনায় একমত হওয়া বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ওই খসড়ায় পটভূমি ও অঙ্গীকারনামাসহ বাকি অংশগুলো রাখা হয়েছিল।
অসম্পূর্ণ সেই খসড়া নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। তবে ওই সময় পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। এর মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে এই সনদ কার্যকরে একমত হওয়াসহ অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য সময় দরকার ছিল বিবেচনায় ঐকমত্য কমিশনকেও তাড়াহুড়ো করতে হয়।
পরে অবশ্য ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন এই কমিশন তাদের কার্যক্রম শেষ করার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় পাচ্ছে।

জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর জনগণের অধিকার হরণ করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় লংমার্চ দেখে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে, জাতির প্রয়োজনে ৮ দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, এক দফা আসলে পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।
২ দিন আগে